ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জনগণের দোরগোড়ায় দ্রুত সেবা পৌঁছে দিতে হবে : ডিএসসিসি প্রশাসক বগুড়াকে আধুনিক শিক্ষা নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে চান প্রধানমন্ত্রী: শিক্ষামন্ত্রী আগামী বৈশাখ থেকে প্রতি জেলায় হবে গ্রামীণ খেলাধুলা : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জুন মাসের মধ্যে হেলথ কার্ড দেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিরোধী দলের ওপর স্বৈরাচারের ভূত আছর করেছে : প্রধানমন্ত্রী মাদক নির্মূলে শিগগিরই শুরু হবে বিশেষ অভিযান : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৈশাখী সাজে শোবিজ তারকারা জুলাই সনদের প্রত্যেকটি অক্ষর বিএনপি বাস্তবায়ন করবে: প্রধানমন্ত্রী হারিয়ে যাচ্ছে বাঙালির ঐতিহ্যবাহী ‘লাল কাপড়ের মোড়ানো খাতা’ কৃষি ও কৃষকই অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি: তথ্যমন্ত্রী

জন্ডিস রোগে মালা পড়ানো, হাত ধোয়ানো, মরিচ পুড়িয়ে নাকে দেওয়া কুসংস্কার

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ মানব শরীরের গুরুত্বপূর্ণ রোগ লিভার। লিভারের রোগগুলোর অন্যতম হলো জন্ডিস। গ্রামাঞ্চলে দেখা যায়, জন্ডিস হলে নানা রকম গ্রামীণ চিকিৎসা দেওয়া হয়। যেমন-মালা পড়া, হাত ধোয়ানো ইত্যাদি। এগুলো সম্পূর্ণ অবৈজ্ঞানিক ও ভিত্তিহীন। এগুলোর কোনও সুফল নেই।

কিছু কিছু ব্যাপার খুব খারাপ। যেমন গাছ গাছড়ার ওষুধ খাইয়ে দেওয়া। এটা খুব বিপজ্জনক। এর ফলে কিডনি বা লিভার ফেইলিউর পর্যন্ত হয়ে যেতে পারে। আবার কিছু কিছু চিকিৎসা পদ্ধতি খুব অমানবিক। যেমন মরিচ পুড়িয়ে নাকে দেওয়া, পয়সা পুড়িয়ে ছ্যাঁকা দেওয়া – এ ধরনের কাজগুলো অবশ্যই পরিত্যাজ্য।

আমি বলি কেউ যদি মালা পড়তে ইচ্ছা হয় তাহলে পড়েন। কিন্তু কেউ এটাকে চিকিৎসা মনে করে পড়বেন না। তাহলে হিতে বিপরীত হবে। আর মরিচ পোড়া বা ছ্যাঁকা দেওয়া এসব চিকিৎসা রোগীর উপর ভয়ানক মানসিক প্রভাব ফেলার ঝুঁকি থাকে যা কাটিয়ে উঠতে অনেক সময় দীর্ঘদিন সময় লাগে।

লেখক: চেয়ারম্যান, হেপাটোলজি বিভাগ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনগণের দোরগোড়ায় দ্রুত সেবা পৌঁছে দিতে হবে : ডিএসসিসি প্রশাসক

জন্ডিস রোগে মালা পড়ানো, হাত ধোয়ানো, মরিচ পুড়িয়ে নাকে দেওয়া কুসংস্কার

আপডেট টাইম : ০৯:০৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ জুন ২০১৯

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ মানব শরীরের গুরুত্বপূর্ণ রোগ লিভার। লিভারের রোগগুলোর অন্যতম হলো জন্ডিস। গ্রামাঞ্চলে দেখা যায়, জন্ডিস হলে নানা রকম গ্রামীণ চিকিৎসা দেওয়া হয়। যেমন-মালা পড়া, হাত ধোয়ানো ইত্যাদি। এগুলো সম্পূর্ণ অবৈজ্ঞানিক ও ভিত্তিহীন। এগুলোর কোনও সুফল নেই।

কিছু কিছু ব্যাপার খুব খারাপ। যেমন গাছ গাছড়ার ওষুধ খাইয়ে দেওয়া। এটা খুব বিপজ্জনক। এর ফলে কিডনি বা লিভার ফেইলিউর পর্যন্ত হয়ে যেতে পারে। আবার কিছু কিছু চিকিৎসা পদ্ধতি খুব অমানবিক। যেমন মরিচ পুড়িয়ে নাকে দেওয়া, পয়সা পুড়িয়ে ছ্যাঁকা দেওয়া – এ ধরনের কাজগুলো অবশ্যই পরিত্যাজ্য।

আমি বলি কেউ যদি মালা পড়তে ইচ্ছা হয় তাহলে পড়েন। কিন্তু কেউ এটাকে চিকিৎসা মনে করে পড়বেন না। তাহলে হিতে বিপরীত হবে। আর মরিচ পোড়া বা ছ্যাঁকা দেওয়া এসব চিকিৎসা রোগীর উপর ভয়ানক মানসিক প্রভাব ফেলার ঝুঁকি থাকে যা কাটিয়ে উঠতে অনেক সময় দীর্ঘদিন সময় লাগে।

লেখক: চেয়ারম্যান, হেপাটোলজি বিভাগ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়।