ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দারুণ ফিচার চালু করছে হোয়াটসঅ্যাপ ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের হারের নেপথ্যে শরীরে নেই পোশাক, ব্রাজিলীয় সুন্দরীর কান্ড মামলার কারণে শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নতি আটকে আছে : শিক্ষামন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তির কারণে বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইরান যুদ্ধ বিশ্ব অর্থনীতিকে স্থায়ীভাবে বদলে দিয়েছে বিশ্বকাপে দর্শক উপস্থিতির নতুন রেকর্ড সংসদে ‘অঙ্গুলিনির্দেশ’ এক্সপাঞ্জের দাবি হিলালীর, স্পিকার বললেন—‘করা যাবে না’ হাসপাতালে হঠাৎ স্বাস্থ্যমন্ত্রী, অপরিষ্কার পরিবেশ দেখে ক্ষোভ বাজেট-জনবল সংকটের অজুহাতে নাগরিক সেবা ব্যাহত করা যাবে না

কওমি শিক্ষার্থীদের দেওবন্দে পড়ার সুযোগ তৈরির করে দেবেন

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ জামিয়া রাহমানিয়া ঢাকার সিনিয়র মুহাদ্দিস মাওলানা মানুমুল হক বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের কাওমি মাদগুলোকে স্বীকৃতির ঘোষণা দিয়েছেন সে ধারাবাহিকতায় কওমি ছাত্র শিক্ষকদের প্রাণের দাবিকে মেনে নিয়ে দারুল উলুম দেওবন্দে পড়ার সুযোগ তৈরির করে দেবেন বলে আমরা আশা প্রকাশ করছি।

ভারতের দারুল উলুম দেওবন্দে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের বৈধভাবে পড়ার দাবিতে গত সোমবার (২১ মে) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে কওমি ছাত্র শিক্ষক পরিষদের ব্যানারে দুপুর ১১ টায় অনুষ্ঠিত এ মানববন্ধনে তিনি এ কথা বলেন। সভাপতির বক্তব্যে মাওলানা মামুনুল হক আরও বলেন, শিক্ষা হলো সারা পৃথিবীর একমাত্র পাওয়ার। শিক্ষা ছাড়া মানুষ নিজেকে বিকশিত করতে পারে না। কিন্তু কওমি শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষা রাষ্ট্রীয় সীমানা প্রাচীরে আটকে আছে।

সীমান্তের এ অনৈতিক বাধা উঠিয়ে নিয়মতান্ত্রিকভাবে শিক্ষার্থীদের চাহিদা অনুযায়ী যে কোনো রাষ্ট্রে পড়ার সুযোগ দিতে হবে। তিনি আরও বলেন, আমরা ২৫ লক্ষ কওমি ছাত্র জনতার পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী বরাবর দাবি পেশ করছি। তিনি বাংলাদেশ অবস্থিত ভারতীয় হাই কমিশনের উদ্দেশে বলেন, পৃথিবীর সব বিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে দেশগুলো অহঙ্কার করে থাকে।

আল আযহার যেমন মিশরের গৌরব, অক্সফোর্ড যুক্তরাজ্যের গৌরব, তেমনি দারুল উলুম দেওবন্দ ভারতের গৌরব। ভারতের স্বাধীনতা যুদ্ধসহ দেশের নানা বিপদে অসামান্য ভূমিকা রেখেছে এই দেওবন্দ মাদরাসা। কিন্তু ভারত দারুল উলুমের মতো গৌরবের বিষয়কে মূল্যায়ন করতে পারছে না।

তিনি প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, আমাদের প্রাণের দাবি দারুল উলুম দেওবন্দে পড়ার বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে যেন সহযোগিতামূলক সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। একই সঙ্গে যারা ভারতে পড়তে যাচ্ছেন তারা যেন কোনো ধরনের হেনস্থার শিকার না হয় সে বিষয়ে দ্রুত নিশ্চিত করতে হবে।

মাববন্ধনে নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, মুফতি সাখাওয়াত হোসাইন রাজী, মাওলানা রুহুল আমিন সাদী, মুফতি হাসান মুহাম্মদ জামিল, মাওলানা শেখ লুকমান হোসাইন, মুফতি ফখরুল ইসলাম, মাওলানা গাজী ইয়াকুব, মাওলানা ওয়ালিউল্লাহ আরমান, মুফতি ইমরানুল বারি সিরাজী, মুফতি শামসুদ্দোহা আশরাফী, মাওলানা এহসানুল হক, মাওলানা তোফায়েল গাজালী প্রমুখ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

দারুণ ফিচার চালু করছে হোয়াটসঅ্যাপ

কওমি শিক্ষার্থীদের দেওবন্দে পড়ার সুযোগ তৈরির করে দেবেন

আপডেট টাইম : ০৫:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ মে ২০১৮

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ জামিয়া রাহমানিয়া ঢাকার সিনিয়র মুহাদ্দিস মাওলানা মানুমুল হক বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের কাওমি মাদগুলোকে স্বীকৃতির ঘোষণা দিয়েছেন সে ধারাবাহিকতায় কওমি ছাত্র শিক্ষকদের প্রাণের দাবিকে মেনে নিয়ে দারুল উলুম দেওবন্দে পড়ার সুযোগ তৈরির করে দেবেন বলে আমরা আশা প্রকাশ করছি।

ভারতের দারুল উলুম দেওবন্দে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের বৈধভাবে পড়ার দাবিতে গত সোমবার (২১ মে) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে কওমি ছাত্র শিক্ষক পরিষদের ব্যানারে দুপুর ১১ টায় অনুষ্ঠিত এ মানববন্ধনে তিনি এ কথা বলেন। সভাপতির বক্তব্যে মাওলানা মামুনুল হক আরও বলেন, শিক্ষা হলো সারা পৃথিবীর একমাত্র পাওয়ার। শিক্ষা ছাড়া মানুষ নিজেকে বিকশিত করতে পারে না। কিন্তু কওমি শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষা রাষ্ট্রীয় সীমানা প্রাচীরে আটকে আছে।

সীমান্তের এ অনৈতিক বাধা উঠিয়ে নিয়মতান্ত্রিকভাবে শিক্ষার্থীদের চাহিদা অনুযায়ী যে কোনো রাষ্ট্রে পড়ার সুযোগ দিতে হবে। তিনি আরও বলেন, আমরা ২৫ লক্ষ কওমি ছাত্র জনতার পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী বরাবর দাবি পেশ করছি। তিনি বাংলাদেশ অবস্থিত ভারতীয় হাই কমিশনের উদ্দেশে বলেন, পৃথিবীর সব বিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে দেশগুলো অহঙ্কার করে থাকে।

আল আযহার যেমন মিশরের গৌরব, অক্সফোর্ড যুক্তরাজ্যের গৌরব, তেমনি দারুল উলুম দেওবন্দ ভারতের গৌরব। ভারতের স্বাধীনতা যুদ্ধসহ দেশের নানা বিপদে অসামান্য ভূমিকা রেখেছে এই দেওবন্দ মাদরাসা। কিন্তু ভারত দারুল উলুমের মতো গৌরবের বিষয়কে মূল্যায়ন করতে পারছে না।

তিনি প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, আমাদের প্রাণের দাবি দারুল উলুম দেওবন্দে পড়ার বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে যেন সহযোগিতামূলক সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। একই সঙ্গে যারা ভারতে পড়তে যাচ্ছেন তারা যেন কোনো ধরনের হেনস্থার শিকার না হয় সে বিষয়ে দ্রুত নিশ্চিত করতে হবে।

মাববন্ধনে নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, মুফতি সাখাওয়াত হোসাইন রাজী, মাওলানা রুহুল আমিন সাদী, মুফতি হাসান মুহাম্মদ জামিল, মাওলানা শেখ লুকমান হোসাইন, মুফতি ফখরুল ইসলাম, মাওলানা গাজী ইয়াকুব, মাওলানা ওয়ালিউল্লাহ আরমান, মুফতি ইমরানুল বারি সিরাজী, মুফতি শামসুদ্দোহা আশরাফী, মাওলানা এহসানুল হক, মাওলানা তোফায়েল গাজালী প্রমুখ।