ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মারা গেছেন আলোচিত সেই ‌‘সিরিয়াল কিলার’ সাইকো সম্রাট গুপ্ত এবং অদৃশ্য শক্তির বিরুদ্ধে ভোট করতে হয়েছে: পানিসম্পদ মন্ত্রী মেলানিয়া ট্রাম্পের আমন্ত্রণে যুক্তরাষ্ট্রে জুবাইদা রহমান ইরান যুদ্ধে ট্রাম্পের নতি স্বীকার: ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম থেকে পিছুটান ট্রাম্পের আলোচনার দাবিকে উড়িয়ে দিল ইরান, ‘কোনো আলোচনাই হয়নি’—আরাগচি ভুয়া চিকিৎসক দিয়ে অস্ত্রোপচার, ডক্টরস কেয়ার হাসপাতাল সিলগালা গাবতলী থেকে স্মৃতিসৌধ পর্যন্ত তোরণ-পোস্টার লাগানো নিষেধ মির্জা আব্বাসের শারীরিক অবস্থার উন্নতি, দোয়া চেয়েছে পরিবার অস্ট্রেলিয়ার পার্লামেন্টে তারেক রহমানকে ‌অভিনন্দন জানিয়ে প্রস্তাব উত্থাপন ৯০ টাকার তরমুজ ৬০ টাকা, তবুও মিলছে না ক্রেতা

স্ট্রবেরির বাণিজ্যক চাষে লাভবান হচ্ছেন কৃষকরা

মৌসুমী ফল হিসেবে কদর রয়েছে বিদেশি জাতের স্ট্রবেরির। চাহিদা ভালো থাকায় জয়পুরহাটের চাষীরা স্ট্রবেরি চাষে ঝুঁকছেন। ফলন আর দাম ভালো পাওয়ায় কৃষকরা অন্য ফসল থেকে সরে আসছেন। তবে স্থানীয়ভাবে সংরক্ষণের ব্যবস্থা না থাকায় দ্রুত পচনশীল এই ফলের বাজার নিয়ে কিছুটা শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

ভোরের আলো ফুটতেই এখানকার সড়কের দুই পাশে সারি সারি স্ট্রবেরি বাগানে শুরু হয় কর্মযজ্ঞ। লাল স্ট্রবেরি উত্তোলনে ব্যস্ত সময় পার করছেন জয়পুরহাটের আক্কেলপুরের কৃষকরা। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবার ফলন ও বাজারদর- দুটো নিয়েই মুখে হাসি ফুটেছে তাদের।

মূলত, অন্যান্য ফসলের তুলনায় স্ট্রবেরি চাষ লাভজনক হয়ে উঠেছে। বিঘা প্রতি দেড় থেকে দু লাখ টাকা খরচেই কৃষক আয় করছেন ৩ থেকে ৪ লাখ টাকা। অর্থাৎ স্বল্প সময়েই খরচের প্রায় দ্বিগুণ লাভ ঘরে তুলছেন কৃষক।

এদিকে, স্বাদ ও গুণগত মান ভালো হওয়ায় জয়পুরহাটের স্ট্রবেরির চাহিদা এখন দেশজুড়ে। অনেকে বাগান থেকেই তাজা স্ট্রবেরি কিনে নিচ্ছেন। পাইকারদের হাত ধরে এই স্ট্রবেরি পৌঁছে যাচ্ছে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। পাইকারিতে মানভেদে কেজিতে বিক্রি হচ্ছে ৩ থেকে ৪শ’ টাকা। আর খুচরায় মিলছে ৫ থেকে ৬শ টাকাতেই।

এই সাফল্যের মাঝেও কিছুটা দুশ্চিন্তা রয়েছে কৃষকদের মনে। স্থানীয় পর্যায়ে সংরক্ষণের ব্যবস্থা না থাকায় দ্রুত পচনশীল এই ফল নিয়ে তাদের পাইকারদের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। কৃষি বিভাগ বলছে, লাভজনক এই ফল চাষে কৃষকের পাশে আছেন তারা।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক এ কে এম সাদিকুল ইসলাম বলেন, ‘এবার জেলায় ১৩ হেক্টর জমিতে স্ট্রবেরি চাষ হয়েছে। লাভজনক হওয়ায় এ বছর জেলায় স্ট্রবেরি চাষ অনেকটা বেড়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ভালো ফলন আমরা আশা করছি। বাজারে চাহিদা থাকায় কৃষকরা ভালো দাম পাচ্ছেন। এই চাষে কৃষকদের বিভিন্ন পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে। তবে কৃষকদের জন্য আমরা কোনো প্রণোদনা পাইনি।’

সব মিলিয়ে এ জেলায় এ বছর ১২ হেক্টর জমিতে স্ট্রবেরি চাষ হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জনপ্রিয় সংবাদ

মারা গেছেন আলোচিত সেই ‌‘সিরিয়াল কিলার’ সাইকো সম্রাট

স্ট্রবেরির বাণিজ্যক চাষে লাভবান হচ্ছেন কৃষকরা

আপডেট টাইম : এক ঘন্টা আগে

মৌসুমী ফল হিসেবে কদর রয়েছে বিদেশি জাতের স্ট্রবেরির। চাহিদা ভালো থাকায় জয়পুরহাটের চাষীরা স্ট্রবেরি চাষে ঝুঁকছেন। ফলন আর দাম ভালো পাওয়ায় কৃষকরা অন্য ফসল থেকে সরে আসছেন। তবে স্থানীয়ভাবে সংরক্ষণের ব্যবস্থা না থাকায় দ্রুত পচনশীল এই ফলের বাজার নিয়ে কিছুটা শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

ভোরের আলো ফুটতেই এখানকার সড়কের দুই পাশে সারি সারি স্ট্রবেরি বাগানে শুরু হয় কর্মযজ্ঞ। লাল স্ট্রবেরি উত্তোলনে ব্যস্ত সময় পার করছেন জয়পুরহাটের আক্কেলপুরের কৃষকরা। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবার ফলন ও বাজারদর- দুটো নিয়েই মুখে হাসি ফুটেছে তাদের।

মূলত, অন্যান্য ফসলের তুলনায় স্ট্রবেরি চাষ লাভজনক হয়ে উঠেছে। বিঘা প্রতি দেড় থেকে দু লাখ টাকা খরচেই কৃষক আয় করছেন ৩ থেকে ৪ লাখ টাকা। অর্থাৎ স্বল্প সময়েই খরচের প্রায় দ্বিগুণ লাভ ঘরে তুলছেন কৃষক।

এদিকে, স্বাদ ও গুণগত মান ভালো হওয়ায় জয়পুরহাটের স্ট্রবেরির চাহিদা এখন দেশজুড়ে। অনেকে বাগান থেকেই তাজা স্ট্রবেরি কিনে নিচ্ছেন। পাইকারদের হাত ধরে এই স্ট্রবেরি পৌঁছে যাচ্ছে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। পাইকারিতে মানভেদে কেজিতে বিক্রি হচ্ছে ৩ থেকে ৪শ’ টাকা। আর খুচরায় মিলছে ৫ থেকে ৬শ টাকাতেই।

এই সাফল্যের মাঝেও কিছুটা দুশ্চিন্তা রয়েছে কৃষকদের মনে। স্থানীয় পর্যায়ে সংরক্ষণের ব্যবস্থা না থাকায় দ্রুত পচনশীল এই ফল নিয়ে তাদের পাইকারদের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। কৃষি বিভাগ বলছে, লাভজনক এই ফল চাষে কৃষকের পাশে আছেন তারা।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক এ কে এম সাদিকুল ইসলাম বলেন, ‘এবার জেলায় ১৩ হেক্টর জমিতে স্ট্রবেরি চাষ হয়েছে। লাভজনক হওয়ায় এ বছর জেলায় স্ট্রবেরি চাষ অনেকটা বেড়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ভালো ফলন আমরা আশা করছি। বাজারে চাহিদা থাকায় কৃষকরা ভালো দাম পাচ্ছেন। এই চাষে কৃষকদের বিভিন্ন পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে। তবে কৃষকদের জন্য আমরা কোনো প্রণোদনা পাইনি।’

সব মিলিয়ে এ জেলায় এ বছর ১২ হেক্টর জমিতে স্ট্রবেরি চাষ হয়েছে।