ঢাকা , সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লবণাক্ততা-সহনশীল নতুন ধানের জাত উদ্ভাবন

বাংলাদেশের কৃষি গবেষণায় নতুন সাফল্য এসেছে। বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (ব্রি) উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগের গবেষকেরা উদ্ভাবন করেছেন লবণাক্ততা-সহনশীল উচ্চফলনশীল নতুন ধানের জাত ‘ব্রি ধান১১৯’। রোপা আমন ও বোরো—দুই মৌসুমে চাষের উপযোগী জাতটি উপকূলীয় কৃষিতে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে। গত ২৮ অক্টোবর অনুষ্ঠিত জাতীয় বীজ বোর্ডের ১১৬তম সভায় জাতটি রোপা আমন মৌসুমে চাষের চূড়ান্ত অনুমোদন পেয়েছে। লবণাক্ততাপ্রবণ উপকূলীয় অঞ্চলের পাশাপাশি অলবণাক্ত অনুকূল পরিবেশেও জাতটি চাষ করা যাবে।

ব্রি ধান১১৯ উদ্ভাবনকারী গবেষক দলের নেতৃত্বে ছিলেন ব্রির উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ এখলাছুর রহমান। দলের সহপ্রজননবিদ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন একই বিভাগের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. হাসিনা খাতুন, সিনিয়র প্ল্যান্ট ব্রিডার নুসরাত জাহান, বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা আরমিন আক্তার সেতু এবং বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা (সিআরসিআইএল) রিবেত ফারজানা দিশা। ‘লোকেশন স্পেসিফিক টেকনোলজি ডেভেলপমেন্ট (এলএসটিডি)’ প্রকল্পের অর্থায়নে জাতটি উদ্ভাবিত হয়েছে।

উপযুক্ত পরিচর্যায় ব্রি ধান১১৯-এর গড় ফলন হেক্টরপ্রতি ৫ দশমিক ৭ টন। লবণাক্ততার মাত্রা ও পরিবেশভেদে ফলন পাওয়া যায় ৪ দশমিক ৮ থেকে ৭ দশমিক ৬ টন পর্যন্ত। অনুকূল পরিবেশে ও কম লবণাক্ততায় জাতটি সর্বোচ্চ ফলন দিতে সক্ষম। গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, প্রচলিত ব্রি ধান৭৩-এর তুলনায় এর ফলন হেক্টরপ্রতি প্রায় এক টন বেশি।

জাতটির জীবনকাল প্রায় ১১৫ দিন এবং গাছের গড় উচ্চতা ১১৩ সেন্টিমিটার। কাণ্ড মজবুত হওয়ায় এটি ঢলে পড়া সহনশীল। এর ডিগপাতা ব্রি ধান৭৩-এর তুলনায় বেশি খাড়া। পাশাপাশি শীষ থেকে ধান সহজে ঝরে পড়ে না। প্রতি শীষে গড়ে ২১৫টি পুষ্ট দানা পাওয়া যায়, যা ব্রি ধান৭৩-এর তুলনায় প্রায় ৭০ থেকে ৮০টি বেশি। জাতটিতে উপস্থিত এহ১ধ জিন শীষে দানা বা স্পাইকলেটের সংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে সম্পর্কিত।

ব্রি ধান১১৯-এর চাল মাঝারি চিকন ও সাদা। রান্নার পর ভাত ঝরঝরে হয়। মানপরীক্ষার তথ্য অনুযায়ী, হাজার দানার ওজন ১৬ দশমিক ৮ গ্রাম। দানার দৈর্ঘ্য ৫ দশমিক ৯ মিলিমিটার, প্রস্থ ১ দশমিক ৮ মিলিমিটার এবং দৈর্ঘ্য-প্রস্থের অনুপাত ৩ দশমিক ২। অ্যামাইলোজের পরিমাণ ২৫ দশমিক ৯ শতাংশ। সরু দানার এই চাল দেশের বেশিরভাগ অঞ্চলের মানুষের খাদ্যাভ্যাসের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

জাতটির অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো, গাছের বিভিন্ন বৃদ্ধিপর্যায়ে লবণাক্ততা সহ্য করার ক্ষমতা। গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, চারা অবস্থায় জাতটি তিন সপ্তাহ পর্যন্ত ১২ ডেসিসিমেন্স/মিটার মাত্রার লবণাক্ততা সহ্য করতে পারে। অঙ্গজ বৃদ্ধি থেকে প্রজনন পর্যায় পর্যন্ত লবণাক্ততা-সংবেদনশীল ধাপগুলোতেও ৮ থেকে ১০ ডেসিসিমেন্স/মিটার মাত্রায় ফলন দেওয়ার সক্ষমতা রয়েছে।

কক্সবাজারের মাঠপরীক্ষায় ফসলের বৃদ্ধিকালে লবণাক্ততার ওঠানামার মধ্যেও কৌলিক সারিটির উপযোগিতা মূল্যায়ন করা হয়েছে। পাশাপাশি সাতক্ষীরার লবণাক্ত অঞ্চল ও অলবণাক্ত অনুকূল পরিবেশে পর্যায়ক্রমিক ফলন পরীক্ষা চালানো হয়। দেশের বিভিন্ন এলাকায় কৃষকের অংশগ্রহণেও সারিটির উপযোগিতা মূল্যায়ন করা হয়েছে। তবে লবণাক্ততার মাত্রা, স্থায়িত্ব, গাছের বৃদ্ধিপর্যায় ও পরিচর্যার ওপর ফলন নির্ভর করে।

স্বল্প জীবনকালসম্পন্ন হওয়ায় ব্রি ধান১১৯ উপকূলীয় অঞ্চলের শস্যবিন্যাসে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে। রোপা আমন ধান কাটার পর মধ্যম উঁচু থেকে উঁচু জমিতে সূর্যমুখী ও লবণসহিষ্ণু সরিষা চাষের জন্য পর্যাপ্ত সময় পাওয়া যেতে পারে। ফলে উপযোগী এলাকায় একই জমিতে বছরে অতিরিক্ত একটি ফসল চাষের সুযোগ সৃষ্টি হবে। অন্যদিকে, বোরো ধান কাটার পর জমিতে সবুজ সার হিসেবে ধইঞ্চা চাষেরও সম্ভাবনা রয়েছে। এতে মাটির জৈব পদার্থ ও উর্বরতা বাড়তে পারে।

বোরো মৌসুমেও জাতটির চাষের উপযোগিতা যাচাই করা হয়েছে। বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সির তত্ত্বাবধানে দেশের ২০টি স্থানে লবণাক্ত ও অলবণাক্ত পরিবেশে কৌলিক সারিটির ফলন মূল্যায়ন পরীক্ষা (পিভিটি) সম্পন্ন হয়েছে। পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে বোরো মৌসুমে চাষের জন্য জাতীয় কারিগরি কমিটির সুপারিশ পাওয়া গেছে। জাতীয় বীজ বোর্ডের চূড়ান্ত অনুমোদন পাওয়া গেলে একই জাত আমন ও বোরো—উভয় মৌসুমে চাষ করা যাবে। এতে উপকূলীয় অঞ্চলে ফসলের নিবিড়তা বৃদ্ধি, শস্যবিন্যাসে বৈচিত্র্য আনা এবং কৃষকের আয় বাড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে।

রোপা আমন মৌসুমে ব্রি ধান১১৯ চাষের জন্য ১ থেকে ৩০ জুলাইয়ের মধ্যে বীজ বপনের নির্দেশনা রয়েছে। এরপর ২৫ থেকে ৩০ দিন বয়সী চারা প্রতি গোছায় দুই থেকে তিনটি করে রোপণ করতে হবে। সারি থেকে সারির দূরত্ব ২০ সেন্টিমিটার এবং গোছা থেকে গোছার দূরত্ব ১৫ সেন্টিমিটার রাখতে হবে। মাঝারি উঁচু থেকে উঁচু জমি এ জাতের জন্য উপযুক্ত।

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ব্রি ধান১১৯ আমাদের কৃষিবিজ্ঞানীদের আধুনিক প্রজনন দক্ষতার এক অনন্য নিদর্শন। এটি শুধু লবণাক্ত উপকূলীয় অঞ্চলের কৃষকদের আশার আলোই দেখাবে না, বরং আমাদের খাদ্যনিরাপত্তা জোরদার করতে এবং কৃষকের উৎপাদন ও আয় বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জনপ্রিয় সংবাদ

লবণাক্ততা-সহনশীল নতুন ধানের জাত উদ্ভাবন

আপডেট টাইম : ২৬ মিনিট আগে

বাংলাদেশের কৃষি গবেষণায় নতুন সাফল্য এসেছে। বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (ব্রি) উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগের গবেষকেরা উদ্ভাবন করেছেন লবণাক্ততা-সহনশীল উচ্চফলনশীল নতুন ধানের জাত ‘ব্রি ধান১১৯’। রোপা আমন ও বোরো—দুই মৌসুমে চাষের উপযোগী জাতটি উপকূলীয় কৃষিতে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে। গত ২৮ অক্টোবর অনুষ্ঠিত জাতীয় বীজ বোর্ডের ১১৬তম সভায় জাতটি রোপা আমন মৌসুমে চাষের চূড়ান্ত অনুমোদন পেয়েছে। লবণাক্ততাপ্রবণ উপকূলীয় অঞ্চলের পাশাপাশি অলবণাক্ত অনুকূল পরিবেশেও জাতটি চাষ করা যাবে।

ব্রি ধান১১৯ উদ্ভাবনকারী গবেষক দলের নেতৃত্বে ছিলেন ব্রির উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ এখলাছুর রহমান। দলের সহপ্রজননবিদ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন একই বিভাগের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. হাসিনা খাতুন, সিনিয়র প্ল্যান্ট ব্রিডার নুসরাত জাহান, বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা আরমিন আক্তার সেতু এবং বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা (সিআরসিআইএল) রিবেত ফারজানা দিশা। ‘লোকেশন স্পেসিফিক টেকনোলজি ডেভেলপমেন্ট (এলএসটিডি)’ প্রকল্পের অর্থায়নে জাতটি উদ্ভাবিত হয়েছে।

উপযুক্ত পরিচর্যায় ব্রি ধান১১৯-এর গড় ফলন হেক্টরপ্রতি ৫ দশমিক ৭ টন। লবণাক্ততার মাত্রা ও পরিবেশভেদে ফলন পাওয়া যায় ৪ দশমিক ৮ থেকে ৭ দশমিক ৬ টন পর্যন্ত। অনুকূল পরিবেশে ও কম লবণাক্ততায় জাতটি সর্বোচ্চ ফলন দিতে সক্ষম। গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, প্রচলিত ব্রি ধান৭৩-এর তুলনায় এর ফলন হেক্টরপ্রতি প্রায় এক টন বেশি।

জাতটির জীবনকাল প্রায় ১১৫ দিন এবং গাছের গড় উচ্চতা ১১৩ সেন্টিমিটার। কাণ্ড মজবুত হওয়ায় এটি ঢলে পড়া সহনশীল। এর ডিগপাতা ব্রি ধান৭৩-এর তুলনায় বেশি খাড়া। পাশাপাশি শীষ থেকে ধান সহজে ঝরে পড়ে না। প্রতি শীষে গড়ে ২১৫টি পুষ্ট দানা পাওয়া যায়, যা ব্রি ধান৭৩-এর তুলনায় প্রায় ৭০ থেকে ৮০টি বেশি। জাতটিতে উপস্থিত এহ১ধ জিন শীষে দানা বা স্পাইকলেটের সংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে সম্পর্কিত।

ব্রি ধান১১৯-এর চাল মাঝারি চিকন ও সাদা। রান্নার পর ভাত ঝরঝরে হয়। মানপরীক্ষার তথ্য অনুযায়ী, হাজার দানার ওজন ১৬ দশমিক ৮ গ্রাম। দানার দৈর্ঘ্য ৫ দশমিক ৯ মিলিমিটার, প্রস্থ ১ দশমিক ৮ মিলিমিটার এবং দৈর্ঘ্য-প্রস্থের অনুপাত ৩ দশমিক ২। অ্যামাইলোজের পরিমাণ ২৫ দশমিক ৯ শতাংশ। সরু দানার এই চাল দেশের বেশিরভাগ অঞ্চলের মানুষের খাদ্যাভ্যাসের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

জাতটির অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো, গাছের বিভিন্ন বৃদ্ধিপর্যায়ে লবণাক্ততা সহ্য করার ক্ষমতা। গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, চারা অবস্থায় জাতটি তিন সপ্তাহ পর্যন্ত ১২ ডেসিসিমেন্স/মিটার মাত্রার লবণাক্ততা সহ্য করতে পারে। অঙ্গজ বৃদ্ধি থেকে প্রজনন পর্যায় পর্যন্ত লবণাক্ততা-সংবেদনশীল ধাপগুলোতেও ৮ থেকে ১০ ডেসিসিমেন্স/মিটার মাত্রায় ফলন দেওয়ার সক্ষমতা রয়েছে।

কক্সবাজারের মাঠপরীক্ষায় ফসলের বৃদ্ধিকালে লবণাক্ততার ওঠানামার মধ্যেও কৌলিক সারিটির উপযোগিতা মূল্যায়ন করা হয়েছে। পাশাপাশি সাতক্ষীরার লবণাক্ত অঞ্চল ও অলবণাক্ত অনুকূল পরিবেশে পর্যায়ক্রমিক ফলন পরীক্ষা চালানো হয়। দেশের বিভিন্ন এলাকায় কৃষকের অংশগ্রহণেও সারিটির উপযোগিতা মূল্যায়ন করা হয়েছে। তবে লবণাক্ততার মাত্রা, স্থায়িত্ব, গাছের বৃদ্ধিপর্যায় ও পরিচর্যার ওপর ফলন নির্ভর করে।

স্বল্প জীবনকালসম্পন্ন হওয়ায় ব্রি ধান১১৯ উপকূলীয় অঞ্চলের শস্যবিন্যাসে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে। রোপা আমন ধান কাটার পর মধ্যম উঁচু থেকে উঁচু জমিতে সূর্যমুখী ও লবণসহিষ্ণু সরিষা চাষের জন্য পর্যাপ্ত সময় পাওয়া যেতে পারে। ফলে উপযোগী এলাকায় একই জমিতে বছরে অতিরিক্ত একটি ফসল চাষের সুযোগ সৃষ্টি হবে। অন্যদিকে, বোরো ধান কাটার পর জমিতে সবুজ সার হিসেবে ধইঞ্চা চাষেরও সম্ভাবনা রয়েছে। এতে মাটির জৈব পদার্থ ও উর্বরতা বাড়তে পারে।

বোরো মৌসুমেও জাতটির চাষের উপযোগিতা যাচাই করা হয়েছে। বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সির তত্ত্বাবধানে দেশের ২০টি স্থানে লবণাক্ত ও অলবণাক্ত পরিবেশে কৌলিক সারিটির ফলন মূল্যায়ন পরীক্ষা (পিভিটি) সম্পন্ন হয়েছে। পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে বোরো মৌসুমে চাষের জন্য জাতীয় কারিগরি কমিটির সুপারিশ পাওয়া গেছে। জাতীয় বীজ বোর্ডের চূড়ান্ত অনুমোদন পাওয়া গেলে একই জাত আমন ও বোরো—উভয় মৌসুমে চাষ করা যাবে। এতে উপকূলীয় অঞ্চলে ফসলের নিবিড়তা বৃদ্ধি, শস্যবিন্যাসে বৈচিত্র্য আনা এবং কৃষকের আয় বাড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে।

রোপা আমন মৌসুমে ব্রি ধান১১৯ চাষের জন্য ১ থেকে ৩০ জুলাইয়ের মধ্যে বীজ বপনের নির্দেশনা রয়েছে। এরপর ২৫ থেকে ৩০ দিন বয়সী চারা প্রতি গোছায় দুই থেকে তিনটি করে রোপণ করতে হবে। সারি থেকে সারির দূরত্ব ২০ সেন্টিমিটার এবং গোছা থেকে গোছার দূরত্ব ১৫ সেন্টিমিটার রাখতে হবে। মাঝারি উঁচু থেকে উঁচু জমি এ জাতের জন্য উপযুক্ত।

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ব্রি ধান১১৯ আমাদের কৃষিবিজ্ঞানীদের আধুনিক প্রজনন দক্ষতার এক অনন্য নিদর্শন। এটি শুধু লবণাক্ত উপকূলীয় অঞ্চলের কৃষকদের আশার আলোই দেখাবে না, বরং আমাদের খাদ্যনিরাপত্তা জোরদার করতে এবং কৃষকের উৎপাদন ও আয় বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’