ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জনগণের দোরগোড়ায় দ্রুত সেবা পৌঁছে দিতে হবে : ডিএসসিসি প্রশাসক বগুড়াকে আধুনিক শিক্ষা নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে চান প্রধানমন্ত্রী: শিক্ষামন্ত্রী আগামী বৈশাখ থেকে প্রতি জেলায় হবে গ্রামীণ খেলাধুলা : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জুন মাসের মধ্যে হেলথ কার্ড দেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিরোধী দলের ওপর স্বৈরাচারের ভূত আছর করেছে : প্রধানমন্ত্রী মাদক নির্মূলে শিগগিরই শুরু হবে বিশেষ অভিযান : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৈশাখী সাজে শোবিজ তারকারা জুলাই সনদের প্রত্যেকটি অক্ষর বিএনপি বাস্তবায়ন করবে: প্রধানমন্ত্রী হারিয়ে যাচ্ছে বাঙালির ঐতিহ্যবাহী ‘লাল কাপড়ের মোড়ানো খাতা’ কৃষি ও কৃষকই অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি: তথ্যমন্ত্রী

জিয়া সম্মুখ যুদ্ধ করেননি

গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা মরহুম জিয়াউর রহমানের প্রতি ইঙ্গিত করে বলেছেন, উনি (জিয়া) আসলে কোনো দিনই সন্মুখ যুদ্ধ করেননি। যেখানে যুদ্ধ, সেখানে তিনি থাকতেন না। আমাদের ছেড়ে সে পালিয়ে আসতেন। তার সঙ্গে থাকা একজন লেফটেনেন্ট অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে রেখে রামগড়ে চলে যান মেজর জিয়া। পরে আমরা রামগড়ে পৌঁছানোর পর আমি জিয়াকে জিজ্ঞেস করি, আপনি এখানে কেন? তিনি জানান, ভারত থেকে অস্ত্র নিতে এসেছেন। গতকাল জাতীয় সংসদে বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে বক্তব্য প্রদানের সময় মুক্তিযুদ্ধের দিনগুলোর স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে একথা বলেন তিনি। মন্ত্রী বলেন, আজ হঠাৎ এসব কথা মনে পড়ল পাশে বসা স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়কার সাথী মেজর (অব.) রফিকুল ইসলাম ও ক্যাপ্টেন (অব.) সুবিধ আলী ভূঁইয়াকে দেখে। তিনি বলেন, উনি (জিয়া) আর আমি একসঙ্গে ছিলাম। আমি তখন নির্বাচিত এমপি। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বেলা ২টায় তৎকালীন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমএ হান্নান সাহেব বঙ্গবন্ধুর  মধ্যরাতের স্বাধীনতার ঘোষণাটি প্রথম বেতারে পাঠ করেন। আমি একটা কথা দৃঢ়ভাবে বলতে চাই। সেই বক্তব্য আবার লিখিতভাবে ড্রাফট করে দেই আমরা। আমরা সেটা উনাকে (জিয়াকে) দিলে উনি বেতারে পড়েছেন, ‘আই মেজর জিয়া অন বি হাফ অব দি আওয়া গ্রেট লিডার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টু ডিকলেয়ার ইনডিপেন্ডেন্ট।’ এ সময় ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার উদ্দেশে বলেন, ম্যাডাম খালেদা জিয়া আপনি নিজেই বলেন, জিয়া ২৭ তারিখ স্বাধীনতা ঘোষণা দিয়েছেন। তাহলে ২৬ তারিখ কেন  স্বাধীনতা দিবস পালন করেন? এর কোনো উত্তর আপনার কাছে আছে? কাজেই ইতিহাস যেটা, সেটাই সত্য। ইতিহাস মেনে চলা উচিত। পূর্তমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ বিশ্ব নেত্রী, চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ। অপরদিকে ম্যাডাম খালেদা জিয়া চ্যাম্পিয়ন অব দ্য সন্ত্রাস। চ্যাম্পিয়ন অব দ্য পেট্রোল বোম হয়েছেন। ম্যাডাম খালেদা জিয়া যেভাবে বাস পুড়িয়েছেন, মানুষ পুড়িয়েছেন, এমন কোনো কাজ নেই তিনি করেননি। এখন নয়া জিনিস শুরু করেছেন সেটা হলো গুপ্ত হত্যা। তবে যেভাবে ৯০ দিন পর আন্দোলনে ব্যর্থ হয়ে ঘরে ফিরে গেছেন। সেভাবেই এই গুপ্ত হত্যা বন্ধ হবে একদিন।
Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জনগণের দোরগোড়ায় দ্রুত সেবা পৌঁছে দিতে হবে : ডিএসসিসি প্রশাসক

জিয়া সম্মুখ যুদ্ধ করেননি

আপডেট টাইম : ০৬:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুন ২০১৬
গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা মরহুম জিয়াউর রহমানের প্রতি ইঙ্গিত করে বলেছেন, উনি (জিয়া) আসলে কোনো দিনই সন্মুখ যুদ্ধ করেননি। যেখানে যুদ্ধ, সেখানে তিনি থাকতেন না। আমাদের ছেড়ে সে পালিয়ে আসতেন। তার সঙ্গে থাকা একজন লেফটেনেন্ট অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে রেখে রামগড়ে চলে যান মেজর জিয়া। পরে আমরা রামগড়ে পৌঁছানোর পর আমি জিয়াকে জিজ্ঞেস করি, আপনি এখানে কেন? তিনি জানান, ভারত থেকে অস্ত্র নিতে এসেছেন। গতকাল জাতীয় সংসদে বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে বক্তব্য প্রদানের সময় মুক্তিযুদ্ধের দিনগুলোর স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে একথা বলেন তিনি। মন্ত্রী বলেন, আজ হঠাৎ এসব কথা মনে পড়ল পাশে বসা স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়কার সাথী মেজর (অব.) রফিকুল ইসলাম ও ক্যাপ্টেন (অব.) সুবিধ আলী ভূঁইয়াকে দেখে। তিনি বলেন, উনি (জিয়া) আর আমি একসঙ্গে ছিলাম। আমি তখন নির্বাচিত এমপি। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বেলা ২টায় তৎকালীন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমএ হান্নান সাহেব বঙ্গবন্ধুর  মধ্যরাতের স্বাধীনতার ঘোষণাটি প্রথম বেতারে পাঠ করেন। আমি একটা কথা দৃঢ়ভাবে বলতে চাই। সেই বক্তব্য আবার লিখিতভাবে ড্রাফট করে দেই আমরা। আমরা সেটা উনাকে (জিয়াকে) দিলে উনি বেতারে পড়েছেন, ‘আই মেজর জিয়া অন বি হাফ অব দি আওয়া গ্রেট লিডার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টু ডিকলেয়ার ইনডিপেন্ডেন্ট।’ এ সময় ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার উদ্দেশে বলেন, ম্যাডাম খালেদা জিয়া আপনি নিজেই বলেন, জিয়া ২৭ তারিখ স্বাধীনতা ঘোষণা দিয়েছেন। তাহলে ২৬ তারিখ কেন  স্বাধীনতা দিবস পালন করেন? এর কোনো উত্তর আপনার কাছে আছে? কাজেই ইতিহাস যেটা, সেটাই সত্য। ইতিহাস মেনে চলা উচিত। পূর্তমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ বিশ্ব নেত্রী, চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ। অপরদিকে ম্যাডাম খালেদা জিয়া চ্যাম্পিয়ন অব দ্য সন্ত্রাস। চ্যাম্পিয়ন অব দ্য পেট্রোল বোম হয়েছেন। ম্যাডাম খালেদা জিয়া যেভাবে বাস পুড়িয়েছেন, মানুষ পুড়িয়েছেন, এমন কোনো কাজ নেই তিনি করেননি। এখন নয়া জিনিস শুরু করেছেন সেটা হলো গুপ্ত হত্যা। তবে যেভাবে ৯০ দিন পর আন্দোলনে ব্যর্থ হয়ে ঘরে ফিরে গেছেন। সেভাবেই এই গুপ্ত হত্যা বন্ধ হবে একদিন।