ঢাকা , বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অস্তিত্বসংকটে বুড়িগঙ্গা ২০২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রবাস থেকে যত প্রতিরোধ মেঘনার এক ইলিশ বিক্রি হলো ১০ হাজার টাকায় মাওলানা মাহমুদ মাদানী ইসরাইলে অস্ত্র সরবরাহ মানবতা ও ভারতের নৈতিক মর্যাদার জন্য কলঙ্ক অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে ৫ আগস্ট সংবাদপত্রে ছুটি বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষার সমন্বয়ে কাজ করবে আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট : সেনাপ্রধান শেখ হাসিনা যেন ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারে: দিনেশ ত্রিবেদীকে হুমায়ুন কবির বন্যাদুর্গতদের খোঁজ নিতে রোববার চট্টগ্রামে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

শরীর সুস্থ ও রোগমুক্ত রাখবে যে খাবার

বাঙালী কণ্ঠ ডেস্কঃ ডিম স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। প্রোটিনসমৃদ্ধ ডিম শরীরে শক্তি বৃদ্ধি করে ও অনেকক্ষণ পেট ভরা রাখে, তাই ওজনও কমে।

চিকিৎসকরা বলে থাকেন– ছোট থেকে বড় সবাই যেন প্রতিদিন একটি করে ডিম খায়। আর ডিম পছন্দ করেন না এমন মানুষ খুব কমই আছে।

তবে আমরা অনেকেই জানি না যে, ডিম আমিষ নাকি নিরামিষ? আর এ বিষয় নিয়ে দ্বন্দ্ব রয়েছে। অনেকে নিরামিষাশী হওয়া সত্ত্বেও ডিম খান। আবার অনেকে বলেন, ডিম আমিষ, তাই নিরামিষ খাওয়ার দিনে ডিম খাওয়া যায় না।

এই সমস্যা সমাধানের উত্তর দিলেন বিজ্ঞানীরা। বিজ্ঞানীরা বলছেন, ডিমের ৩টি অংশ থাকে। ডিমের খোসা, কুসুম ও সাদা অংশ। কুসুমে আছে প্রোটিন আর কোলেস্টেরল। আর ডিমের সাদা অংশে রয়েছে শুধু প্রোটিন। ডিমে ভ্রূণ (এমব্রায়ো) থাকে না।

তারা আরও জানান, মুরগি থেকে ডিম আসে। তাই এটি কোনোভাবে মনে করা উচিত নয় যে, ডিম খাওয়া মানেই কোনো প্রাণী খাওয়া হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ডিম আসলে নিরামিষ। কারণ ডিমে ভ্রূণ (এমব্রায়ো) থাকে না। এতে কোনো মাংস বা জীবন নেই। তাই ডিম আসলে নিরামিষ। তবে পুষ্টিবিদদের মতে, আমিষ বা নিরামিষ এই তর্ক বাদ দিয়ে

নিয়মিত একটি করে ডিম খান, যা শরীর সুস্থ ও রোগমুক্ত রাখবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

অস্তিত্বসংকটে বুড়িগঙ্গা

শরীর সুস্থ ও রোগমুক্ত রাখবে যে খাবার

আপডেট টাইম : ০৫:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২০

বাঙালী কণ্ঠ ডেস্কঃ ডিম স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। প্রোটিনসমৃদ্ধ ডিম শরীরে শক্তি বৃদ্ধি করে ও অনেকক্ষণ পেট ভরা রাখে, তাই ওজনও কমে।

চিকিৎসকরা বলে থাকেন– ছোট থেকে বড় সবাই যেন প্রতিদিন একটি করে ডিম খায়। আর ডিম পছন্দ করেন না এমন মানুষ খুব কমই আছে।

তবে আমরা অনেকেই জানি না যে, ডিম আমিষ নাকি নিরামিষ? আর এ বিষয় নিয়ে দ্বন্দ্ব রয়েছে। অনেকে নিরামিষাশী হওয়া সত্ত্বেও ডিম খান। আবার অনেকে বলেন, ডিম আমিষ, তাই নিরামিষ খাওয়ার দিনে ডিম খাওয়া যায় না।

এই সমস্যা সমাধানের উত্তর দিলেন বিজ্ঞানীরা। বিজ্ঞানীরা বলছেন, ডিমের ৩টি অংশ থাকে। ডিমের খোসা, কুসুম ও সাদা অংশ। কুসুমে আছে প্রোটিন আর কোলেস্টেরল। আর ডিমের সাদা অংশে রয়েছে শুধু প্রোটিন। ডিমে ভ্রূণ (এমব্রায়ো) থাকে না।

তারা আরও জানান, মুরগি থেকে ডিম আসে। তাই এটি কোনোভাবে মনে করা উচিত নয় যে, ডিম খাওয়া মানেই কোনো প্রাণী খাওয়া হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ডিম আসলে নিরামিষ। কারণ ডিমে ভ্রূণ (এমব্রায়ো) থাকে না। এতে কোনো মাংস বা জীবন নেই। তাই ডিম আসলে নিরামিষ। তবে পুষ্টিবিদদের মতে, আমিষ বা নিরামিষ এই তর্ক বাদ দিয়ে

নিয়মিত একটি করে ডিম খান, যা শরীর সুস্থ ও রোগমুক্ত রাখবে।