ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জনগণের দোরগোড়ায় দ্রুত সেবা পৌঁছে দিতে হবে : ডিএসসিসি প্রশাসক বগুড়াকে আধুনিক শিক্ষা নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে চান প্রধানমন্ত্রী: শিক্ষামন্ত্রী আগামী বৈশাখ থেকে প্রতি জেলায় হবে গ্রামীণ খেলাধুলা : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জুন মাসের মধ্যে হেলথ কার্ড দেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিরোধী দলের ওপর স্বৈরাচারের ভূত আছর করেছে : প্রধানমন্ত্রী মাদক নির্মূলে শিগগিরই শুরু হবে বিশেষ অভিযান : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৈশাখী সাজে শোবিজ তারকারা জুলাই সনদের প্রত্যেকটি অক্ষর বিএনপি বাস্তবায়ন করবে: প্রধানমন্ত্রী হারিয়ে যাচ্ছে বাঙালির ঐতিহ্যবাহী ‘লাল কাপড়ের মোড়ানো খাতা’ কৃষি ও কৃষকই অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি: তথ্যমন্ত্রী

রিয়াদ ভাই’য়ের সঙ্গে খেলা ও শিখতে পারা সাকিবের জন্য ছিল ‘সৌভাগ্যের

২০১৭ সালের চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সেই ম্যাচটি মনে আছে? বাংলাদেশের ইতিহাসেই হয়তো সেরা ওয়ানডে ম্যাচ। নিউজিল্যান্ডের দেওয়া ২৬৬ রানের জবাব দিতে গিয়ে ৩৩ রানেই শেষ হয়ে যায় বাংলাদেশের টপ অর্ডারের চার উইকেট। সেই অবস্থা থেকে ম্যাচ জয়ের স্বপ্ন কজনই বা দেখেছিলেন? সেই অবিশ্বাস্য কাজটিই করেছিলেন সাকিব আল হাসান ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।

সেখান থেকে ২২৪ রানের ম্যাচজয়ী জুটি গড়েন সাকিব-মাহমুদউল্লাহ। দলকে জয়ের দেড়গোড়ায় রেখে সাকিব ফিরলেও ম্যাচ জিতিয়েই মাঠ ছেড়েছিলেন মাহমুদউল্লাহ। গুরুত্বের দিক দিয়েও বাংলাদেশের ওয়ানডে ইতিহাসে সেটি ছিল গুরুত্ববহ এক ম্যাচ। সেই জয়ের ফলেই সেবারের চ্যাম্পিয়নস ট্রফির সেমিফাইনালে পৌঁছেছিল বাংলাদেশ। আইসিসি টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের একমাত্র সেমিফাইনাল।

ইতিহাস সৃষ্টি করাদের মধ্যে একজন সাকিবের বাংলাদেশ দলে ফের খেলা নিয়ে আছে অনিশ্চয়তা। তবে নিশ্চিত, অপরজনকে দেখা যাবে না আর। টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি থেকে আগেই বিদায় নিয়েছিলেন মাহমুদউল্লাহ। কালকে (বুধবার) বাকি থাকা সংস্করণ থেকেও বিদায় নিলেন। অর্থাৎ, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটেই আর দেখা যাবে না ‘সাইলেন্ট কিলার’ হিসেবে পরিচিত এই তারকাকে।

মাহমুদউল্লাহর বিদায়ে তার প্রতি কৃতজ্ঞতা স্বীকার করলেন বাংলাদেশের এযাবতকালের সেরা ক্রিকেটার সাকিব আল হাসানও। বুধবার মধ্যরাতে দেওয়া ফেসবুক পোস্টে সাকিব লেখেন, ‘রিয়াদ ভাই, আপনার পাশে খেলা এবং আপনার কাছ থেকে শেখা আমার জন্য সৌভাগ্যের। আপনি মাঠে এবং মাঠের বাইরে উভয় ক্ষেত্রেই উদাহরণ স্থাপন করেছেন এবং আপনার রেকর্ডই (আপনার হয়ে) কথা বলে। খেলার প্রতি আপনার নিষ্ঠা, স্থিতিস্থাপকতা এবং ভালোবাসার জন্য জাতি আপনার কাছে ঋণী।’

স্ট্যাটাসের শেষে মাহমুদউল্লাহর নতুন যাত্রায় শুভকামনাও জানান সাকিব, ‘আল্লাহ আপনাকে এবং আপনার পরিবারকে আশীর্বাদ করুন এবং আপনার নতুন যাত্রায় আপনাকে (সঠিক পথ দেখান)।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জনগণের দোরগোড়ায় দ্রুত সেবা পৌঁছে দিতে হবে : ডিএসসিসি প্রশাসক

রিয়াদ ভাই’য়ের সঙ্গে খেলা ও শিখতে পারা সাকিবের জন্য ছিল ‘সৌভাগ্যের

আপডেট টাইম : ০৪:৩০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ মার্চ ২০২৫

২০১৭ সালের চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সেই ম্যাচটি মনে আছে? বাংলাদেশের ইতিহাসেই হয়তো সেরা ওয়ানডে ম্যাচ। নিউজিল্যান্ডের দেওয়া ২৬৬ রানের জবাব দিতে গিয়ে ৩৩ রানেই শেষ হয়ে যায় বাংলাদেশের টপ অর্ডারের চার উইকেট। সেই অবস্থা থেকে ম্যাচ জয়ের স্বপ্ন কজনই বা দেখেছিলেন? সেই অবিশ্বাস্য কাজটিই করেছিলেন সাকিব আল হাসান ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।

সেখান থেকে ২২৪ রানের ম্যাচজয়ী জুটি গড়েন সাকিব-মাহমুদউল্লাহ। দলকে জয়ের দেড়গোড়ায় রেখে সাকিব ফিরলেও ম্যাচ জিতিয়েই মাঠ ছেড়েছিলেন মাহমুদউল্লাহ। গুরুত্বের দিক দিয়েও বাংলাদেশের ওয়ানডে ইতিহাসে সেটি ছিল গুরুত্ববহ এক ম্যাচ। সেই জয়ের ফলেই সেবারের চ্যাম্পিয়নস ট্রফির সেমিফাইনালে পৌঁছেছিল বাংলাদেশ। আইসিসি টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের একমাত্র সেমিফাইনাল।

ইতিহাস সৃষ্টি করাদের মধ্যে একজন সাকিবের বাংলাদেশ দলে ফের খেলা নিয়ে আছে অনিশ্চয়তা। তবে নিশ্চিত, অপরজনকে দেখা যাবে না আর। টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি থেকে আগেই বিদায় নিয়েছিলেন মাহমুদউল্লাহ। কালকে (বুধবার) বাকি থাকা সংস্করণ থেকেও বিদায় নিলেন। অর্থাৎ, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটেই আর দেখা যাবে না ‘সাইলেন্ট কিলার’ হিসেবে পরিচিত এই তারকাকে।

মাহমুদউল্লাহর বিদায়ে তার প্রতি কৃতজ্ঞতা স্বীকার করলেন বাংলাদেশের এযাবতকালের সেরা ক্রিকেটার সাকিব আল হাসানও। বুধবার মধ্যরাতে দেওয়া ফেসবুক পোস্টে সাকিব লেখেন, ‘রিয়াদ ভাই, আপনার পাশে খেলা এবং আপনার কাছ থেকে শেখা আমার জন্য সৌভাগ্যের। আপনি মাঠে এবং মাঠের বাইরে উভয় ক্ষেত্রেই উদাহরণ স্থাপন করেছেন এবং আপনার রেকর্ডই (আপনার হয়ে) কথা বলে। খেলার প্রতি আপনার নিষ্ঠা, স্থিতিস্থাপকতা এবং ভালোবাসার জন্য জাতি আপনার কাছে ঋণী।’

স্ট্যাটাসের শেষে মাহমুদউল্লাহর নতুন যাত্রায় শুভকামনাও জানান সাকিব, ‘আল্লাহ আপনাকে এবং আপনার পরিবারকে আশীর্বাদ করুন এবং আপনার নতুন যাত্রায় আপনাকে (সঠিক পথ দেখান)।’