ঢাকা , শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তা দেবে সরকার: কৃষিমন্ত্রী ভারি বর্ষণ নিয়ে যে বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস প্রাথমিক-মাধ্যমিকে ১৩৩ বই পরিমার্জন, আসছে চার নতুন বই গ্রামাঞ্চলেও সমান গুরুত্ব দিয়ে চিকিৎসাসেবা প্রদানের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর চট্টগ্রামে পানিবন্দি সাড়ে ৪ লাখ মানুষ, তীব্র খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সংকট ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ বিশ্বকাপে ইতিহাস গড়ে ইয়ামাল বললেন, ফ্রান্স যদি কাউকে ভয় পায় সেটা স্পেন নিজেই গাড়ি চালিয়ে স্ত্রীর ক্যাম্পাসে প্রধানমন্ত্রী ইমাম-খতিবদের উদ্দেশে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সতর্কবার্তা অনেকে নিরুৎসাহিত করলেও হাল ছাড়েননি হামিদুল্লাহ, বিক্রি প্রায় ২ লাখ বিয়ের অনুমতি নিতেই মোটা টাকা খরচ টেইলর সুইফটের

পাতাবাহার গাছকে সতেজ ও সবুজ রাখবেন যেভাবে

অনেকের বাড়িতেই ইনডোর প্ল্যান্ট হিসেবে নানা ধরনের পাতাবাহার গাছ থাকে। এসব গাছের যত্ন একটু আলাদা ধরনের। নানা ধরনের পাতাবাহার গাছ কীভাবে যত্ন নেবেন জেনে নিন

পাতাবাহার গাছকে সবসময় হালকা ছায়ায় রাখতে হয়। মাঝেমধ্যে অল্প একটু রোদে রাখতে হয়। না হলে পাতার রঙ খোলে না। রাতে খোলা জায়গায় রেখে দিয়ে পরের দিন সকাল ৯টা পর্যন্ত রোদ খাইয়ে আবার যথাস্থানে নিয়ে যান। মনে রাখবেন, ঘরের ভেতরে কিন্তু একনাগাড়ে বেশিদিন পাতাবাহারের গাছ রাখা যায় না, জায়গা বদল করে রাখতে হয়। যেমন ধরুন, যে গাছগুলোকে আপনি ঘরের ভেতর রেখেছিলেন সেগুলোকে বারান্দায়, সিঁড়িতে বা অন্য কোনো স্থানে নিয়ে যান। অনুরূপভাবে আবার বাইরের গাছগুলোকে ঘরের ভেতরে নিয়ে আসুন।

আলোর ব্যতিক্রমী গাছও নিশ্চয়ই আছে। সরু ও ছোট পাতার এমন অনেক প্রজাতির পাতাবাহার আছে, যারা মোটামুটি রোদ সহ্য করতে পারে। সেই ধরনের গাছকে হালকা রোদ পড়ে এমন জায়গায় রাখুন। পাতাবাহারের টবের মাপ হওয়া উচিত ৯ থেকে ১২ ইঞ্চি বা তার থেকেও বড় টবে। আর এমনভাবে পানি দিন যেন মাটি ভিজে থাকে অথচ কোনোভাবেই গাছের গোড়ায় পানি জমে থাকবে না। পাতাকে সতেজ ও মসৃণ করে রাখতে প্রতিদিন সূর্য অস্ত যাওয়ার পর পাতার ওপরে ও নিচে স্প্রেয়ারের সাহায্যে ভালো করে ধুয়ে দিন। সবসময় খেয়াল রাখবেন, পোকামাকড় ধরে পাতাবাহারের পাতার আকৃতি যেন নষ্ট করে না দেয়। প্রতিকার হিসেবে রোগের ম্যাটাসিট ফিফটি ডেমিক্রনের মতো ওষুধ ১ লিটার পানিতে ১ মিলি মিশিয়ে পাতার গায়ে ও ডালে ভালো করে স্প্রে করবেন। টবের মাটি ভালোভাবে খুঁচিয়ে দিন, যাতে আলো-বাতাস ভেতরে প্রবেশ করে।

জমির জন্য যদি মাটিতে পাতাবাহারের গাছ লাগাতে চান তাহলে এমন জায়গা বেছে নিন যেখানে সারা দিনই হালকা ছায়া থাকে এবং পানি জমে না থাকে। বাগানের পাতাবাহার গাছকে সঠিকভাবে সময়মতো পরিচর্যা করতে হয়। কোনো অবস্থাতেই অন্য কোনো বড় গাছের নিচে পাতাবাহার লাগানো যায় না। সাজানোর প্রয়োজনে সাময়িকভাবে ৪-৫ দিনের জন্য ছোট টবের গাছ বড় গাছের তলায় রাখতে পারেন।

পাতাবাহার গাছের কলম করার জন্য বর্ষাকালই ভালো। গুটি কলম বাঁধার ১৫ দিনের মাথায় প্রচুর পরিমাণে শিকড় এসে যাবে। দেখবেন শিকড়গুলো যখন সাদা রঙ থেকে বাদামি হয়ে যাবে তখন গাছ থেকে কেটে নিয়ে ৫-৬ ইঞ্চি টবে লাগান। প্রথমেই বড় টবে লাগাবেন না। লাগালে দেখবেন নিচের পাতাগুলো কেমন ঝরে গিয়েছে। ছোট টব থেকে বড় টবে গাছকে নিয়ে যাওয়ার জন্য অন্তত ১৫ দিন সময় দেওয়া দরকার। ওই সময়ের পর টবে সার-মাটি দিয়ে গাছ লাগিয়ে দিন। এই প্রথায় আপনি অনেক পাতাবাহার গাছ করতে পারবেন। আর এই গাছগুলো আপনার বাড়িকে সুন্দর থেকে সুন্দরতর করে তুলবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তা দেবে সরকার: কৃষিমন্ত্রী

পাতাবাহার গাছকে সতেজ ও সবুজ রাখবেন যেভাবে

আপডেট টাইম : ০৯:৪১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৪

অনেকের বাড়িতেই ইনডোর প্ল্যান্ট হিসেবে নানা ধরনের পাতাবাহার গাছ থাকে। এসব গাছের যত্ন একটু আলাদা ধরনের। নানা ধরনের পাতাবাহার গাছ কীভাবে যত্ন নেবেন জেনে নিন

পাতাবাহার গাছকে সবসময় হালকা ছায়ায় রাখতে হয়। মাঝেমধ্যে অল্প একটু রোদে রাখতে হয়। না হলে পাতার রঙ খোলে না। রাতে খোলা জায়গায় রেখে দিয়ে পরের দিন সকাল ৯টা পর্যন্ত রোদ খাইয়ে আবার যথাস্থানে নিয়ে যান। মনে রাখবেন, ঘরের ভেতরে কিন্তু একনাগাড়ে বেশিদিন পাতাবাহারের গাছ রাখা যায় না, জায়গা বদল করে রাখতে হয়। যেমন ধরুন, যে গাছগুলোকে আপনি ঘরের ভেতর রেখেছিলেন সেগুলোকে বারান্দায়, সিঁড়িতে বা অন্য কোনো স্থানে নিয়ে যান। অনুরূপভাবে আবার বাইরের গাছগুলোকে ঘরের ভেতরে নিয়ে আসুন।

আলোর ব্যতিক্রমী গাছও নিশ্চয়ই আছে। সরু ও ছোট পাতার এমন অনেক প্রজাতির পাতাবাহার আছে, যারা মোটামুটি রোদ সহ্য করতে পারে। সেই ধরনের গাছকে হালকা রোদ পড়ে এমন জায়গায় রাখুন। পাতাবাহারের টবের মাপ হওয়া উচিত ৯ থেকে ১২ ইঞ্চি বা তার থেকেও বড় টবে। আর এমনভাবে পানি দিন যেন মাটি ভিজে থাকে অথচ কোনোভাবেই গাছের গোড়ায় পানি জমে থাকবে না। পাতাকে সতেজ ও মসৃণ করে রাখতে প্রতিদিন সূর্য অস্ত যাওয়ার পর পাতার ওপরে ও নিচে স্প্রেয়ারের সাহায্যে ভালো করে ধুয়ে দিন। সবসময় খেয়াল রাখবেন, পোকামাকড় ধরে পাতাবাহারের পাতার আকৃতি যেন নষ্ট করে না দেয়। প্রতিকার হিসেবে রোগের ম্যাটাসিট ফিফটি ডেমিক্রনের মতো ওষুধ ১ লিটার পানিতে ১ মিলি মিশিয়ে পাতার গায়ে ও ডালে ভালো করে স্প্রে করবেন। টবের মাটি ভালোভাবে খুঁচিয়ে দিন, যাতে আলো-বাতাস ভেতরে প্রবেশ করে।

জমির জন্য যদি মাটিতে পাতাবাহারের গাছ লাগাতে চান তাহলে এমন জায়গা বেছে নিন যেখানে সারা দিনই হালকা ছায়া থাকে এবং পানি জমে না থাকে। বাগানের পাতাবাহার গাছকে সঠিকভাবে সময়মতো পরিচর্যা করতে হয়। কোনো অবস্থাতেই অন্য কোনো বড় গাছের নিচে পাতাবাহার লাগানো যায় না। সাজানোর প্রয়োজনে সাময়িকভাবে ৪-৫ দিনের জন্য ছোট টবের গাছ বড় গাছের তলায় রাখতে পারেন।

পাতাবাহার গাছের কলম করার জন্য বর্ষাকালই ভালো। গুটি কলম বাঁধার ১৫ দিনের মাথায় প্রচুর পরিমাণে শিকড় এসে যাবে। দেখবেন শিকড়গুলো যখন সাদা রঙ থেকে বাদামি হয়ে যাবে তখন গাছ থেকে কেটে নিয়ে ৫-৬ ইঞ্চি টবে লাগান। প্রথমেই বড় টবে লাগাবেন না। লাগালে দেখবেন নিচের পাতাগুলো কেমন ঝরে গিয়েছে। ছোট টব থেকে বড় টবে গাছকে নিয়ে যাওয়ার জন্য অন্তত ১৫ দিন সময় দেওয়া দরকার। ওই সময়ের পর টবে সার-মাটি দিয়ে গাছ লাগিয়ে দিন। এই প্রথায় আপনি অনেক পাতাবাহার গাছ করতে পারবেন। আর এই গাছগুলো আপনার বাড়িকে সুন্দর থেকে সুন্দরতর করে তুলবে।