দেশের সব প্রধান নদ-নদীর পানি এখনো বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে আগামী পাঁচ দিনে পদ্মা নদীর পানি বাড়তে পারে। একই সঙ্গে ব্রহ্মপুত্র, যমুনা ও গঙ্গা নদীর পানিও কয়েক দিন বৃদ্ধি পেতে পারে বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র। শনিবার (৪ জুলাই) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের সহকারী প্রকৌশলী নুসরাত জাহান জেরিন বৃষ্টিপাত, নদ-নদীর বর্তমান পরিস্থিতি এবং পূর্বাভাস তুলে ধরে গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।
পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সিলেট বিভাগ এবং ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে ভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে। আবহাওয়া সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, আগামী এক দিনে দেশের অভ্যন্তরে ও সংলগ্ন উজানে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। পরবর্তী চার দিনে চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগসহ তৎসংলগ্ন ভারতের ত্রিপুরা অঞ্চলে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।
এদিকে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি ঘনীভূত হয়ে সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হয়েছে এবং একই এলাকায় অবস্থান করছে।
নদ-নদীর পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী এক দিনে ব্রহ্মপুত্র ও যমুনা নদীর পানি বাড়তে পারে। এরপর পরবর্তী চার দিন যমুনার পানি মোটামুটি স্থিতিশীল থাকতে পারে। গঙ্গা নদীর পানি আগামী দুই দিন বৃদ্ধি পেয়ে পরবর্তী তিন দিন স্থিতিশীল থাকতে পারে। অন্যদিকে পদ্মা নদীর পানি আগামী পাঁচ দিন পর্যন্ত বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে ব্রহ্মপুত্র, যমুনা, গঙ্গা ও পদ্মাসহ দেশের সব প্রধান নদ-নদীর পানি বিপৎসীমার নিচেই থাকবে বলে জানিয়েছে কেন্দ্র।
এ ছাড়া উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর পানি আগামী এক দিন স্থিতিশীল থাকতে পারে। এরপর পরবর্তী দুই দিনে এসব নদীর পানি বৃদ্ধি পেতে পারে।
চট্টগ্রাম বিভাগের মুহুরী, গোমতী ও ফেনী নদীর পানি আগামী এক দিন বৃদ্ধি এবং পরবর্তী দুই দিনে দ্রুত বাড়তে পারে। পাশাপাশি হালদা, সাঙ্গু, সেলোনিয়া ও মাতামুহুরী নদীর পানিতেও পরিবর্তনের সম্ভাবনা রয়েছে।
অন্যদিকে সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগের মনু, ধলাই, খোয়াই, সারিগোয়াইন, যাদুকাটা, সোমেশ্বরী এবং ভুগাই-কংস নদীর পানি আগামী তিন দিন পর্যন্ত বাড়তে পারে।
তবে রংপুর বিভাগের তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানি আগামী তিন দিনে কমতে পারে বলে পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে।

বাঙ্গালী কণ্ঠ ডেস্ক 


















