প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সারাদেশে হেলথ কেয়ারার নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। যারা প্রান্তিক পর্যায়ে মানুষের ঘরে ঘরে গিয়ে মানুষকে সচেতন করবে। রোগ হবার আগেই খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাপন পদ্ধতি নিয়ে মানুষকে সচেতন করবে নতুন নিয়োগ করা প্রায় ১ লাখ হেলথ কেয়ারার।
শনিবার (১১ জুলাই) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৮০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে সরকারপ্রধান এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, আগামী ৫ বছরে জিডিপির ৫ শতাংশ স্বাস্থ্যখাতে রাখতে চায় সরকার। সরকারের পক্ষ থেকে বি়ভিন্ন স্বাস্থ্য সেবা সামগ্রির দামের ওপর থেকে ভ্যাট-ট্যাক্স কমিয়ে আনা হয়েছে। কিডনির ডায়ালাইসিসের যন্ত্রপাতি হার্টের রিংসহ জরুরি যন্ত্রাংশের ওপর থেকে ভ্যাট-ট্যাক্স কমিয়ে আনায় উপকৃত হচ্ছেন সাধারণ মানুষ।
উপজেলা পর্যায়ের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ৫১ শয্যা থেকে ১০১ শয্যা করার কথা জানান, প্রধানমন্ত্রী। সেইসব স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার সিস্টেমের মাধ্যমে বিদ্যুতায়নের ব্যবস্থা করা হবে বলেও জানান তিনি। হাসপাতালগুলোকে পরিচ্ছন্ন রাখতে চিকিৎসকসহ সবার সহযোগিতাও চান প্রধানমন্ত্রী।
উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রতিবছর ৫ বিলিয়ন ডলার বিদেশে গিয়ে খরচ করছে বাংলাদেশের মানুষ। কোন আইন দিয়ে এটি বন্ধ করা সম্ভব নয়। চিকিৎসকদের মানবিক আচরন এবং পেশাদারিত্বই পারে রোগীদের বাংলাদেশে চিকিৎসা নিতে আগ্রহী করতে। দেশের মানুষ দেশের চিকিৎসকদের ওপর আস্থা ও বিশ্বাস রাখবে বলেও প্রত্যাশা করেন প্রধানমন্ত্রী।
দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষকেও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসাসেবার আওতায় আনার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ জন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের প্রান্তিক পর্যায়ে গিয়ে সেবা দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রতিটি অঞ্চলের মানুষ যেন মানসম্মত চিকিৎসা পেতে পারেন, সে লক্ষ্যেই জেলা ও উপজেলা হাসপাতালগুলোর সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বাঙ্গালী কণ্ঠ ডেস্ক 
























