ঢাকা , বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ১৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিজনেস ফাইল-এ প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিবের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা মোশারফ হোসাইন

২১ জুলাই ২০২৫ তারিখে দৈনিক বিজনেস ফাইল পত্রিকায় প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে একাধিক অভিযোগ উত্থাপন করা হয়, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন, মনগড়া ও বানোয়াট বলে দাবি করেছেন অভিযুক্ত কর্মকর্তা।

প্রকাশিত সংবাদের প্রথম অভিযোগে বলা হয়, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা অফিসে আগত ভিজিটরদের থেকে সচিব মহোদয়ের সঙ্গে সাক্ষাতের কথা বলে অর্থ গ্রহণ করেন। কিন্তু বাস্তবে সচিব মহোদয়ের সঙ্গে দেখা করার প্রক্রিয়া নির্ধারিত নিয়মে অন্য কর্মকর্তার মাধ্যমে পরিচালিত হয়, ব্যক্তিগত কর্মকর্তার মাধ্যমে নয়। এ থেকেই বুঝা যায় অভিযোগটি মিথ্যা এবং ভিত্তিহীন।

দ্বিতীয় অভিযোগে বলা হয়, সচিব মহোদয়ের দপ্তরে ফাইল আটকে রেখে অর্থ দাবি করা হয়। প্রতিবাদকারী কর্মকর্তা জানান, সচিব মহোদয়ের দপ্তরে ফাইল রিসিভ করার জন্য আলাদা কর্মচারী রয়েছেন, রিসিভ হওয়ার সাথে সাথে ফাইলটি এন্ট্রি করে সচিব মহোদয়ের রুমে দেয়া হয় এবং সচিব মহোদয়ের সাইন হওয়ার পর রিসিভকারীর মাধ্যমে দ্রুত ফাইল সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয় এবং ফাইল রিসিভ বা এন্ট্রির কাজে তিনি সংশ্লিষ্ট নয়। এতে প্রমাণিত হয় পত্রিকায় প্রকাশিত নিউজটি সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং বানোয়াট।

বদলি, সাসপেনশন, বিভাগীয় তদন্ত এর অভিযোগের বিষয়ে তিনি স্পষ্ট কর বলেন, এসব কাজ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রধানদের এখতিয়ারভুক্ত, এতে তার কোনো ভূমিকা নেই। তিনি হলফ করে বলেন, যদি কেউ প্রমাণ দিতে পারেন যে – বদলি, সাসপেনশন, বিভাগীয় তদন্ত এর কাজ করে দেয়ার নাম করে তিনি অর্থ নিয়েছেন তাহলে তিনি স্বেচ্ছায় চাকরি ছেড়ে দেবেন।

অভিযোগ গায়েবের বিষয়ে তিনি জানান দপ্তরে জমা পড়া অভিযোগ বা কোন চিঠি রিসিভ করার জন্য আলাদা রিসভকারী রয়েছেন। চিঠি স্বাক্ষরের সাথে সাথে রিসিভকারীর মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়। এ কাজে তিনি সংশ্লিষ্ট নয়। তারপরও তিনি বলেন, এ দপ্তর থেকে কোন অভিযোগ বা চিঠি গায়েব হয়না। প্রশ্ন হল কোন অভিযোগ গায়েব হয়েছে? তা নির্দিষ্ট করে বলা উচিৎ ছিল। তা না করে ঢালাওভাবে মিথ্যা মনগড়া খবর প্রকাশ করা হয়েছে।

সাবেক সচিবদের কাছে প্রতিনিয়ত তথ্য পাচারের অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, কোন কোন সচিবদের কাছে তথ্য পাচার করা হয় তা উল্লেখ করার প্রয়োজন ছিল। তা না করে ঢালাওভাবে মনগড়া অপপ্রচার করা হয়েছে – যা মোটেই কাম্য নয়। প্রকৃতপক্ষে কোন সাবেক সচিবের সাথে তার কোন প্রকার যোগাযোগ নাই বলে তিনি জানান।

তিনি আরও বলেন, “আমার বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অপপ্রচার চালানো হয়েছে। পত্রিকায় যে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে, তা প্রমাণহীন ও মানহানিকর। আমি আমার চাকরি জীবনে সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করছি এবং ভবিষ্যতেও করব।”

তিনি পত্রিকাটিকে মিথ্যা ও মনগড়া তথ্যের ভিত্তিতে বিভ্রান্তিকর সংবাদ পরিবেশন না করার আহ্বান জানান এবং এ ঘটনায় দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

বিজনেস ফাইল-এ প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিবের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা মোশারফ হোসাইন

আপডেট টাইম : ০৪:৫৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ জুলাই ২০২৫

২১ জুলাই ২০২৫ তারিখে দৈনিক বিজনেস ফাইল পত্রিকায় প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে একাধিক অভিযোগ উত্থাপন করা হয়, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন, মনগড়া ও বানোয়াট বলে দাবি করেছেন অভিযুক্ত কর্মকর্তা।

প্রকাশিত সংবাদের প্রথম অভিযোগে বলা হয়, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা অফিসে আগত ভিজিটরদের থেকে সচিব মহোদয়ের সঙ্গে সাক্ষাতের কথা বলে অর্থ গ্রহণ করেন। কিন্তু বাস্তবে সচিব মহোদয়ের সঙ্গে দেখা করার প্রক্রিয়া নির্ধারিত নিয়মে অন্য কর্মকর্তার মাধ্যমে পরিচালিত হয়, ব্যক্তিগত কর্মকর্তার মাধ্যমে নয়। এ থেকেই বুঝা যায় অভিযোগটি মিথ্যা এবং ভিত্তিহীন।

দ্বিতীয় অভিযোগে বলা হয়, সচিব মহোদয়ের দপ্তরে ফাইল আটকে রেখে অর্থ দাবি করা হয়। প্রতিবাদকারী কর্মকর্তা জানান, সচিব মহোদয়ের দপ্তরে ফাইল রিসিভ করার জন্য আলাদা কর্মচারী রয়েছেন, রিসিভ হওয়ার সাথে সাথে ফাইলটি এন্ট্রি করে সচিব মহোদয়ের রুমে দেয়া হয় এবং সচিব মহোদয়ের সাইন হওয়ার পর রিসিভকারীর মাধ্যমে দ্রুত ফাইল সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয় এবং ফাইল রিসিভ বা এন্ট্রির কাজে তিনি সংশ্লিষ্ট নয়। এতে প্রমাণিত হয় পত্রিকায় প্রকাশিত নিউজটি সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং বানোয়াট।

বদলি, সাসপেনশন, বিভাগীয় তদন্ত এর অভিযোগের বিষয়ে তিনি স্পষ্ট কর বলেন, এসব কাজ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রধানদের এখতিয়ারভুক্ত, এতে তার কোনো ভূমিকা নেই। তিনি হলফ করে বলেন, যদি কেউ প্রমাণ দিতে পারেন যে – বদলি, সাসপেনশন, বিভাগীয় তদন্ত এর কাজ করে দেয়ার নাম করে তিনি অর্থ নিয়েছেন তাহলে তিনি স্বেচ্ছায় চাকরি ছেড়ে দেবেন।

অভিযোগ গায়েবের বিষয়ে তিনি জানান দপ্তরে জমা পড়া অভিযোগ বা কোন চিঠি রিসিভ করার জন্য আলাদা রিসভকারী রয়েছেন। চিঠি স্বাক্ষরের সাথে সাথে রিসিভকারীর মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়। এ কাজে তিনি সংশ্লিষ্ট নয়। তারপরও তিনি বলেন, এ দপ্তর থেকে কোন অভিযোগ বা চিঠি গায়েব হয়না। প্রশ্ন হল কোন অভিযোগ গায়েব হয়েছে? তা নির্দিষ্ট করে বলা উচিৎ ছিল। তা না করে ঢালাওভাবে মিথ্যা মনগড়া খবর প্রকাশ করা হয়েছে।

সাবেক সচিবদের কাছে প্রতিনিয়ত তথ্য পাচারের অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, কোন কোন সচিবদের কাছে তথ্য পাচার করা হয় তা উল্লেখ করার প্রয়োজন ছিল। তা না করে ঢালাওভাবে মনগড়া অপপ্রচার করা হয়েছে – যা মোটেই কাম্য নয়। প্রকৃতপক্ষে কোন সাবেক সচিবের সাথে তার কোন প্রকার যোগাযোগ নাই বলে তিনি জানান।

তিনি আরও বলেন, “আমার বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অপপ্রচার চালানো হয়েছে। পত্রিকায় যে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে, তা প্রমাণহীন ও মানহানিকর। আমি আমার চাকরি জীবনে সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করছি এবং ভবিষ্যতেও করব।”

তিনি পত্রিকাটিকে মিথ্যা ও মনগড়া তথ্যের ভিত্তিতে বিভ্রান্তিকর সংবাদ পরিবেশন না করার আহ্বান জানান এবং এ ঘটনায় দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।