ঢাকা , শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাজধানীতে অটোরিকশার রাজত্ব ব্যাটারি চার্জে অবৈধ লেনদেন ৩ হাজার কোটি টাকা বিমান মন্ত্রণালয়ে সিন্ডিকেট দূর করতে চেষ্টা চলছ: আফরোজা খানম ১৫ আগস্ট ঘিরে রাজধানীতে মোতায়েন থাকবে সোয়াট-বোম্ব ডিসপোজাল ও কে-নাইন ইউনিট একযোগে অবসর-কল্যাণের টাকা পাচ্ছেন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকরা একটি ইয়ারবাড কতদিন ব্যহবার করা যায় তুচ্ছ ঘটনায় শিল্পীদের আদালতে নেওয়া যন্ত্রণাদায়ক কলকাতার বিভিন্ন মসজিদে শোনা যায়নি জুমার আজান বিচ্ছেদ হলে রোনালদোর সম্পদের কতটা যাবে জর্জিনার হাতে, ফাঁস ‘গোপন’ চুক্তির তথ্য ১৫ আগস্ট ঘিরে গোপালগঞ্জে পাঁচ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন জন্মদিনে বেগম খালেদা জিয়া সংগ্রাম, ত্যাগ ও মানুষের ভালোবাসায় অমর এক জীবন

দক্ষিণ সুদান ও আবেই মিশন এলাকা পরিদর্শন শেষে দেশে ফিরলেন সেনাপ্রধান

দক্ষিণ সুদান ও আবেইয়ে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন এলাকা পরিদর্শন শেষে দেশে ফিরেছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। পাঁচ দিনের সরকারি সফর শেষে শুক্রবার তিনি দেশে ফেরেন।
সফরকালে সেনাপ্রধান দক্ষিণ সুদানে মোতায়েন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ার কোম্পানি, পদাতিক ব্যাটালিয়ন ও বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ফোর্স মেরিন ইউনিট এবং আবেইয়ে মোতায়েন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পদাতিক ব্যাটালিয়ন পরিদর্শন করেন।
এ সময় তিনি বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের সর্বোচ্চ সতর্কতা বজায় রেখে পেশাদারিত্ব, শৃঙ্খলা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা দেন। পাশাপাশি ইউনাইটেড নেশনস মিশন ইন সাউথ সুদান (UNMISS) ও ইউনাইটেড নেশনস ইন্টারিম সিকিউরিটি ফোর্স ফর আবেই (UNISFA)-তে নিয়োজিত বাংলাদেশি স্টাফ অফিসার, অবজারভার ও কন্টিনজেন্ট সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। মিশনের কার্যক্রম ও সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কেও তিনি অবহিত হন।
 
সফরের অংশ হিসেবে সেনাপ্রধান UNMISS-এর ফোর্স কমান্ডার মেজর জেনারেল জুনহুই উ এবং UNISFA-এর ফোর্স কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল গণেশ কুমার শ্রেষ্ঠার সঙ্গে পৃথকভাবে সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেন। আবেইয়ে মিশন লিডারশিপ টিম এবং সুদান ও দক্ষিণ সুদানের ন্যাশনাল মনিটরদের সঙ্গেও তিনি বৈঠক করেন। এসব সাক্ষাতে মিশনের কার্যক্রম, নিরাপত্তা পরিস্থিতি ও বিভিন্ন আভিযানিক চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা হয়।
পরে দক্ষিণ সুদানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী Chol Thon Balok এবং প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধান General Santino Deng Wol-এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন সেনাপ্রধান। এ সময় দক্ষিণ সুদান প্রতিরক্ষা বাহিনীর পক্ষ থেকে তাকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়।
সেনাপ্রধানের এই সফর বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের মনোবল বাড়ানোর পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট দেশ ও জাতিসংঘের সঙ্গে বাংলাদেশের পারস্পরিক সম্পর্ক ও সহযোগিতা আরও জোরদারে ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের অংশগ্রহণের পরিধি সম্প্রসারণেও এ সফর সহায়ক হবে বলে জানিয়েছে সেনাবাহিনী।
Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজধানীতে অটোরিকশার রাজত্ব ব্যাটারি চার্জে অবৈধ লেনদেন ৩ হাজার কোটি টাকা

দক্ষিণ সুদান ও আবেই মিশন এলাকা পরিদর্শন শেষে দেশে ফিরলেন সেনাপ্রধান

আপডেট টাইম : ১৪ ঘন্টা আগে
দক্ষিণ সুদান ও আবেইয়ে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন এলাকা পরিদর্শন শেষে দেশে ফিরেছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। পাঁচ দিনের সরকারি সফর শেষে শুক্রবার তিনি দেশে ফেরেন।
সফরকালে সেনাপ্রধান দক্ষিণ সুদানে মোতায়েন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ার কোম্পানি, পদাতিক ব্যাটালিয়ন ও বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ফোর্স মেরিন ইউনিট এবং আবেইয়ে মোতায়েন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পদাতিক ব্যাটালিয়ন পরিদর্শন করেন।
এ সময় তিনি বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের সর্বোচ্চ সতর্কতা বজায় রেখে পেশাদারিত্ব, শৃঙ্খলা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা দেন। পাশাপাশি ইউনাইটেড নেশনস মিশন ইন সাউথ সুদান (UNMISS) ও ইউনাইটেড নেশনস ইন্টারিম সিকিউরিটি ফোর্স ফর আবেই (UNISFA)-তে নিয়োজিত বাংলাদেশি স্টাফ অফিসার, অবজারভার ও কন্টিনজেন্ট সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। মিশনের কার্যক্রম ও সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কেও তিনি অবহিত হন।
 
সফরের অংশ হিসেবে সেনাপ্রধান UNMISS-এর ফোর্স কমান্ডার মেজর জেনারেল জুনহুই উ এবং UNISFA-এর ফোর্স কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল গণেশ কুমার শ্রেষ্ঠার সঙ্গে পৃথকভাবে সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেন। আবেইয়ে মিশন লিডারশিপ টিম এবং সুদান ও দক্ষিণ সুদানের ন্যাশনাল মনিটরদের সঙ্গেও তিনি বৈঠক করেন। এসব সাক্ষাতে মিশনের কার্যক্রম, নিরাপত্তা পরিস্থিতি ও বিভিন্ন আভিযানিক চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা হয়।
পরে দক্ষিণ সুদানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী Chol Thon Balok এবং প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধান General Santino Deng Wol-এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন সেনাপ্রধান। এ সময় দক্ষিণ সুদান প্রতিরক্ষা বাহিনীর পক্ষ থেকে তাকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়।
সেনাপ্রধানের এই সফর বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের মনোবল বাড়ানোর পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট দেশ ও জাতিসংঘের সঙ্গে বাংলাদেশের পারস্পরিক সম্পর্ক ও সহযোগিতা আরও জোরদারে ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের অংশগ্রহণের পরিধি সম্প্রসারণেও এ সফর সহায়ক হবে বলে জানিয়েছে সেনাবাহিনী।