ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতীয় ঐক্যের ডাক দিলেন প্রধানমন্ত্রী শেষ হলো জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন তায়েফের বুকে যে মসজিদ মুসলিমদের জন্য এক টুকরো সান্ত্বনা পে স্কেলে বদলাচ্ছে ইনক্রিমেন্ট নীতি, কোন গ্রেডে কত শিগগিরই ১০ হাজার পুলিশ নিয়োগ অন্তরঙ্গ ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার ভয়ে জোবায়েদকে হত্যা, তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র বাংলাদেশি সমর্থকদের স্কালোনির ধন্যবাদ দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তারেক রহমান ‘মত পার্থক্য থাকতে পারে, ঐক্য যেন নষ্ট না হয়’ শেখ হাসিনার আত্মসমর্পণের কোনো সুযোগ নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৃষিতে ডিজিটাল অবকাঠামো উন্নয়নে আইফার্মারের সাথে কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর

বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ ছিল স্বাধীনতার সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ ছিল স্বাধীনতার সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা। তিনি বলেন, এ ভাষণ তরুণ-যুবাদের থেকে শুরু করে এ দেশের সর্বস্তরের মানুষকে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণে অনুপ্রাণিত করেছিল।
সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী আরো বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার আহ্বান সেদিন এদেশের ডান-বাম রাজনৈতিক দল, শিক্ষিত-অশিক্ষিত, শিল্পী-গায়ক, সংস্কৃতিকর্মী, কৃষক-শ্রমিক সবাইকে ঐক্যবদ্ধ করেছিল।
আসাদুজ্জামান নূর শনিবার রাজধানীর একটি হোটেলে ইয়ুথ বাংলা কালচারাল ফোরামের উদ্যোগে আয়োজিত ‘বঙ্গবন্ধুর কাছে আমাদের ঋণ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।
আসাদুজ্জামান নূর বলেন, ৭ মার্চের ভাষণটিকে মূলত ৪টি ভাগে বিভক্ত করা যায়। প্রথম ভাগে ছিল বাঙালির নিপীড়নের ইতিহাস, দ্বিতীয় ভাগে পশ্চিম পাকিস্তানের দমননীতি, তৃতীয় ভাগে বাঙালির দীর্ঘ সংগ্রাম এবং চতুর্থ ভাগে বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার সুস্পষ্ট নির্দেশনা।
সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য বিষয়ক উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, সংসদ সদস্য ডিউক চৌধুরী এবং গ্রিন ডেল্টা ইন্স্যুরেন্সের চেয়ারম্যান ফারজানা চৌধুরী।
সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছিল জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চ দেয়া ভাষণের দিক নির্দেশনায়।
তিনি বলেন, দেশ স্বাধীন হওয়ার পর বঙ্গবন্ধুর নির্দেশনাতেই জাতীয় আর্কাইভ প্রতিষ্ঠা, সোনারগাঁও লোকশিল্প জাদুঘর, শিল্পকলা একাডেমি প্রতিষ্ঠা, দুস্থ খেলোয়াড় ও শিল্পীদের ভাতা প্রদানসহ সব গুরত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান স্থাপনের পরিকল্পনা গ্রহন করা হয়েছিল।
রাষ্ট্রনায়ক দূরদর্শী ও বিচক্ষণ হলেই কেবল যুদ্ধ-বিধ্বস্ত নবগঠিত একটি দেশে এমন সুদূরপ্রসারী ও যুগান্তকারী পরিকল্পনা করতে পারেন উল্লেখ করে নূর আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু যে স্বপ্ন দেখে এদেশকে স্বাধীন করেছিলেন, তা বাস্তবায়ন করা আমাদের পবিত্র দায়িত্ব। আমাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব ও কর্তব্য নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করতে পারলেই বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের উন্নত ও সমৃদ্ধ সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠিত হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় ঐক্যের ডাক দিলেন প্রধানমন্ত্রী

বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ ছিল স্বাধীনতার সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা

আপডেট টাইম : ০২:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ ডিসেম্বর ২০১৭

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ ছিল স্বাধীনতার সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা। তিনি বলেন, এ ভাষণ তরুণ-যুবাদের থেকে শুরু করে এ দেশের সর্বস্তরের মানুষকে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণে অনুপ্রাণিত করেছিল।
সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী আরো বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার আহ্বান সেদিন এদেশের ডান-বাম রাজনৈতিক দল, শিক্ষিত-অশিক্ষিত, শিল্পী-গায়ক, সংস্কৃতিকর্মী, কৃষক-শ্রমিক সবাইকে ঐক্যবদ্ধ করেছিল।
আসাদুজ্জামান নূর শনিবার রাজধানীর একটি হোটেলে ইয়ুথ বাংলা কালচারাল ফোরামের উদ্যোগে আয়োজিত ‘বঙ্গবন্ধুর কাছে আমাদের ঋণ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।
আসাদুজ্জামান নূর বলেন, ৭ মার্চের ভাষণটিকে মূলত ৪টি ভাগে বিভক্ত করা যায়। প্রথম ভাগে ছিল বাঙালির নিপীড়নের ইতিহাস, দ্বিতীয় ভাগে পশ্চিম পাকিস্তানের দমননীতি, তৃতীয় ভাগে বাঙালির দীর্ঘ সংগ্রাম এবং চতুর্থ ভাগে বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার সুস্পষ্ট নির্দেশনা।
সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য বিষয়ক উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, সংসদ সদস্য ডিউক চৌধুরী এবং গ্রিন ডেল্টা ইন্স্যুরেন্সের চেয়ারম্যান ফারজানা চৌধুরী।
সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছিল জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চ দেয়া ভাষণের দিক নির্দেশনায়।
তিনি বলেন, দেশ স্বাধীন হওয়ার পর বঙ্গবন্ধুর নির্দেশনাতেই জাতীয় আর্কাইভ প্রতিষ্ঠা, সোনারগাঁও লোকশিল্প জাদুঘর, শিল্পকলা একাডেমি প্রতিষ্ঠা, দুস্থ খেলোয়াড় ও শিল্পীদের ভাতা প্রদানসহ সব গুরত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান স্থাপনের পরিকল্পনা গ্রহন করা হয়েছিল।
রাষ্ট্রনায়ক দূরদর্শী ও বিচক্ষণ হলেই কেবল যুদ্ধ-বিধ্বস্ত নবগঠিত একটি দেশে এমন সুদূরপ্রসারী ও যুগান্তকারী পরিকল্পনা করতে পারেন উল্লেখ করে নূর আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু যে স্বপ্ন দেখে এদেশকে স্বাধীন করেছিলেন, তা বাস্তবায়ন করা আমাদের পবিত্র দায়িত্ব। আমাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব ও কর্তব্য নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করতে পারলেই বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের উন্নত ও সমৃদ্ধ সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠিত হবে।