ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতীয় ঐক্যের ডাক দিলেন প্রধানমন্ত্রী শেষ হলো জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন তায়েফের বুকে যে মসজিদ মুসলিমদের জন্য এক টুকরো সান্ত্বনা পে স্কেলে বদলাচ্ছে ইনক্রিমেন্ট নীতি, কোন গ্রেডে কত শিগগিরই ১০ হাজার পুলিশ নিয়োগ অন্তরঙ্গ ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার ভয়ে জোবায়েদকে হত্যা, তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র বাংলাদেশি সমর্থকদের স্কালোনির ধন্যবাদ দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তারেক রহমান ‘মত পার্থক্য থাকতে পারে, ঐক্য যেন নষ্ট না হয়’ শেখ হাসিনার আত্মসমর্পণের কোনো সুযোগ নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৃষিতে ডিজিটাল অবকাঠামো উন্নয়নে আইফার্মারের সাথে কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর

রেলমন্ত্রী হলেন জিল্লুল হাকিম

নতুন সরকারের রেলপথ মন্ত্রী হয়েছেন আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য জিল্লুল হাকিম। তিনি রাজবাড়ী-২ আসন থেকে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন। এর আগে এ দায়িত্বে ছিলেন নূরুল ইসলাম সুজন।

আজ বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জারি করা এক প্রজ্ঞাপন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও অন্য মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের শপথ পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মো, সাহাবুদ্দিন। এরপর প্রধানমন্ত্রী নতুন মন্ত্রীদের দপ্তর বণ্টন করেন।বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. জিল্লুল হাকিম ১৯৫৪ সালের ২ জানুয়ারি রাজবাড়ী জেলার বালিয়াকান্দি উপজেলার আনন্দবাজার গ্রামে এক মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার নাম মো. আবুল হোসেন।

তিনি ছিলেন একজন সমাজসেবক এবং শিক্ষানুরাগী। জিল্লুল হাকিমের পৈতৃক বাড়ি পাংশা উপজেলার নারায়ণপুর গ্রামে। বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. জিল্লুল হাকিম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর (এমএ) পাশ করেছেন।জিল্লুল হাকিম রাজবাড়ী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি।

১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় জিল্লুল হাকিম যুদ্ধকালীন কমান্ডার ছিলেন। তিনি সংসদ সদস্যের পাশাপাশি একজন সফল ব্যবসায়ী। তার স্ত্রী সাঈদা হাকিম এবং দুই ছেলে মিতুল হাকিম ও রাতুল হাকিম। তারাও সফল ব্যবসায়ী।জিল্লুল হাকিম ছাত্র জীবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

মোট ৬ বার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে তিনি ৫ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৯৬ সালের প্রথম নির্বাচনে তিনি জাতীয় পার্টির প্রার্থীকে পরাজিত করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরেরবার ২০০১ সালের নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী নাসিরুল হক সাবুর কাছে হেরে যান তিনি। পরে ২০০৮ সালের নির্বাচনে বিএনপির নাসিরুল হক সাবুকে পরাজিত করে তিনি ফের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।এ ছাড়া ২০১৪ ও ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। সর্বশেষ তিনি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীক নিয়ে ২ লাখ ৩১ হাজার ৮৮৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় ঐক্যের ডাক দিলেন প্রধানমন্ত্রী

রেলমন্ত্রী হলেন জিল্লুল হাকিম

আপডেট টাইম : ০৬:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৪
নতুন সরকারের রেলপথ মন্ত্রী হয়েছেন আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য জিল্লুল হাকিম। তিনি রাজবাড়ী-২ আসন থেকে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন। এর আগে এ দায়িত্বে ছিলেন নূরুল ইসলাম সুজন।

আজ বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জারি করা এক প্রজ্ঞাপন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও অন্য মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের শপথ পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মো, সাহাবুদ্দিন। এরপর প্রধানমন্ত্রী নতুন মন্ত্রীদের দপ্তর বণ্টন করেন।বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. জিল্লুল হাকিম ১৯৫৪ সালের ২ জানুয়ারি রাজবাড়ী জেলার বালিয়াকান্দি উপজেলার আনন্দবাজার গ্রামে এক মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার নাম মো. আবুল হোসেন।

তিনি ছিলেন একজন সমাজসেবক এবং শিক্ষানুরাগী। জিল্লুল হাকিমের পৈতৃক বাড়ি পাংশা উপজেলার নারায়ণপুর গ্রামে। বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. জিল্লুল হাকিম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর (এমএ) পাশ করেছেন।জিল্লুল হাকিম রাজবাড়ী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি।

১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় জিল্লুল হাকিম যুদ্ধকালীন কমান্ডার ছিলেন। তিনি সংসদ সদস্যের পাশাপাশি একজন সফল ব্যবসায়ী। তার স্ত্রী সাঈদা হাকিম এবং দুই ছেলে মিতুল হাকিম ও রাতুল হাকিম। তারাও সফল ব্যবসায়ী।জিল্লুল হাকিম ছাত্র জীবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

মোট ৬ বার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে তিনি ৫ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৯৬ সালের প্রথম নির্বাচনে তিনি জাতীয় পার্টির প্রার্থীকে পরাজিত করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরেরবার ২০০১ সালের নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী নাসিরুল হক সাবুর কাছে হেরে যান তিনি। পরে ২০০৮ সালের নির্বাচনে বিএনপির নাসিরুল হক সাবুকে পরাজিত করে তিনি ফের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।এ ছাড়া ২০১৪ ও ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। সর্বশেষ তিনি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীক নিয়ে ২ লাখ ৩১ হাজার ৮৮৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।