ঢাকা , বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থেকে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অটুট রাখতে হবে সংখ্যালঘু কিংবা সংখ্যাগরিষ্ঠ নয়, আমরা সবাই বাংলাদেশি : প্রধানমন্ত্রী জানাল জেদ্দা কনস্যুলেট পৃথক অভিযোগে সৌদির কারাগারে ছিলেন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত নজরুল-সুইটি হাজারো ডিসেম্বর আসবে, কিন্তু শেখ হাসিনা আসবে না ৩৮ হাজার আখচাষিকে প্রণোদনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী ধর্মের ভিত্তিতে কোনো বৈষম্য নয়, সবার পরিচয় বাংলাদেশি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নভেম্বর থেকে ঢাকায় নতুন নিয়ম, এক রুটে চলবে এক কোম্পানির বাস ইয়েমেনে হুথিদের হামলায় নিহত ৭৩ বেগম খালেদা জিয়া আইএইচএফ নেশন্স ট্রফির ফাইনালে বাংলাদেশ ও ভারত টাইগারকে লক্ষ্য করে গুলি, মুম্বাইয়ের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন মিকা সিং

ইশরাকের পদত্যাগ নিয়ে যা বললেন ড. এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী

সাবেক মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের সাম্প্রতিক পদত্যাগ ও পিস্তল হাতে অভিযান চালানোর ঘটনা নিয়ে নিজের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন ইসলামি বক্তা, গবেষক এবং জৈনপুরী দরবার শরীফের পীর মুফতি ড. এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী ।

তিনি আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, আমার খুব দুঃখ লাগছে ইশরাকের বিষয়টা। অসংখ্য দুর্নীতিবাজের ভিড়ে কিছু ভালো মানুষও আছে। কিন্তু ভালো মানুষ ভালো কাজ করতে গেলে আর পথ থাকে না।

তিনি আরও বলেন, সে মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে, অবশ্যই এটা ঠিক। পিস্তল উঁচিয়ে করাটা তার পদ্ধতি খারাপ ছিল, তবে উদ্দেশ্য মহৎ ছিল। উদ্দেশ্য ঠিক ছিল, কিন্তু পদ্ধতি খারাপ ছিল। তবে গভর্মেন্ট এই দায়টা নিতে চায় নাই।

সংবাদমাধ্যমের ভূ ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশের সাংবাদিকগুলো সবচেয়ে খারাপ। একটা যুবক প্রতিমন্ত্রীর পদে থেকে তার বাহিনী নিয়ে মাদক সিন্ডিকেটের চেনকে ভেঙ্গে ফেলার চেষ্টা করেছে, কিন্তু সাংবাদিকরা এই ইতিবাচক সংবাদটা প্রচার করে নাই। তারা প্রচার করেছে সে পিস্তল নিয়ে দৌড়িয়েছে।

তিনি আরও যোগ করেন, এই সাংবাদিকগুলো হচ্ছে সাংঘাতিক, এরা হলুদ সাংবাদিকতা করে। এরা বিদেশী ইন্টেলিজেন্ট ব্রাঞ্চ কর্তৃক পয়সায় চলে, বাংলাদেশ ভালো হোক এটা তারা চায় না। এইসব হলুদ সাংবাদিকতা যারা করে, তাদেরকে জাতিকে লাল কার্ড দেখাতে হবে।

সাংবাদিকদের ভূমিকা ইতিবাচক হতে পারতো উল্লেখ করে আব্বাসী মন্তব্য করেন, সাংবাদিকরা যদি ইতিবাচক প্রচার করত, তাহলে সরকার কোনদিনও বেকায়দায় পড়তো না। সরকারকে তো আবার বিদেশের কাছে জবাবদিহি করতে হয়। সাংবাদিকরা পারতো ইতিবাচক দিকটা প্রচার করতে। কিন্তু একটা ছেলে ভালো কাজ করল, অথচ পথ হারায়ে ফেলল

মাদক সমস্যা সমাধানে পুলিশের সীমাবদ্ধতা ও জনগণের সম্পৃক্ততার ওপর জোর দিয়ে ড. আব্বাসী বলেন, এখন মাদকের বিরুদ্ধে কেউ নামবে? ১৮ কোটি মানুষ, ঘরে ঘরে মাদকসেবী। পুলিশ আছে এক-দেড় লাখ, সব দায় পুলিশের ওপর দিলে তো হবে না। পুলিশের পক্ষে এই ঘনবসতিপূর্ণ বাংলাদেশকে রক্ষা করা সম্ভব না, জনগণকেই তো এগিয়ে আসতে হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থেকে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অটুট রাখতে হবে

ইশরাকের পদত্যাগ নিয়ে যা বললেন ড. এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী

আপডেট টাইম : ১১ ঘন্টা আগে

সাবেক মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের সাম্প্রতিক পদত্যাগ ও পিস্তল হাতে অভিযান চালানোর ঘটনা নিয়ে নিজের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন ইসলামি বক্তা, গবেষক এবং জৈনপুরী দরবার শরীফের পীর মুফতি ড. এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী ।

তিনি আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, আমার খুব দুঃখ লাগছে ইশরাকের বিষয়টা। অসংখ্য দুর্নীতিবাজের ভিড়ে কিছু ভালো মানুষও আছে। কিন্তু ভালো মানুষ ভালো কাজ করতে গেলে আর পথ থাকে না।

তিনি আরও বলেন, সে মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে, অবশ্যই এটা ঠিক। পিস্তল উঁচিয়ে করাটা তার পদ্ধতি খারাপ ছিল, তবে উদ্দেশ্য মহৎ ছিল। উদ্দেশ্য ঠিক ছিল, কিন্তু পদ্ধতি খারাপ ছিল। তবে গভর্মেন্ট এই দায়টা নিতে চায় নাই।

সংবাদমাধ্যমের ভূ ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশের সাংবাদিকগুলো সবচেয়ে খারাপ। একটা যুবক প্রতিমন্ত্রীর পদে থেকে তার বাহিনী নিয়ে মাদক সিন্ডিকেটের চেনকে ভেঙ্গে ফেলার চেষ্টা করেছে, কিন্তু সাংবাদিকরা এই ইতিবাচক সংবাদটা প্রচার করে নাই। তারা প্রচার করেছে সে পিস্তল নিয়ে দৌড়িয়েছে।

তিনি আরও যোগ করেন, এই সাংবাদিকগুলো হচ্ছে সাংঘাতিক, এরা হলুদ সাংবাদিকতা করে। এরা বিদেশী ইন্টেলিজেন্ট ব্রাঞ্চ কর্তৃক পয়সায় চলে, বাংলাদেশ ভালো হোক এটা তারা চায় না। এইসব হলুদ সাংবাদিকতা যারা করে, তাদেরকে জাতিকে লাল কার্ড দেখাতে হবে।

সাংবাদিকদের ভূমিকা ইতিবাচক হতে পারতো উল্লেখ করে আব্বাসী মন্তব্য করেন, সাংবাদিকরা যদি ইতিবাচক প্রচার করত, তাহলে সরকার কোনদিনও বেকায়দায় পড়তো না। সরকারকে তো আবার বিদেশের কাছে জবাবদিহি করতে হয়। সাংবাদিকরা পারতো ইতিবাচক দিকটা প্রচার করতে। কিন্তু একটা ছেলে ভালো কাজ করল, অথচ পথ হারায়ে ফেলল

মাদক সমস্যা সমাধানে পুলিশের সীমাবদ্ধতা ও জনগণের সম্পৃক্ততার ওপর জোর দিয়ে ড. আব্বাসী বলেন, এখন মাদকের বিরুদ্ধে কেউ নামবে? ১৮ কোটি মানুষ, ঘরে ঘরে মাদকসেবী। পুলিশ আছে এক-দেড় লাখ, সব দায় পুলিশের ওপর দিলে তো হবে না। পুলিশের পক্ষে এই ঘনবসতিপূর্ণ বাংলাদেশকে রক্ষা করা সম্ভব না, জনগণকেই তো এগিয়ে আসতে হবে।