আসন্ন মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থীদের প্রচার প্রচারণা এখন তুঙ্গে। বেফাঁস কথা বলায় ডেমোক্রেট দলীয় প্রার্থী হিলারি ক্লিনটনের চেয়ে আলোচনা-সমালোচনায় এগিয়ে রয়েছেন রিপাবলিকান দলের ডোনাল্ড ট্রাম্প। বিভিন্ন শ্রেণি ও সম্প্রদায়ের মানুষকে কথার মাধ্যমে আক্রমণ করে হয়েছেন বিতর্কিত। তার বিরুদ্ধেও প্রচারণা কম হচ্ছে না। সমালোচকরা তার অন্দরমহল নিয়ে টানাটানি শুরু করে দিয়েছেন। বিভিন্ন গণমাধ্যম ট্রাম্প ও তার স্ত্রী মেলানিয়ার অতীত জীবন নিয়ে ঘাটতে শুরু করেছে।
এর আগে মডেলিং জীবনে মেলানিয়ার তোলা নগ্ন ছবি প্রকাশ করে হৈ চৈ ফেলে দেয় পশ্চিমা একাধিক গণমাধ্যম। এবার থলের মধ্যে আরও কিছু আছে কিনা তা ঘাটতে ঘাটতে বের করে এনেছে চমকপ্রদ নানা তথ্য। এসব তথ্য এখন বেশ ঘটা করে ছাপাচ্ছে গণমাধ্যমগুলো।
সম্প্রতি ডেইলি মেইলসহ একাধিক পশ্চিমা গণমাধ্যম জানিয়েছে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার আগে মডেল হিসেবে খুব ভালো অবস্থানে ছিলেন না মেলানিয়া। করেছেন নানা ধরনের কাজ। এমনকি অর্থের জন্যে নিজের শরীর বিকিয়ে দিতেও পিছ পা হননি। সরাসরি বলতে গেলে যৌনকর্মী ছিলেন হোয়াইট হাউজে পা রাখার সম্ভাবনায় থাকা ফার্স্ট লেডি।
গেলো মাসে স্লোভানিয়ান ম্যাগাজিন ‘সুজি’ মেলানিয়ার নগ্ন ছবি প্রকাশ করে। ১৯৯৫ সালে নগ্ন হয়ে একটি ম্যাগাজিনে জায়গা নিয়েছিলেন মেলানিয়া ট্রাম্প। সে সময় তার বয়স ছিল ২৫ বছর।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৬ কি ১৭ বছর বয়সে মডেলিং জগতে পা রাখেন মেলানিয়া। সে সময় স্লোভানিয়ান ফ্যাশন ফটোগ্রাফার স্টেন জার্কোর সামনে মডেল হিসেবে দাঁড়াতেন তিনি। সেই স্টানই প্রতিবেদককে জানিয়েছেন, ট্রাম্পের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার আগে খুব ভালো অবস্থানে ছিলেন না মেলানিয়া।
ওই প্রতিবেদনে জানানো হয়, ৯৬-তে ট্রাম্পের দেখা পাওয়ার আগে রক্ষিতার ভূমিকায় কাজ করেছেন তিনি। এমনকি অর্থের বিনিময়ে তিনি যে কারও শয্যাসঙ্গী হতে দ্বিধা করতেন না। দেহ ব্যবসা থেকে তাকে বের করে আনেন ট্রাম্পই।
ডোনাল্ড ট্রাম্পের তৃতীয় স্ত্রী হওয়ার সুবাদে মডেলিং ক্যারিয়ারেও আলোর দেখা পান মেলানিয়া। বের হয়ে আসেন দেহ ব্যবসার মতো অন্ধকার জগত থেকে। আর এখন তো মার্কিন ফার্স্ট লেডি হওয়ার লোভনীয় সম্ভাবনার হাতছানি একসময় সবার মনোরঞ্জন করা মেলানিয়ার সামনে।
সুজি ম্যাগাজিনের বরাত দিয়ে inquisitr.com নামে একটি সংবাদ মাধ্যম তাদের প্রতিবেদনে জানিয়েছে, পাওলো জ্যামপল্লি মডেলিং এজেন্সিতে কাজ করার সময় মেলানিয়া ‘এসকর্ট’ সার্ভিস হিসেবে কাজ করতেন। ওই এজেন্সির একটা ব্যবসা ছিল মডেলিং, আরেকটি ছিল ধনকুবের বৃদ্ধদের কাছে যৌনকর্মী পাঠানো। ট্রাম্পপত্নী দুই দিকেই কাজ করতেন। প্রতিবেদনে বলা হয় জ্যামপল্লি ছিলেন নিউ ইয়র্কের সফল উদ্যেক্তা। তিনি তার রিয়েল এস্টেট ব্যবসা সম্প্রসারণের জন্য তার এজেন্সির মডেলদের ব্যবহার করতেন। ধনকুবেরদের মনোরঞ্জনে সুন্দরী মডেলদের পাঠাতেন। মেলানিয়াকেও তিনি সেই কাজে ব্যবহার করেছিলেন।
বিডি-প্রতিদিন

বাঙ্গালী কণ্ঠ ডেস্ক 

























