ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ৫ ফাল্গুন ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

আন্দোলনে শিক্ষার্থীর মুখ চেপে ধরা সেই পুলিশ কর্মকর্তা কারাগারে

জুলাই-আগস্টে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় এক শিক্ষার্থীর মুখ চেপে ধরা শাহবাগ থানার সাবেক পরিদর্শক আরশাদ হোসেনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

বুধবার প্রসিকিউটর বিএম সুলতান মাহমুদ এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, জুলাই-আগস্টে গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গ্রেফতার পুলিশ সদস্য আরশাদ হোসেনকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল কারাগারে পাঠিয়েছেন।

গত বছরের ৩১ জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ‘মার্চ ফর জাস্টিস’ কর্মসূচি চলার সময় ঢাকার নিউ মডেল ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থী নাহিদুল ইসলামের মুখ চেপে ধরেন পুলিশ পরিদর্শক আরশাদ হোসেন। পরবর্তী সময়ে ওই ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হলে ব্যাপক সমালোচনা হয়।

এক পর্যায়ে গত ১৮ আগস্ট শাহবাগ থানার ওই পুলিশ কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

বরখাস্তের কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়, সুশৃঙ্খল পুলিশ বাহিনীর একজন সদস্য হওয়া সত্ত্বেও তার এ ধরনের অপেশাদার কর্মকাণ্ডের ফলে পুলিশের কার্যক্রম সম্পর্কে জনসম্মুখে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। এতে পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয়েছে। যার পরিপ্রেক্ষিতে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

আন্দোলনে শিক্ষার্থীর মুখ চেপে ধরা সেই পুলিশ কর্মকর্তা কারাগারে

আপডেট টাইম : ০১:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৫

জুলাই-আগস্টে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় এক শিক্ষার্থীর মুখ চেপে ধরা শাহবাগ থানার সাবেক পরিদর্শক আরশাদ হোসেনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

বুধবার প্রসিকিউটর বিএম সুলতান মাহমুদ এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, জুলাই-আগস্টে গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গ্রেফতার পুলিশ সদস্য আরশাদ হোসেনকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল কারাগারে পাঠিয়েছেন।

গত বছরের ৩১ জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ‘মার্চ ফর জাস্টিস’ কর্মসূচি চলার সময় ঢাকার নিউ মডেল ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থী নাহিদুল ইসলামের মুখ চেপে ধরেন পুলিশ পরিদর্শক আরশাদ হোসেন। পরবর্তী সময়ে ওই ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হলে ব্যাপক সমালোচনা হয়।

এক পর্যায়ে গত ১৮ আগস্ট শাহবাগ থানার ওই পুলিশ কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

বরখাস্তের কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়, সুশৃঙ্খল পুলিশ বাহিনীর একজন সদস্য হওয়া সত্ত্বেও তার এ ধরনের অপেশাদার কর্মকাণ্ডের ফলে পুলিশের কার্যক্রম সম্পর্কে জনসম্মুখে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। এতে পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয়েছে। যার পরিপ্রেক্ষিতে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।