ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জনগণের দোরগোড়ায় দ্রুত সেবা পৌঁছে দিতে হবে : ডিএসসিসি প্রশাসক বগুড়াকে আধুনিক শিক্ষা নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে চান প্রধানমন্ত্রী: শিক্ষামন্ত্রী আগামী বৈশাখ থেকে প্রতি জেলায় হবে গ্রামীণ খেলাধুলা : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জুন মাসের মধ্যে হেলথ কার্ড দেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিরোধী দলের ওপর স্বৈরাচারের ভূত আছর করেছে : প্রধানমন্ত্রী মাদক নির্মূলে শিগগিরই শুরু হবে বিশেষ অভিযান : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৈশাখী সাজে শোবিজ তারকারা জুলাই সনদের প্রত্যেকটি অক্ষর বিএনপি বাস্তবায়ন করবে: প্রধানমন্ত্রী হারিয়ে যাচ্ছে বাঙালির ঐতিহ্যবাহী ‘লাল কাপড়ের মোড়ানো খাতা’ কৃষি ও কৃষকই অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি: তথ্যমন্ত্রী

ই-হেলথ কার্ড চালুর সময় জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

দেশের স্বাস্থ্যসেবাকে আরও সমন্বিত ও কার্যকর করতে জাতীয় ই-হেলথ কার্ড আগামী জুনের মধ্যেই চালু করার আশা প্রকাশ করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, ‘সরকারের অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত উদ্যোগ হিসেবে এ কার্ড বাস্তবায়নের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’

বুধবার (১১ মার্চ) ঢাকায় জাতীয় ই-হেলথ আইডি বাস্তবায়নের প্রস্তুতি পর্যালোচনা বিষয়ক দুই দিনব্যাপী উচ্চপর্যায়ের নীতিনির্ধারণী কর্মশালার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। কর্মশালাটি যৌথভাবে আয়োজন করে অ্যাসপায়ার টু ইনোভেট প্রোগ্রাম (এটুআই), স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ এবং এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি)।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ই-হেলথ কার্ড চালু হলে দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হবে। একজন রোগী গ্রাম বা শহর, যেখানেই চিকিৎসা নিন না কেন, চিকিৎসকেরা এই কার্ডের মাধ্যমে রোগীর প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যতথ্য সহজেই দেখতে পারবেন। এতে রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা দেওয়া আরও কার্যকর হবে।

তিনি আরও বলেন, ‘ই-হেলথ আইডি স্বাস্থ্যখাতে একটি মৌলিক পরিচয় কাঠামো হিসেবে কাজ করবে। এর মাধ্যমে একজন রোগীকে সঠিকভাবে শনাক্ত করা সম্ভব হবে এবং হাসপাতাল, ক্লিনিক ও অন্যান্য স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে চিকিৎসাসংক্রান্ত তথ্য নিরাপদভাবে বিনিময় করা যাবে।’

মন্ত্রী জানান, ‘সরকারের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ ফ্যামিলি কার্ড, ই-হেলথ কার্ড ও ফারমারস কার্ডের মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড ইতিমধ্যে চালু হয়েছে। বাকি দুই উদ্যোগের কাজও এগিয়ে চলছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, জুনের শেষ নাগাদ ই-হেলথ কার্ড চালু করা সম্ভব হবে।’

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত। সভায় সভাপতিত্ব করেন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী।

কর্মশালায় হেলথ আইডি, ইলেকট্রনিক মেডিকেল রেকর্ড (ইএমআর) এবং শেয়ারেবল হেলথ রেকর্ড (এসএইচআর) বাস্তবায়নের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা, অবকাঠামো এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। বিশেষজ্ঞরা জানান, এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে রোগীর তথ্য ব্যবস্থাপনা সহজ হবে এবং দেশের স্বাস্থ্যসেবায় ডিজিটাল রূপান্তর আরও এগিয়ে যাবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জনগণের দোরগোড়ায় দ্রুত সেবা পৌঁছে দিতে হবে : ডিএসসিসি প্রশাসক

ই-হেলথ কার্ড চালুর সময় জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আপডেট টাইম : ০৫:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

দেশের স্বাস্থ্যসেবাকে আরও সমন্বিত ও কার্যকর করতে জাতীয় ই-হেলথ কার্ড আগামী জুনের মধ্যেই চালু করার আশা প্রকাশ করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, ‘সরকারের অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত উদ্যোগ হিসেবে এ কার্ড বাস্তবায়নের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’

বুধবার (১১ মার্চ) ঢাকায় জাতীয় ই-হেলথ আইডি বাস্তবায়নের প্রস্তুতি পর্যালোচনা বিষয়ক দুই দিনব্যাপী উচ্চপর্যায়ের নীতিনির্ধারণী কর্মশালার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। কর্মশালাটি যৌথভাবে আয়োজন করে অ্যাসপায়ার টু ইনোভেট প্রোগ্রাম (এটুআই), স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ এবং এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি)।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ই-হেলথ কার্ড চালু হলে দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হবে। একজন রোগী গ্রাম বা শহর, যেখানেই চিকিৎসা নিন না কেন, চিকিৎসকেরা এই কার্ডের মাধ্যমে রোগীর প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যতথ্য সহজেই দেখতে পারবেন। এতে রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা দেওয়া আরও কার্যকর হবে।

তিনি আরও বলেন, ‘ই-হেলথ আইডি স্বাস্থ্যখাতে একটি মৌলিক পরিচয় কাঠামো হিসেবে কাজ করবে। এর মাধ্যমে একজন রোগীকে সঠিকভাবে শনাক্ত করা সম্ভব হবে এবং হাসপাতাল, ক্লিনিক ও অন্যান্য স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে চিকিৎসাসংক্রান্ত তথ্য নিরাপদভাবে বিনিময় করা যাবে।’

মন্ত্রী জানান, ‘সরকারের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ ফ্যামিলি কার্ড, ই-হেলথ কার্ড ও ফারমারস কার্ডের মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড ইতিমধ্যে চালু হয়েছে। বাকি দুই উদ্যোগের কাজও এগিয়ে চলছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, জুনের শেষ নাগাদ ই-হেলথ কার্ড চালু করা সম্ভব হবে।’

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত। সভায় সভাপতিত্ব করেন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী।

কর্মশালায় হেলথ আইডি, ইলেকট্রনিক মেডিকেল রেকর্ড (ইএমআর) এবং শেয়ারেবল হেলথ রেকর্ড (এসএইচআর) বাস্তবায়নের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা, অবকাঠামো এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। বিশেষজ্ঞরা জানান, এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে রোগীর তথ্য ব্যবস্থাপনা সহজ হবে এবং দেশের স্বাস্থ্যসেবায় ডিজিটাল রূপান্তর আরও এগিয়ে যাবে।