ঢাকা , সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এক কমলাগাছ থেকে ফারুকের কৃষি সাম্রাজ্য কুমিল্লায় যুবদল নেতা হত্যা মামলায় দুই ভাইয়ের ৭ দিনের রিমান্ড মসলিনের টেকসই উৎপাদন ও বাণিজ্যিক সম্প্রসারণে সর্বোচ্চ সহযোগিতা দেওয়া হবে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন মানবতার এক অসাধারণ দৃষ্টান্ত : জুবাইদা রহমান বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক যে সম্প্রীতি রয়েছে, তা বিশ্বের আর কোথাও নেই: রাষ্ট্রপতি ফোনের র‍্যাম বাড়াতে যা করবেন নতুন পে-স্কেলে কত টাকা বকেয়া পাবেন, হিসাব করবেন যেভাবে ‘বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন অধ্যাদেশ’ খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন সচিব পদে বড় রদবদল, পদোন্নতি, সংযুক্তি বাংলাদেশের ফুটবলকে পরের ধাপে নিতে বিনিয়োগের পরিকল্পনা করছে ফিফা

বিশ্বের শীর্ষ ১০ ব্যাংকের তালিকা প্রকাশ: প্রথম চারটাই চীনের

বৈশ্বিক ব্যাংকিং খাতের সম্পদ ও আর্থিক সক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে বিশ্বের শীর্ষ ১০টি ব্যাংকের নতুন তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এসঅ্যান্ডপি গ্লোবাল মার্কেট ইন্টেলিজেন্সের সর্বশেষ তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি এই তালিকায় এশিয়ার অর্থনৈতিক পরাশক্তি চীনের ব্যাংকগুলো তাদের একক আধিপত্য বজায় রেখেছে। তালিকার প্রথম চারটি স্থানই দখল করে নিয়েছে চীনা ব্যাংকসমূহ।

আজ প্রকাশিত এসঅ্যান্ডপি গ্লোবাল মার্কেট ইন্টেলিজেন্সের সমীক্ষায় দেখা গেছে, মোট সম্পদের দিক থেকে বিশ্বের বৃহত্তম ব্যাংক হিসেবে টানা ১৩তম বছরের মতো নিজের অবস্থান ধরে রেখেছে চীনের ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যান্ড কমার্শিয়াল ব্যাংক অব চায়না (আইসিবিসি)। ব্যাংকটির মোট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৭.৬৫ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারে।

তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে অ্যাগ্রিকালচারাল ব্যাংক অব চায়না (সম্পদ ৬.৯৭ ট্রিলিয়ন ডলার)। তৃতীয় স্থানে চায়না কনস্ট্রাকশন ব্যাংক কর্পোরেশন (সম্পদ ৬.৫২ ট্রিলিয়ন ডলার) এবং চতুর্থ স্থানে রয়েছে ব্যাংক অব চায়না (সম্পদ ৫.৪৮ ট্রিলিয়ন ডলার)। শীর্ষ ১০ ব্যাংকের মধ্যে মোট পাঁচটি ব্যাংকই চীনের।

অন্যদিকে, চীনের বাইরে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ব্যাংক হিসেবে তালিকায় পঞ্চম স্থানে অবস্থান করছে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াল স্ট্রিটের জায়ান্ট জেপি মরগান চেজ অ্যান্ড কোং। ব্যাংকটির মোট সম্পদের পরিমাণ ৪.৪৩ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার। তবে মোট সম্পদের দিক থেকে পঞ্চম হলেও শেয়ারবাজারের মূলধন বা মার্কেট ক্যাপিটালাইজেশনের দিক থেকে জেপি মরগান বিশ্বের সবচেয়ে মূল্যবান ব্যাংক হিসেবে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে।

প্রকাশিত তালিকায় শীর্ষ ১০-এ স্থান পাওয়া ব্যাংক ও তাদের মোট সম্পদ
১. ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যান্ড কমার্শিয়াল ব্যাংক অব চায়না (আইসিবিসি), চীন — সম্পদ: ৭.৬৫ ট্রিলিয়ন ডলার
২. অ্যাগ্রিকালচারাল ব্যাংক অব চায়না, চীন – সম্পদ: ৬.৯৭ ট্রিলিয়ন ডলার
৩. চায়না কনস্ট্রাকশন ব্যাংক কর্পোরেশন, চীন – সম্পদ: ৬.৫২ ট্রিলিয়ন ডলার
৪. ব্যাংক অব চায়না, চীন – সম্পদ: ৫.৪৮ ট্রিলিয়ন ডলার
৫. জেপি মরগান চেজ অ্যান্ড কোং, যুক্তরাষ্ট্র – সম্পদ: ৪.৪৩ ট্রিলিয়ন ডলার
৬. ব্যাংক অব আমেরিকা, যুক্তরাষ্ট্র – সম্পদ: ৩.৪১ ট্রিলিয়ন ডলার
৭. বিএনপি পরিবা, ফ্রান্স – সম্পদ: ৩.২৮ ট্রিলিয়ন ডলার
৮. এইচএসবিসি হোল্ডিংস (এইসএসবিসি), যুক্তরাজ্য – সম্পদ: ৩.২১ ট্রিলিয়ন ডলার
৯. ক্রেডিট অ্যাগ্রিকোল, ফ্রান্স – সম্পদ: ৩.১৪ ট্রিলিয়ন ডলার
১০. পোস্টাল সেভিংস ব্যাংক অব চায়না, চীন – সম্পদ: ২.৬৭ ট্রিলিয়ন ডলার

ইউরোপীয় ব্যাংকিং খাতের মধ্যে বড় ধরনের রদবদল লক্ষ্য করা গেছে। যুক্তরাজ্যের ঐতিহ্যবাহী এইচএসবিসি-কে পেছনে ফেলে ইউরোপের বৃহত্তম ব্যাংক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে ফ্রান্সের বিএনপি পরিবা।

অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিপুল অভ্যন্তরীণ সঞ্চয়, অবকাঠামো খাতে বিশাল সরকারি বিনিয়োগ এবং দেশের বন্ড ইস্যুর ওপর ভর করে চীনা ব্যাংকগুলো তাদের সম্পদের আকার দিন দিন আরও বাড়িয়ে চলেছে। বিপরীতে উচ্চ মুনাফা, ক্যাপিটাল মার্কেট ও সম্পদ ব্যবস্থাপনার (ওয়েলথ ম্যানেজমেন্ট) মাধ্যমে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে নিজেদের শক্তিশালী প্রভাব বজায় রেখেছে মার্কিন ও ইউরোপীয় ব্যাংকগুলো।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

এক কমলাগাছ থেকে ফারুকের কৃষি সাম্রাজ্য

বিশ্বের শীর্ষ ১০ ব্যাংকের তালিকা প্রকাশ: প্রথম চারটাই চীনের

আপডেট টাইম : ৪৭ মিনিট আগে

বৈশ্বিক ব্যাংকিং খাতের সম্পদ ও আর্থিক সক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে বিশ্বের শীর্ষ ১০টি ব্যাংকের নতুন তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এসঅ্যান্ডপি গ্লোবাল মার্কেট ইন্টেলিজেন্সের সর্বশেষ তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি এই তালিকায় এশিয়ার অর্থনৈতিক পরাশক্তি চীনের ব্যাংকগুলো তাদের একক আধিপত্য বজায় রেখেছে। তালিকার প্রথম চারটি স্থানই দখল করে নিয়েছে চীনা ব্যাংকসমূহ।

আজ প্রকাশিত এসঅ্যান্ডপি গ্লোবাল মার্কেট ইন্টেলিজেন্সের সমীক্ষায় দেখা গেছে, মোট সম্পদের দিক থেকে বিশ্বের বৃহত্তম ব্যাংক হিসেবে টানা ১৩তম বছরের মতো নিজের অবস্থান ধরে রেখেছে চীনের ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যান্ড কমার্শিয়াল ব্যাংক অব চায়না (আইসিবিসি)। ব্যাংকটির মোট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৭.৬৫ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারে।

তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে অ্যাগ্রিকালচারাল ব্যাংক অব চায়না (সম্পদ ৬.৯৭ ট্রিলিয়ন ডলার)। তৃতীয় স্থানে চায়না কনস্ট্রাকশন ব্যাংক কর্পোরেশন (সম্পদ ৬.৫২ ট্রিলিয়ন ডলার) এবং চতুর্থ স্থানে রয়েছে ব্যাংক অব চায়না (সম্পদ ৫.৪৮ ট্রিলিয়ন ডলার)। শীর্ষ ১০ ব্যাংকের মধ্যে মোট পাঁচটি ব্যাংকই চীনের।

অন্যদিকে, চীনের বাইরে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ব্যাংক হিসেবে তালিকায় পঞ্চম স্থানে অবস্থান করছে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াল স্ট্রিটের জায়ান্ট জেপি মরগান চেজ অ্যান্ড কোং। ব্যাংকটির মোট সম্পদের পরিমাণ ৪.৪৩ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার। তবে মোট সম্পদের দিক থেকে পঞ্চম হলেও শেয়ারবাজারের মূলধন বা মার্কেট ক্যাপিটালাইজেশনের দিক থেকে জেপি মরগান বিশ্বের সবচেয়ে মূল্যবান ব্যাংক হিসেবে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে।

প্রকাশিত তালিকায় শীর্ষ ১০-এ স্থান পাওয়া ব্যাংক ও তাদের মোট সম্পদ
১. ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যান্ড কমার্শিয়াল ব্যাংক অব চায়না (আইসিবিসি), চীন — সম্পদ: ৭.৬৫ ট্রিলিয়ন ডলার
২. অ্যাগ্রিকালচারাল ব্যাংক অব চায়না, চীন – সম্পদ: ৬.৯৭ ট্রিলিয়ন ডলার
৩. চায়না কনস্ট্রাকশন ব্যাংক কর্পোরেশন, চীন – সম্পদ: ৬.৫২ ট্রিলিয়ন ডলার
৪. ব্যাংক অব চায়না, চীন – সম্পদ: ৫.৪৮ ট্রিলিয়ন ডলার
৫. জেপি মরগান চেজ অ্যান্ড কোং, যুক্তরাষ্ট্র – সম্পদ: ৪.৪৩ ট্রিলিয়ন ডলার
৬. ব্যাংক অব আমেরিকা, যুক্তরাষ্ট্র – সম্পদ: ৩.৪১ ট্রিলিয়ন ডলার
৭. বিএনপি পরিবা, ফ্রান্স – সম্পদ: ৩.২৮ ট্রিলিয়ন ডলার
৮. এইচএসবিসি হোল্ডিংস (এইসএসবিসি), যুক্তরাজ্য – সম্পদ: ৩.২১ ট্রিলিয়ন ডলার
৯. ক্রেডিট অ্যাগ্রিকোল, ফ্রান্স – সম্পদ: ৩.১৪ ট্রিলিয়ন ডলার
১০. পোস্টাল সেভিংস ব্যাংক অব চায়না, চীন – সম্পদ: ২.৬৭ ট্রিলিয়ন ডলার

ইউরোপীয় ব্যাংকিং খাতের মধ্যে বড় ধরনের রদবদল লক্ষ্য করা গেছে। যুক্তরাজ্যের ঐতিহ্যবাহী এইচএসবিসি-কে পেছনে ফেলে ইউরোপের বৃহত্তম ব্যাংক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে ফ্রান্সের বিএনপি পরিবা।

অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিপুল অভ্যন্তরীণ সঞ্চয়, অবকাঠামো খাতে বিশাল সরকারি বিনিয়োগ এবং দেশের বন্ড ইস্যুর ওপর ভর করে চীনা ব্যাংকগুলো তাদের সম্পদের আকার দিন দিন আরও বাড়িয়ে চলেছে। বিপরীতে উচ্চ মুনাফা, ক্যাপিটাল মার্কেট ও সম্পদ ব্যবস্থাপনার (ওয়েলথ ম্যানেজমেন্ট) মাধ্যমে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে নিজেদের শক্তিশালী প্রভাব বজায় রেখেছে মার্কিন ও ইউরোপীয় ব্যাংকগুলো।