ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জনগণের দোরগোড়ায় দ্রুত সেবা পৌঁছে দিতে হবে : ডিএসসিসি প্রশাসক বগুড়াকে আধুনিক শিক্ষা নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে চান প্রধানমন্ত্রী: শিক্ষামন্ত্রী আগামী বৈশাখ থেকে প্রতি জেলায় হবে গ্রামীণ খেলাধুলা : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জুন মাসের মধ্যে হেলথ কার্ড দেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিরোধী দলের ওপর স্বৈরাচারের ভূত আছর করেছে : প্রধানমন্ত্রী মাদক নির্মূলে শিগগিরই শুরু হবে বিশেষ অভিযান : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৈশাখী সাজে শোবিজ তারকারা জুলাই সনদের প্রত্যেকটি অক্ষর বিএনপি বাস্তবায়ন করবে: প্রধানমন্ত্রী হারিয়ে যাচ্ছে বাঙালির ঐতিহ্যবাহী ‘লাল কাপড়ের মোড়ানো খাতা’ কৃষি ও কৃষকই অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি: তথ্যমন্ত্রী

বাবার পথে হাঁটছেন তারেক রহমান

প্রায় ৫ দশক আগে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিজ হাতে কোদাল দিয়ে মাটি কেটেছেন, হেঁটেছেন খাল খনন কর্মসূচিতে আসা শত শত নানা বয়সী মানুষজনকে নিয়ে।সেই ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতা আজ সোমবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও অনুসরণ করেছেন। এমনটাই বলেছেন দিনাজপুরের বলরামপুর গ্রামের বাসিন্দা ৭৪ বছর বয়সী বৃদ্ধা কুলসুম বেগম।

তিনি বলেন, ‘আমাদের বোনের ছেলে তারেক রহমান। খালেদা জিয়া আমাদের বোন। তার ছেলে তারেক রহমান। এখন বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রী। বাবার মতোই ছেলে খাল কাটছে। শহীদ জিয়া মানুষজনকে নিয়ে স্বেচ্ছাশ্রমে খাল কাটার কর্মসূচিতে যোগ দিতেন।’

কুলসুম বেগম বলেন, ‘বলরামপুরের সাহাপাড়া খাল। এই খালটি দেখলে মনে হয় এটা খাল নয়, এবড়ো-খেবড়োভাবে উচুঁ নিচু মাটির স্তুপ,খালটিতে পানি শুকিয়ে গেছে।বর্ষা এলেই এই খালের পানি প্রবাহ সেইভাবে দেখা যায় না। ফলে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়।’

গৃহবধূ শিউলী খাতুন বলেন, ‘হামরা ভালো নাই। সাহাপাড়া খাল হামাগো দুঃখ। তারেক রহমান এসেছেন, এবারের খালটি পুনঃখননে হয়ত হামাগো দুঃখ ঘুচবে।’

দিনাজপুরের পশ্চিমে বলরাপুরের রামচন্দ্রপুর ইউনিয়ন। ১২ কিলোমিটারের লম্বা সাহাপাড়া খালটি মিশেছে জেলার প্রধান নদী পুনর্ভবা নদীর সঙ্গে। ভারতের পশ্চিমবঙ্গ থেকে আসা এই নদীর জলস্রোত ঠাকুরগাঁও হয়ে দিনাজপুরে প্রবেশ করেছে যা পঞ্চগড়ের মহানন্দা নদীতে গিয়ে মিশেছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কাহারোল এলাকায় এসেছেন বলে এই এলাকা মানুষজনের মধ্যে উচ্ছ্বাস ছেয়ে গেছে। সরু রাস্তা দিয়ে বলরামপুরের দূরত্ব ১২/১৩ কিলোমিটার। শিশু-কিশোর থেকে গ্রাম্য গৃহবধূরা ঘর থেকে বেরিয়ে এসে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়েছে প্রধানমন্ত্রীকে দেখেতে কাছ থেকে। অনেকে হাত নেড়ে জানিয়েছে শুভেচ্ছা।

মাধ্যমিক স্কুলের শিক্ষার্থী আল আমিন বলেন,‘সাহাপাড়া খালটি পূনঃখনন সম্পন্ন হলে এখানে আর জলাবদ্ধতা থাকবে না। এই খালে পানি জমানো গেলে মাছ চাষ করা যাবে, খালের দুই পাড়ে বৃক্ষরোপণ করা গেলে সুবজ বনায়ন হবে।’

খাল খনন করতে আসা অনিত বলেন, ‘আমাদের আজকে খুশি দিন। লিডার আসছে, আমাদের হৃদয়ের খুশির কথা ভাষা প্রকাশ করতে পারছি না।’

‘দেখেন আমরা কতজন? এটাই আমাদের খুশি, এটাই আমাদের অহংকার। বিনাশ্রমে আমরা আজকে খাল কাটবো’, যোগ করেন অনিত

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জনগণের দোরগোড়ায় দ্রুত সেবা পৌঁছে দিতে হবে : ডিএসসিসি প্রশাসক

বাবার পথে হাঁটছেন তারেক রহমান

আপডেট টাইম : ০৭:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬

প্রায় ৫ দশক আগে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিজ হাতে কোদাল দিয়ে মাটি কেটেছেন, হেঁটেছেন খাল খনন কর্মসূচিতে আসা শত শত নানা বয়সী মানুষজনকে নিয়ে।সেই ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতা আজ সোমবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও অনুসরণ করেছেন। এমনটাই বলেছেন দিনাজপুরের বলরামপুর গ্রামের বাসিন্দা ৭৪ বছর বয়সী বৃদ্ধা কুলসুম বেগম।

তিনি বলেন, ‘আমাদের বোনের ছেলে তারেক রহমান। খালেদা জিয়া আমাদের বোন। তার ছেলে তারেক রহমান। এখন বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রী। বাবার মতোই ছেলে খাল কাটছে। শহীদ জিয়া মানুষজনকে নিয়ে স্বেচ্ছাশ্রমে খাল কাটার কর্মসূচিতে যোগ দিতেন।’

কুলসুম বেগম বলেন, ‘বলরামপুরের সাহাপাড়া খাল। এই খালটি দেখলে মনে হয় এটা খাল নয়, এবড়ো-খেবড়োভাবে উচুঁ নিচু মাটির স্তুপ,খালটিতে পানি শুকিয়ে গেছে।বর্ষা এলেই এই খালের পানি প্রবাহ সেইভাবে দেখা যায় না। ফলে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়।’

গৃহবধূ শিউলী খাতুন বলেন, ‘হামরা ভালো নাই। সাহাপাড়া খাল হামাগো দুঃখ। তারেক রহমান এসেছেন, এবারের খালটি পুনঃখননে হয়ত হামাগো দুঃখ ঘুচবে।’

দিনাজপুরের পশ্চিমে বলরাপুরের রামচন্দ্রপুর ইউনিয়ন। ১২ কিলোমিটারের লম্বা সাহাপাড়া খালটি মিশেছে জেলার প্রধান নদী পুনর্ভবা নদীর সঙ্গে। ভারতের পশ্চিমবঙ্গ থেকে আসা এই নদীর জলস্রোত ঠাকুরগাঁও হয়ে দিনাজপুরে প্রবেশ করেছে যা পঞ্চগড়ের মহানন্দা নদীতে গিয়ে মিশেছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কাহারোল এলাকায় এসেছেন বলে এই এলাকা মানুষজনের মধ্যে উচ্ছ্বাস ছেয়ে গেছে। সরু রাস্তা দিয়ে বলরামপুরের দূরত্ব ১২/১৩ কিলোমিটার। শিশু-কিশোর থেকে গ্রাম্য গৃহবধূরা ঘর থেকে বেরিয়ে এসে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়েছে প্রধানমন্ত্রীকে দেখেতে কাছ থেকে। অনেকে হাত নেড়ে জানিয়েছে শুভেচ্ছা।

মাধ্যমিক স্কুলের শিক্ষার্থী আল আমিন বলেন,‘সাহাপাড়া খালটি পূনঃখনন সম্পন্ন হলে এখানে আর জলাবদ্ধতা থাকবে না। এই খালে পানি জমানো গেলে মাছ চাষ করা যাবে, খালের দুই পাড়ে বৃক্ষরোপণ করা গেলে সুবজ বনায়ন হবে।’

খাল খনন করতে আসা অনিত বলেন, ‘আমাদের আজকে খুশি দিন। লিডার আসছে, আমাদের হৃদয়ের খুশির কথা ভাষা প্রকাশ করতে পারছি না।’

‘দেখেন আমরা কতজন? এটাই আমাদের খুশি, এটাই আমাদের অহংকার। বিনাশ্রমে আমরা আজকে খাল কাটবো’, যোগ করেন অনিত