ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জনগণের দোরগোড়ায় দ্রুত সেবা পৌঁছে দিতে হবে : ডিএসসিসি প্রশাসক বগুড়াকে আধুনিক শিক্ষা নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে চান প্রধানমন্ত্রী: শিক্ষামন্ত্রী আগামী বৈশাখ থেকে প্রতি জেলায় হবে গ্রামীণ খেলাধুলা : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জুন মাসের মধ্যে হেলথ কার্ড দেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিরোধী দলের ওপর স্বৈরাচারের ভূত আছর করেছে : প্রধানমন্ত্রী মাদক নির্মূলে শিগগিরই শুরু হবে বিশেষ অভিযান : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৈশাখী সাজে শোবিজ তারকারা জুলাই সনদের প্রত্যেকটি অক্ষর বিএনপি বাস্তবায়ন করবে: প্রধানমন্ত্রী হারিয়ে যাচ্ছে বাঙালির ঐতিহ্যবাহী ‘লাল কাপড়ের মোড়ানো খাতা’ কৃষি ও কৃষকই অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি: তথ্যমন্ত্রী

সিলেটের জেলা প্রশাসকসহ তিন কর্মকর্তার সম্পদের হিসাব চেয়েছে দুদক

 
সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. জয়নাল আবেদীন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শহিদুল ইসলাম চৌধুরী, সহকারী কমিশনার (নেজারত) তানভীর আল নাসীফের কাছে সম্পদের হিসাব চেয়ে নোটিশ দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।রবিবার (১১ ডিসেম্বর) বিকাল ৫টায় দুদক সিলেটের সহকারী পরিচালক দেবব্রত মণ্ডল ওই তিন কর্মকর্তার নামে এক নোটিশ জারি করেন। এতে বলা হয়, তাদের সম্পদের হিসাব আগামী ১৮ ডিসেম্বরের মধ্যে দুদকের সিলেট কার্যালয়ে দাখিল করতে হবে।

প্রশাসনের তিন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদকে দেওয়া একটি লিখিত অভিযোগের পরই ওই নোটিশ জারি করা হয় বলে জানা গেছে।

চলতি বছরের ২২ নভেম্বর সিলেট নগরের উপশহরের বাসিন্দা মজিবুর রহমান জেলা প্রশাসক মো. জয়নাল আবেদীন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শহিদুল ইসলাম চৌধুরী, সহকারী কমিশনার (নেজারত) তানভীর আল নাসীফকে অভিযুক্ত করে ৪টি ঘটনার বিবরণ দিয়ে দুদক কার্যালয়ে অভিযোগ দাখিল করেন।

ওই অভিযোগপত্রে বলা হয়, সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. জয়নাল আবেদীন নেত্রকোনা জেলার দূর্গাপুর উপজেলার ইউএনও থাকাকালীন সময় থেকেই দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি দুই বিয়ে করেছেন। ইউএনও থাকাকালীন সময়ে ১ম পক্ষের স্ত্রীর নামে রাজধানীর ধানমন্ডির সেন্ট্রাল রোডে একটি বাড়ি দেড়কোটি টাকা দিয়ে ক্রয় করেন। পরবর্তীতে, উক্ত বাড়ী ও সম্পদ নিয়ে আইনী জটিলতার কারণে তাদের বিবাহ বিচ্ছেদও হয় বলে দুদকে দাখিলকৃত অভিযোগপত্রে বলা হয়।

জয়নাল আবেদীনের নামে আরও অভিযোগ রয়েছে, দ্বিতীয় স্ত্রী ও দুই কন্যার নামে-বেনামে তিনি ঢাকায় কয়েকটি ফ্ল্যাট ক্রয় ও বিভিন্ন ব্যাংকে কয়েকটি এফডিআর করেছেন। আরও অভিযোগ, তিনি জেলা প্রশাসক হিসেবে হবিগঞ্জ ও সিলেটে যোগদানের পর এলআর ফান্ডের টাকা লুটপাট করেছেন।

২০১৪-২০১৫ ও ২০১৫-২০১৬ অর্থ বছরে দুর্নীতির মাধ্যমে সিলেট জেলার বিভিন্ন জলমহাল, বালুমহাল, পাথর কোয়ারি, হাট ইজারা দেওয়ার অভিযোগও করা হয় জেলা প্রশাসকের নামে।

এছাড়া জেলা প্রশাসক ও এনডিসির বিরুদ্ধে সিলেট সার্কিট হাউসের বরাদ্দকৃত টাকা লুটপাটসহ বিধিবর্হিভূতভাবে প্রশাসনের কর্মকর্তাদের স্থায়ীভাবে থাকার সুযোগ করে দিয়ে উত্তোলনকৃত টাকা সরকারি কোষাগারে জমা না দিয়ে আত্মসাত করা এবং সিলেটের পরিবহন পুলের টাকা সিলেটের সহকারী কমিশনার (নেজারত) তানভীর আল নাসীফ জেলা প্রশাসকের সহযোগীতায় দুর্নীতির মাধ্যমে আত্মসাৎ করারও অভিযোগ উঠেছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জনগণের দোরগোড়ায় দ্রুত সেবা পৌঁছে দিতে হবে : ডিএসসিসি প্রশাসক

সিলেটের জেলা প্রশাসকসহ তিন কর্মকর্তার সম্পদের হিসাব চেয়েছে দুদক

আপডেট টাইম : ০৯:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৬
 
সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. জয়নাল আবেদীন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শহিদুল ইসলাম চৌধুরী, সহকারী কমিশনার (নেজারত) তানভীর আল নাসীফের কাছে সম্পদের হিসাব চেয়ে নোটিশ দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।রবিবার (১১ ডিসেম্বর) বিকাল ৫টায় দুদক সিলেটের সহকারী পরিচালক দেবব্রত মণ্ডল ওই তিন কর্মকর্তার নামে এক নোটিশ জারি করেন। এতে বলা হয়, তাদের সম্পদের হিসাব আগামী ১৮ ডিসেম্বরের মধ্যে দুদকের সিলেট কার্যালয়ে দাখিল করতে হবে।

প্রশাসনের তিন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদকে দেওয়া একটি লিখিত অভিযোগের পরই ওই নোটিশ জারি করা হয় বলে জানা গেছে।

চলতি বছরের ২২ নভেম্বর সিলেট নগরের উপশহরের বাসিন্দা মজিবুর রহমান জেলা প্রশাসক মো. জয়নাল আবেদীন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শহিদুল ইসলাম চৌধুরী, সহকারী কমিশনার (নেজারত) তানভীর আল নাসীফকে অভিযুক্ত করে ৪টি ঘটনার বিবরণ দিয়ে দুদক কার্যালয়ে অভিযোগ দাখিল করেন।

ওই অভিযোগপত্রে বলা হয়, সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. জয়নাল আবেদীন নেত্রকোনা জেলার দূর্গাপুর উপজেলার ইউএনও থাকাকালীন সময় থেকেই দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি দুই বিয়ে করেছেন। ইউএনও থাকাকালীন সময়ে ১ম পক্ষের স্ত্রীর নামে রাজধানীর ধানমন্ডির সেন্ট্রাল রোডে একটি বাড়ি দেড়কোটি টাকা দিয়ে ক্রয় করেন। পরবর্তীতে, উক্ত বাড়ী ও সম্পদ নিয়ে আইনী জটিলতার কারণে তাদের বিবাহ বিচ্ছেদও হয় বলে দুদকে দাখিলকৃত অভিযোগপত্রে বলা হয়।

জয়নাল আবেদীনের নামে আরও অভিযোগ রয়েছে, দ্বিতীয় স্ত্রী ও দুই কন্যার নামে-বেনামে তিনি ঢাকায় কয়েকটি ফ্ল্যাট ক্রয় ও বিভিন্ন ব্যাংকে কয়েকটি এফডিআর করেছেন। আরও অভিযোগ, তিনি জেলা প্রশাসক হিসেবে হবিগঞ্জ ও সিলেটে যোগদানের পর এলআর ফান্ডের টাকা লুটপাট করেছেন।

২০১৪-২০১৫ ও ২০১৫-২০১৬ অর্থ বছরে দুর্নীতির মাধ্যমে সিলেট জেলার বিভিন্ন জলমহাল, বালুমহাল, পাথর কোয়ারি, হাট ইজারা দেওয়ার অভিযোগও করা হয় জেলা প্রশাসকের নামে।

এছাড়া জেলা প্রশাসক ও এনডিসির বিরুদ্ধে সিলেট সার্কিট হাউসের বরাদ্দকৃত টাকা লুটপাটসহ বিধিবর্হিভূতভাবে প্রশাসনের কর্মকর্তাদের স্থায়ীভাবে থাকার সুযোগ করে দিয়ে উত্তোলনকৃত টাকা সরকারি কোষাগারে জমা না দিয়ে আত্মসাত করা এবং সিলেটের পরিবহন পুলের টাকা সিলেটের সহকারী কমিশনার (নেজারত) তানভীর আল নাসীফ জেলা প্রশাসকের সহযোগীতায় দুর্নীতির মাধ্যমে আত্মসাৎ করারও অভিযোগ উঠেছে।