ঢাকা , শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইসরাইলে শব্দের চেয়ে ১৩ গুণ বেশি গতির ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান

ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি) ইসরাইলি লক্ষ্যবস্তুতে ‘সেজিল’ ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হামলা চালানোর দাবি করেছে।

রোববার (১৫ মার্চ) ইরানের আধা-সরকারি তাসনিম নিউজ এজেন্সির খবরে এমনটা বলা হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র–ইসরাইলের আগ্রাসন শুরুর পর তেহরান প্রথমবার এই কৌশলগত সলিড-ফুয়েল সেজিল ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করল।

আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, এই ক্ষেপণাস্ত্রের আনুমানিক সীমা ২ হাজার থেকে ২ হাজার ৫০০ কিলোমিটার। এর গতি শব্দের চেয়ে ১৩ গুণ বেশি।

দ্য ন্যাশনাল ইন্টারেস্ট ম্যাগাজিনের তথ্যমতে, এই ক্ষেপণাস্ত্র অন্যান্য লক্ষ্যবস্তুর পাশাপাশি ভারত মহাসাগর ও ভূমধ্যসাগরের বিস্তৃত অঞ্চলে আঘাত হানতে সক্ষম।

প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের চালানো আগ্রাসনের জবাবে ইরানও পালটা হামলা চালিয়েছে। আক্রান্ত ইরানের লক্ষ্যবস্তু হয় ইসরাইল ছাড়াও মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন সব সামরিক ঘাঁটি। এতে বেশ কয়েকজন মার্কিন সেনাও মারা গেছে। মারা গেছেন হাজারেরও বেশি ইরানি জনগণ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

ইসরাইলে শব্দের চেয়ে ১৩ গুণ বেশি গতির ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান

আপডেট টাইম : ০৭:০১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬

ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি) ইসরাইলি লক্ষ্যবস্তুতে ‘সেজিল’ ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হামলা চালানোর দাবি করেছে।

রোববার (১৫ মার্চ) ইরানের আধা-সরকারি তাসনিম নিউজ এজেন্সির খবরে এমনটা বলা হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র–ইসরাইলের আগ্রাসন শুরুর পর তেহরান প্রথমবার এই কৌশলগত সলিড-ফুয়েল সেজিল ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করল।

আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, এই ক্ষেপণাস্ত্রের আনুমানিক সীমা ২ হাজার থেকে ২ হাজার ৫০০ কিলোমিটার। এর গতি শব্দের চেয়ে ১৩ গুণ বেশি।

দ্য ন্যাশনাল ইন্টারেস্ট ম্যাগাজিনের তথ্যমতে, এই ক্ষেপণাস্ত্র অন্যান্য লক্ষ্যবস্তুর পাশাপাশি ভারত মহাসাগর ও ভূমধ্যসাগরের বিস্তৃত অঞ্চলে আঘাত হানতে সক্ষম।

প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের চালানো আগ্রাসনের জবাবে ইরানও পালটা হামলা চালিয়েছে। আক্রান্ত ইরানের লক্ষ্যবস্তু হয় ইসরাইল ছাড়াও মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন সব সামরিক ঘাঁটি। এতে বেশ কয়েকজন মার্কিন সেনাও মারা গেছে। মারা গেছেন হাজারেরও বেশি ইরানি জনগণ।