ঢাকা , বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জনগণের দোরগোড়ায় দ্রুত সেবা পৌঁছে দিতে হবে : ডিএসসিসি প্রশাসক বগুড়াকে আধুনিক শিক্ষা নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে চান প্রধানমন্ত্রী: শিক্ষামন্ত্রী আগামী বৈশাখ থেকে প্রতি জেলায় হবে গ্রামীণ খেলাধুলা : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জুন মাসের মধ্যে হেলথ কার্ড দেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিরোধী দলের ওপর স্বৈরাচারের ভূত আছর করেছে : প্রধানমন্ত্রী মাদক নির্মূলে শিগগিরই শুরু হবে বিশেষ অভিযান : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৈশাখী সাজে শোবিজ তারকারা জুলাই সনদের প্রত্যেকটি অক্ষর বিএনপি বাস্তবায়ন করবে: প্রধানমন্ত্রী হারিয়ে যাচ্ছে বাঙালির ঐতিহ্যবাহী ‘লাল কাপড়ের মোড়ানো খাতা’ কৃষি ও কৃষকই অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি: তথ্যমন্ত্রী

‘আদরের ভাই’ নীলয় আলমগীর

এই ঈদে প্রচারের লক্ষ্যে তৈরি হলো নাটক ‘আদরের ভাই’। নাম ভূমিকায় অভিয়ন করেছেন নীলয় আলমগীর। তাঁর স্ত্রীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন জান্নাতুল সুমাইয়া হিমি। নীলয়ের চার বোনের ভূমিকায় তাহমিনা সুলতানা মৌ, ফাতেমা হীরা, মাফিয়া বীথি ও হীরামনি। বাবা-মায়ের চরিত্রে অভিনয় করেছেন মাসুম বাশার ও চিত্রলেখা গুহ। সম্প্রতি পূবাইলে শুটিং শেষ হয়েছে নাটকটির। আদরের ভাই রচনা ও পরিচালনা করেছেন মহিন খান। পরিচালক জানিয়েছেন, দু-এক দিনের মাঝেই নাটকটির প্রচার সময় ও চ্যানেলের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে দেওয়া হবে।

নাটকের গল্পে দেখা যাবে, দুই বোনের অতি আদরের ভাই নীলয়। নীলয়ও দুই বোনঅন্তপ্রাণ। সব মিলিয়ে সুখেই কাটছিল জীবন, কিন্তু সেই সুখের ঘরে অসুখ হানা দেয় নীলয়কে বিয়ে দেওয়ার পর। নতুন বউ ঘরে আসতেই শুরু হয় নানা ঝামেলা। একসময় ভাই-বোনের সম্পর্কের মাঝে বেজে ওঠে ভাঙনের সুর।

নীলয় বলেন, ভাই-বোনের সম্পর্কের গল্প নিয়ে সুন্দর একটি নাটক। সবার অতিপরিচিত একটি গল্প। ভালো লাগবে সবার।

অভিনেত্রী তাহমিনা সুলতানা মৌ বলেন, ‘নাটকটি মূলত ভাই-বোনের গল্প। আমি, নিলয়, হীরাসহ আরও দুজন শিল্পী আছেন যাঁরা মূলত ভাই আর চার বোনের চরিত্রে অভিনয় করেছি। ভাই-বোনের সুন্দর সম্পর্কে ফাটল ধরে ঘরে বউ আসার পর। মুহিনের নাটকের গল্পগুলো সব সময় জীবন থেকে নেওয়া হয়। যথারীতি এই নাটকের গল্পটাও তাই। নাটকটি দর্শকের ভালো লাগবে সেই প্রত্যাশা আমার আছে।’

অভিনেত্রী জান্নাতুল সুমাইয়া হিমি বলেন, ‘নিলয় ভাই যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফেরার পর এরই মধ্যে তাঁর সঙ্গে বেশ কয়েকটি নাটকে অভিনয় করেছি। তার মধ্যে এই নাটকের গল্পটা এককথায় খুব সুন্দর। কারণ, এটি পরিবারের গল্প, ভাইকে ঘিরে বোনদের ভালোবাসার গল্প।’

ফাতেমা হীরা বলেন, ‘এবারের ঈদে যেসব নাটকে অভিনয় করেছি তার মধ্যে এই নাটকের গল্পটা অনেক জীবনঘনিষ্ঠ মনে হয়েছে। নাটকটির শেষ দৃশ্য করার সময় আমাদের সিনেমাটোগ্রাফারের চোখে পানি চলে এসেছিল, এতটাই আবেগঘন দৃশ্য ছিল। নাটকটি নিয়ে আমি ভীষণ আশাবাদী।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জনগণের দোরগোড়ায় দ্রুত সেবা পৌঁছে দিতে হবে : ডিএসসিসি প্রশাসক

‘আদরের ভাই’ নীলয় আলমগীর

আপডেট টাইম : ০৫:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

এই ঈদে প্রচারের লক্ষ্যে তৈরি হলো নাটক ‘আদরের ভাই’। নাম ভূমিকায় অভিয়ন করেছেন নীলয় আলমগীর। তাঁর স্ত্রীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন জান্নাতুল সুমাইয়া হিমি। নীলয়ের চার বোনের ভূমিকায় তাহমিনা সুলতানা মৌ, ফাতেমা হীরা, মাফিয়া বীথি ও হীরামনি। বাবা-মায়ের চরিত্রে অভিনয় করেছেন মাসুম বাশার ও চিত্রলেখা গুহ। সম্প্রতি পূবাইলে শুটিং শেষ হয়েছে নাটকটির। আদরের ভাই রচনা ও পরিচালনা করেছেন মহিন খান। পরিচালক জানিয়েছেন, দু-এক দিনের মাঝেই নাটকটির প্রচার সময় ও চ্যানেলের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে দেওয়া হবে।

নাটকের গল্পে দেখা যাবে, দুই বোনের অতি আদরের ভাই নীলয়। নীলয়ও দুই বোনঅন্তপ্রাণ। সব মিলিয়ে সুখেই কাটছিল জীবন, কিন্তু সেই সুখের ঘরে অসুখ হানা দেয় নীলয়কে বিয়ে দেওয়ার পর। নতুন বউ ঘরে আসতেই শুরু হয় নানা ঝামেলা। একসময় ভাই-বোনের সম্পর্কের মাঝে বেজে ওঠে ভাঙনের সুর।

নীলয় বলেন, ভাই-বোনের সম্পর্কের গল্প নিয়ে সুন্দর একটি নাটক। সবার অতিপরিচিত একটি গল্প। ভালো লাগবে সবার।

অভিনেত্রী তাহমিনা সুলতানা মৌ বলেন, ‘নাটকটি মূলত ভাই-বোনের গল্প। আমি, নিলয়, হীরাসহ আরও দুজন শিল্পী আছেন যাঁরা মূলত ভাই আর চার বোনের চরিত্রে অভিনয় করেছি। ভাই-বোনের সুন্দর সম্পর্কে ফাটল ধরে ঘরে বউ আসার পর। মুহিনের নাটকের গল্পগুলো সব সময় জীবন থেকে নেওয়া হয়। যথারীতি এই নাটকের গল্পটাও তাই। নাটকটি দর্শকের ভালো লাগবে সেই প্রত্যাশা আমার আছে।’

অভিনেত্রী জান্নাতুল সুমাইয়া হিমি বলেন, ‘নিলয় ভাই যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফেরার পর এরই মধ্যে তাঁর সঙ্গে বেশ কয়েকটি নাটকে অভিনয় করেছি। তার মধ্যে এই নাটকের গল্পটা এককথায় খুব সুন্দর। কারণ, এটি পরিবারের গল্প, ভাইকে ঘিরে বোনদের ভালোবাসার গল্প।’

ফাতেমা হীরা বলেন, ‘এবারের ঈদে যেসব নাটকে অভিনয় করেছি তার মধ্যে এই নাটকের গল্পটা অনেক জীবনঘনিষ্ঠ মনে হয়েছে। নাটকটির শেষ দৃশ্য করার সময় আমাদের সিনেমাটোগ্রাফারের চোখে পানি চলে এসেছিল, এতটাই আবেগঘন দৃশ্য ছিল। নাটকটি নিয়ে আমি ভীষণ আশাবাদী।’