২০০৬ সালে নিয়োগের জন্য চূড়ান্তভাবে মনোনীত ৩৩০ জন পুলিশ সদস্যকে চাকরিতে নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। তাদের মধ্যে ১২৩ জন পুলিশ সার্জেন্ট এবং ২০৭ জন সাব-ইন্সপেক্টর (নিরস্ত্র) প্রার্থীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা শুরু হচ্ছে মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) থেকে। চলবে আগামী ৬ এপ্রিল পর্যন্ত।
সোমবার (৩০ মার্চ) পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি আফরিদা রুবাই স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ২০০৬ সালে নিয়োগের জন্য বাছাইকৃত ১২৩ জন পুলিশ সার্জেন্ট ও ২০৭ জন সাব-ইন্সপেক্টর (নিরস্ত্র) প্রার্থীর আগামী ৩১ মার্চ থেকে ৬ এপ্রিল পর্যন্ত যে কোনো দিন (শুক্রবার ব্যতীত) সকাল সাড়ে ৬টায় স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন করার জন্য আবশ্যকীয় নির্দেশমালা প্রতিপালন সাপেক্ষে রাজারবাগ কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে খালি পেটে উপস্থিত থাকার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।
আবশ্যকীয় নির্দেশনা ১. পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট পূর্বে নির্ধারিত পরীক্ষার স্থানে উপস্থিত থাকতে হবে।
২. প্রার্থীকে তার চিকিৎসা ইতিবৃত্ত এবং সব চিকিৎসাপত্র ও ডকুমেন্টস সঙ্গে নিয়ে আসতে হবে।
৩. প্রার্থীকে অবশ্যই দুই কপি রঙিন ছবি (ছবির পেছনে প্রার্থীর লিখিত নামসহ) সঙ্গে নিয়ে আসতে হবে।
২০ বছর পর চাকরিতে যোগদানের সুযোগ পাচ্ছেন ৩৩০ সার্জেন্ট-এসআই
৪. প্রার্থীকে লিখিত ও মনস্তত্ত্ব পরীক্ষার প্রবেশপত্র এবং প্রবেশপত্রের একটি সত্যায়িত ফটোকপি সঙ্গে নিয়ে আসতে হবে (যদি থাকে)।
৫. প্রার্থীকে তার শিক্ষাগত যোগ্যতার সব সনদের সত্যায়িত ফটোকপি সঙ্গে নিয়ে আসতে হবে।
৬. প্রার্থীকে তার মূল এনআইডি কার্ড প্রদর্শন করতে হবে এবং এনআইডি কার্ডের একটি সত্যায়িত ফটোকপি সঙ্গে নিয়ে আসতে হবে।
৭. প্রার্থীকে তার নাগরিক সনদপত্রের মূলকপি এবং একটি সত্যায়িত ফটোকপি সঙ্গে নিয়ে আসতে হবে।
৮. প্রার্থীকে খালি পেটে কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে (রাজারবাগ) উপস্থিত হতে হবে।
৯. প্রার্থীকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার প্রতিটি টেস্ট সম্পন্ন করতে হবে।
১০. প্রার্থীকে মেডিকেল টেস্টের জন্য কোনো টিএ/ডিএ প্রদান করা হবে না।
এর আগে গত ১৬ মার্চ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ শাখা-২ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে তৎকালীন নিয়োগ বাতিলের আদেশটি প্রত্যাহার করা হয়।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, ২০০৬ সালে নিয়োগের জন্য বাছাইকৃত ১২৩ জন পুলিশ সার্জেন্ট এবং ২০৭ জন সাব-ইন্সপেক্টর (নিরস্ত্র)-এর নিয়োগ সে সময় ‘দলীয় বিবেচনায়’ বাতিল করা হয়েছিল। বর্তমানে সেই বাতিলের আদেশ প্রত্যাহার করে নির্ধারিত শর্তসাপেক্ষে তাদের সরকারি চাকরিতে নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, যদি ২০০৭ সালে নিয়োগ প্রক্রিয়াটি বাতিল না হতো, তাহলে যেদিন থেকে তারা স্বাভাবিকভাবে সরকারি চাকরিতে যোগদান করতেন, সেই তারিখ থেকে তাদের জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণ করা হবে।
এছাড়া মৌলিক প্রশিক্ষণকালসহ শিক্ষানবিশকাল সর্বোচ্চ দুই বছর নির্ধারণ করা হয়েছে। লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার ফলাফল এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় কর্তৃক জারিকৃত বিধি-বিধান অনুযায়ী পরবর্তী ব্যাচের গ্রেডেশন তালিকা নির্ধারণ করা হবে।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, নিয়োগের আগে প্রার্থীদের বৈধতা যাচাই এবং পুলিশ ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করে সরকারি চাকরিতে নিয়োগ দেওয়া হবে।

বাঙ্গালী কণ্ঠ ডেস্ক 
























