ঢাকা , বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জনগণের দোরগোড়ায় দ্রুত সেবা পৌঁছে দিতে হবে : ডিএসসিসি প্রশাসক বগুড়াকে আধুনিক শিক্ষা নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে চান প্রধানমন্ত্রী: শিক্ষামন্ত্রী আগামী বৈশাখ থেকে প্রতি জেলায় হবে গ্রামীণ খেলাধুলা : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জুন মাসের মধ্যে হেলথ কার্ড দেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিরোধী দলের ওপর স্বৈরাচারের ভূত আছর করেছে : প্রধানমন্ত্রী মাদক নির্মূলে শিগগিরই শুরু হবে বিশেষ অভিযান : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৈশাখী সাজে শোবিজ তারকারা জুলাই সনদের প্রত্যেকটি অক্ষর বিএনপি বাস্তবায়ন করবে: প্রধানমন্ত্রী হারিয়ে যাচ্ছে বাঙালির ঐতিহ্যবাহী ‘লাল কাপড়ের মোড়ানো খাতা’ কৃষি ও কৃষকই অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি: তথ্যমন্ত্রী

দীর্ঘ যুদ্ধের চূড়ান্ত প্রস্তুতি তেহরানের, নতুন অস্ত্র ব্যবহারের হুঁশিয়ারি

ইরান ঘোষণা করেছে যে তারা দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত এবং শিগগিরই এমন উন্নত অস্ত্র ব্যবহার করবে যা এ পর্যন্ত চলমান সংঘাতে দেখা যায়নি। এই ঘোষণাটি ইরানের ইসলামিক রেভ্যুলুশনারি গার্ড করপস (আইআরজিসি) এর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলি মোহাম্মদ নাইনি দিয়েছেন।

নাইনি এক বিবৃতিতে বলেন, “ইরানের শত্রুদের সামনে নতুন হামলার ঢেউ আসছে, এবং তাদেরকে ‘বেদনাদায়ক আঘাত’ সহ্য করার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।” তিনি আরও জানিয়েছেন, ইরানের নতুন অস্ত্র ও প্রযুক্তি এখনো বড় পরিসরে মোতায়েন করা হয়নি, তবে এটি দ্রুত পরিস্থিতির অংশ হয়ে উঠবে।

মুখপাত্রের বক্তব্যে বলা হয়েছে, গত বছরের যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ১২ দিনের যুদ্ধের তুলনায় এখন ইরান অনেক বেশি প্রস্তুত। তিনি চলমান সামরিক সংঘাতকে ‘পবিত্র ও বৈধ যুদ্ধ’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

আইআরজিসির এই ঘোষণাটি এমন এক সময়ে এসেছে যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাত ক্রমশ তীব্র আকার নিচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের আঞ্চলিক যুদ্ধের আশঙ্কা দিন দিন বেড়ে যাচ্ছে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ইরানের নতুন অস্ত্রপ্রযুক্তি ও যুদ্ধ কৌশল মধ্যপ্রাচ্যের সমীকরণকে পরিবর্তন করতে পারে। এ অবস্থায় সংস্থা ও দেশগুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করতে হচ্ছে।

ইরানের এই পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নতুন অস্ত্র মোতায়েন হলে সংঘাতের প্রকোপ বৃদ্ধি পেতে পারে এবং অস্থিরতা আরও দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে।

নাইনি আরও উল্লেখ করেছেন, “আমাদের উন্নত প্রযুক্তি ও নতুন কৌশল শত্রুদের জন্য চরমভাবে ক্ষতিকারক হবে। আমাদের সৈন্যরা প্রস্তুত এবং যুদ্ধে প্রবেশের জন্য মানসিক ও সামরিকভাবে সক্ষম।”

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের তীব্রতা বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে ইরান নিজের শক্তি প্রদর্শন করছে। তাদের ঘোষণা অনুযায়ী, এই নতুন অস্ত্রশক্তি ব্যবহার শুরু হলে যুদ্ধের ধরণ ও ফলাফলকে বদলে দিতে পারে।

আইআরজিসি জানিয়েছে, তারা সুরক্ষিত অঞ্চলে হামলা চালাতে এবং নিজেদের আঞ্চলিক প্রভাব বজায় রাখতে নতুন কৌশল প্রয়োগ করবে। এর ফলে যুদ্ধে অংশ নেওয়া দেশগুলোর অবস্থানেও পরিবর্তন আসতে পারে।

উল্লেখযোগ্য যে, এই ঘোষণার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের প্রতিক্রিয়া এখনও স্পষ্ট নয়, তবে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নজর এখন ইরানের সামরিক কর্মকাণ্ডের দিকে কেন্দ্রীভূত হচ্ছে। তথ্যসূত্র : বিবিসি, আল-জাজিরা

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জনগণের দোরগোড়ায় দ্রুত সেবা পৌঁছে দিতে হবে : ডিএসসিসি প্রশাসক

দীর্ঘ যুদ্ধের চূড়ান্ত প্রস্তুতি তেহরানের, নতুন অস্ত্র ব্যবহারের হুঁশিয়ারি

আপডেট টাইম : ০৯:০২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০২৬

ইরান ঘোষণা করেছে যে তারা দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত এবং শিগগিরই এমন উন্নত অস্ত্র ব্যবহার করবে যা এ পর্যন্ত চলমান সংঘাতে দেখা যায়নি। এই ঘোষণাটি ইরানের ইসলামিক রেভ্যুলুশনারি গার্ড করপস (আইআরজিসি) এর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলি মোহাম্মদ নাইনি দিয়েছেন।

নাইনি এক বিবৃতিতে বলেন, “ইরানের শত্রুদের সামনে নতুন হামলার ঢেউ আসছে, এবং তাদেরকে ‘বেদনাদায়ক আঘাত’ সহ্য করার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।” তিনি আরও জানিয়েছেন, ইরানের নতুন অস্ত্র ও প্রযুক্তি এখনো বড় পরিসরে মোতায়েন করা হয়নি, তবে এটি দ্রুত পরিস্থিতির অংশ হয়ে উঠবে।

মুখপাত্রের বক্তব্যে বলা হয়েছে, গত বছরের যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ১২ দিনের যুদ্ধের তুলনায় এখন ইরান অনেক বেশি প্রস্তুত। তিনি চলমান সামরিক সংঘাতকে ‘পবিত্র ও বৈধ যুদ্ধ’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

আইআরজিসির এই ঘোষণাটি এমন এক সময়ে এসেছে যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাত ক্রমশ তীব্র আকার নিচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের আঞ্চলিক যুদ্ধের আশঙ্কা দিন দিন বেড়ে যাচ্ছে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ইরানের নতুন অস্ত্রপ্রযুক্তি ও যুদ্ধ কৌশল মধ্যপ্রাচ্যের সমীকরণকে পরিবর্তন করতে পারে। এ অবস্থায় সংস্থা ও দেশগুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করতে হচ্ছে।

ইরানের এই পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নতুন অস্ত্র মোতায়েন হলে সংঘাতের প্রকোপ বৃদ্ধি পেতে পারে এবং অস্থিরতা আরও দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে।

নাইনি আরও উল্লেখ করেছেন, “আমাদের উন্নত প্রযুক্তি ও নতুন কৌশল শত্রুদের জন্য চরমভাবে ক্ষতিকারক হবে। আমাদের সৈন্যরা প্রস্তুত এবং যুদ্ধে প্রবেশের জন্য মানসিক ও সামরিকভাবে সক্ষম।”

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের তীব্রতা বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে ইরান নিজের শক্তি প্রদর্শন করছে। তাদের ঘোষণা অনুযায়ী, এই নতুন অস্ত্রশক্তি ব্যবহার শুরু হলে যুদ্ধের ধরণ ও ফলাফলকে বদলে দিতে পারে।

আইআরজিসি জানিয়েছে, তারা সুরক্ষিত অঞ্চলে হামলা চালাতে এবং নিজেদের আঞ্চলিক প্রভাব বজায় রাখতে নতুন কৌশল প্রয়োগ করবে। এর ফলে যুদ্ধে অংশ নেওয়া দেশগুলোর অবস্থানেও পরিবর্তন আসতে পারে।

উল্লেখযোগ্য যে, এই ঘোষণার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের প্রতিক্রিয়া এখনও স্পষ্ট নয়, তবে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নজর এখন ইরানের সামরিক কর্মকাণ্ডের দিকে কেন্দ্রীভূত হচ্ছে। তথ্যসূত্র : বিবিসি, আল-জাজিরা