ঢাকা , বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অকেজো ৮ হাজার কোটি টাকার প্রযুক্তি পার্ক কার্যকরের উদ্যোগ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে সুখবর দিল মুডিস উইন্ডোজ ১০ ও ১১-এর জন্য জেমিনি অ্যাপ আনল গুগল ইমরানের মুক্তির দাবিতে অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দ্বারস্থ ৭ সাবেক অধিনায়ক শিশুদের সম্ভাবনা বিকশিত করতে মুক্ত পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান জুবাইদা রহমানের গণতন্ত্র রক্ষা করা এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী মামলায় ওবায়দুল কাদেরসহ সাত জনের মৃত্যুদণ্ডের রায় মাথার চুল ফেলে যা বললেন ক্যনসার আক্রান্ত সামিয়া আফরিন সার ডিলারদের কমিশন বাড়ছে, কৃষক পর্যায়ে দাম অপরিবর্তিত ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিলেন ৩ জন

ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস আজ

আজ ১৭ এপ্রিল। ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস। ১৯৭১ সালের আজকের দিনে তৎকালীন মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলার আম্রকাননে শপথ নেয় স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার। লক্ষ্য- একদিকে প্রতিরোধ যুদ্ধ সংগঠিত করা, অন্যদিকে, নতুন রাষ্ট্রের প্রশাসনিক ভিত্তি তৈরি।
উত্তাল দিনগুলোতে বাংলাদেশের পক্ষে আন্তর্জাতিক জনমত আর স্বীকৃতি আদায়ও ছিল এই অস্থায়ী সরকারের পরিকল্পনায়।
১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলায় জাতীয় সংগীতের মধ্য দিয়ে শুরু আনুষ্ঠানিকতা। শপথ নিল স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার। অস্থায়ী সরকারে শপথে জানান দেওয়া হলো, এ দেশের নাম হবে- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ। শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানে কারাবন্দি থাকায় অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম। ১১ সদস্যের মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রী হন তাজউদ্দীন আহমদ।
১০ এপ্রিলের স্বাধীনতার ঘোষনাপত্রটিকে সাংবিধানিক ভিত্তি রূপে পাঠ করা হয় সেদিন।
নতুন রাষ্ট্রের প্রধান সেনাপতি ঘোষণা করা হয় জেনারেল এম এ জি ওসমানীকে। পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ জয়ে মুক্তিযুদ্ধের পুরো অঙ্গনকে ভাগ করা হয় ১১ টি সেক্টরে। বিশ্বজুড়ে বাংলাদেশের পক্ষে জনমত তৈরি আর  শরণার্থী ব্যবস্থাপনার দায়িত্বও নেয় অস্থায়ী সরকার।
Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

অকেজো ৮ হাজার কোটি টাকার প্রযুক্তি পার্ক কার্যকরের উদ্যোগ

ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস আজ

আপডেট টাইম : ০৫:০৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬
আজ ১৭ এপ্রিল। ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস। ১৯৭১ সালের আজকের দিনে তৎকালীন মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলার আম্রকাননে শপথ নেয় স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার। লক্ষ্য- একদিকে প্রতিরোধ যুদ্ধ সংগঠিত করা, অন্যদিকে, নতুন রাষ্ট্রের প্রশাসনিক ভিত্তি তৈরি।
উত্তাল দিনগুলোতে বাংলাদেশের পক্ষে আন্তর্জাতিক জনমত আর স্বীকৃতি আদায়ও ছিল এই অস্থায়ী সরকারের পরিকল্পনায়।
১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলায় জাতীয় সংগীতের মধ্য দিয়ে শুরু আনুষ্ঠানিকতা। শপথ নিল স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার। অস্থায়ী সরকারে শপথে জানান দেওয়া হলো, এ দেশের নাম হবে- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ। শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানে কারাবন্দি থাকায় অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম। ১১ সদস্যের মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রী হন তাজউদ্দীন আহমদ।
১০ এপ্রিলের স্বাধীনতার ঘোষনাপত্রটিকে সাংবিধানিক ভিত্তি রূপে পাঠ করা হয় সেদিন।
নতুন রাষ্ট্রের প্রধান সেনাপতি ঘোষণা করা হয় জেনারেল এম এ জি ওসমানীকে। পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ জয়ে মুক্তিযুদ্ধের পুরো অঙ্গনকে ভাগ করা হয় ১১ টি সেক্টরে। বিশ্বজুড়ে বাংলাদেশের পক্ষে জনমত তৈরি আর  শরণার্থী ব্যবস্থাপনার দায়িত্বও নেয় অস্থায়ী সরকার।