ঢাকা , শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় চট্টগ্রামের ৭ উপজেলায় সেনা মোতায়েন শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে আদালতের নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান দলীয় নেতাকর্মীদের কড়া হুঁশিয়ারি দিলেন আইনমন্ত্রী বন্যাদুর্গতদের পাশে দাঁড়াতে প্রশাসন ও দলীয় নেতাকর্মীদের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার জন্য ফাঁসির দড়ি অপেক্ষা করছে : নাহিদ ইসলাম তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে কাজ শুরু করেছে সরকার : পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ দেশে ফিরে সংবর্ধনা পেল মিশর ফুটবল দল ‘তাফহীমুল কোরআন’ পোড়ানোর দায়ে গ্রেফতার মেহেদী কারাগারে আল-আকসার গ্র্যান্ড মুফতিকে আটক করল ইসরায়েল কিশোরীর বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় নতুন মোড়, দায় স্বীকার মায়ের

ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস আজ

আজ ১৭ এপ্রিল। ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস। ১৯৭১ সালের আজকের দিনে তৎকালীন মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলার আম্রকাননে শপথ নেয় স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার। লক্ষ্য- একদিকে প্রতিরোধ যুদ্ধ সংগঠিত করা, অন্যদিকে, নতুন রাষ্ট্রের প্রশাসনিক ভিত্তি তৈরি।
উত্তাল দিনগুলোতে বাংলাদেশের পক্ষে আন্তর্জাতিক জনমত আর স্বীকৃতি আদায়ও ছিল এই অস্থায়ী সরকারের পরিকল্পনায়।
১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলায় জাতীয় সংগীতের মধ্য দিয়ে শুরু আনুষ্ঠানিকতা। শপথ নিল স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার। অস্থায়ী সরকারে শপথে জানান দেওয়া হলো, এ দেশের নাম হবে- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ। শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানে কারাবন্দি থাকায় অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম। ১১ সদস্যের মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রী হন তাজউদ্দীন আহমদ।
১০ এপ্রিলের স্বাধীনতার ঘোষনাপত্রটিকে সাংবিধানিক ভিত্তি রূপে পাঠ করা হয় সেদিন।
নতুন রাষ্ট্রের প্রধান সেনাপতি ঘোষণা করা হয় জেনারেল এম এ জি ওসমানীকে। পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ জয়ে মুক্তিযুদ্ধের পুরো অঙ্গনকে ভাগ করা হয় ১১ টি সেক্টরে। বিশ্বজুড়ে বাংলাদেশের পক্ষে জনমত তৈরি আর  শরণার্থী ব্যবস্থাপনার দায়িত্বও নেয় অস্থায়ী সরকার।
Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জনপ্রিয় সংবাদ

বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় চট্টগ্রামের ৭ উপজেলায় সেনা মোতায়েন

ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস আজ

আপডেট টাইম : ০৫:০৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬
আজ ১৭ এপ্রিল। ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস। ১৯৭১ সালের আজকের দিনে তৎকালীন মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলার আম্রকাননে শপথ নেয় স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার। লক্ষ্য- একদিকে প্রতিরোধ যুদ্ধ সংগঠিত করা, অন্যদিকে, নতুন রাষ্ট্রের প্রশাসনিক ভিত্তি তৈরি।
উত্তাল দিনগুলোতে বাংলাদেশের পক্ষে আন্তর্জাতিক জনমত আর স্বীকৃতি আদায়ও ছিল এই অস্থায়ী সরকারের পরিকল্পনায়।
১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলায় জাতীয় সংগীতের মধ্য দিয়ে শুরু আনুষ্ঠানিকতা। শপথ নিল স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার। অস্থায়ী সরকারে শপথে জানান দেওয়া হলো, এ দেশের নাম হবে- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ। শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানে কারাবন্দি থাকায় অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম। ১১ সদস্যের মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রী হন তাজউদ্দীন আহমদ।
১০ এপ্রিলের স্বাধীনতার ঘোষনাপত্রটিকে সাংবিধানিক ভিত্তি রূপে পাঠ করা হয় সেদিন।
নতুন রাষ্ট্রের প্রধান সেনাপতি ঘোষণা করা হয় জেনারেল এম এ জি ওসমানীকে। পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ জয়ে মুক্তিযুদ্ধের পুরো অঙ্গনকে ভাগ করা হয় ১১ টি সেক্টরে। বিশ্বজুড়ে বাংলাদেশের পক্ষে জনমত তৈরি আর  শরণার্থী ব্যবস্থাপনার দায়িত্বও নেয় অস্থায়ী সরকার।