ঢাকা , শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মালয়েশিয়ায় বেসরকারি খাতে ৬৮ হাজারের বেশি প্রতিবন্ধী চাকরিপ্রার্থী নিয়োগ ভিসা নীতিমালার খসড়া পরিমার্জন ও চূড়ান্তকরণে মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন রাঙামাটির সব প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ বৃহস্পতিবার রোহিঙ্গাদের ফেরাতে আন্তর্জাতিক চাপ বাড়ানোর তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর বিনা খরচে কর্মী পাঠানোর ঘোষণা, বাস্তবায়নে কতটা আশার আলো চাকরিজীবীদের জন্য দুই দফায় মিলবে যে ছুটি প্রধানমন্ত্রীকে ঢাকার বাইরে রাত না কাটানোর পরামর্শ অলির সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়নে ৩ বাহিনীর জন্য বড় পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।  তিনি বলেন, বৃহত্তর বগুড়াতে মনুষ্যবিহীন আকাশযান (ড্রোন) কারখানা স্থাপনের কার্যক্রম গ্রহণ করেছে সরকার। উন্নত ও শক্তিশালী আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, অত্যাধুনিক নজরদারী প্রযুক্তি সংযোজনের মাধ্যমে সামারিক বাহিনীর উন্নয়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধি জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনায় ‘ফাস্ট ট্র্যাক’ প্রক্রিয়ায় কাজ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। বুধবার (৮ জুলাই) জাতীয় সংসদে এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন এমপির প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ সংসদে সভাপতিত্ব করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেনাবাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে আগামী ১০ বছরে ৮৬ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন। পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে সেনাবাহিনী আরও প্রযুক্তিনির্ভর, বহুমাত্রিক, আত্মনির্ভর ও যুদ্ধোপযোগী বাহিনীতে পরিণত হবে।  জাতীয় প্রতিরক্ষা, সীমান্ত সুরক্ষা এবং সার্বভৌমত্ব রক্ষায় কার্যকর ভূমিকা পালন করবে। নৌবাহিনীর জন্য আধুনিক ফ্রিগেট, করভেট, অফশোর প্যাট্রোল ভেসেল শ্রেণির যুদ্ধজাহাজ এবং সাবমেরিন সংযোজন করা হবে। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, সামরিক শিল্পাঞ্চল (ডিআইজি) স্থাপনের পরিকল্পনা সরকারের বিবেচনাধীন রয়েছে। জাতীয় প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি, বৈদেশিক নির্ভরতা হ্রাস এবং দীর্ঘমেয়াদী প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্পের বিকাশ, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন এবং গবেষণা কার্যক্রম সম্প্রসারণের বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। অধিকতর উন্নত সামরিক প্রযুক্তি, ড্রোন প্রযুক্তি, সেন্সর ব্যবস্থা, ইলেকট্রনিক্স এবং প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদনে সক্ষমতা বৃদ্ধির পরিকল্পনা গ্রহণের কার্যক্রম চলমান রয়েছে জানিয়ে তারেক রহমান বলেছেন, বন্ধুপ্রতীম দেশগুলোর সঙ্গে প্রযুক্তি হস্তান্তর মাধ্যমে প্রতিরক্ষা শিল্পের উন্নয়নের কার্যক্রমও চলছে। নেত্রকোনা-৫ আসনের জামায়াতে ইসলামীন সংসদ সদস্য (এমপি) মাছুম মোস্তফার প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সার্বভৌমত্ব, ভূখণ্ডগত অখণ্ডতা এবং জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিতে সেনাবাহিনীর সক্ষমতা উন্নয়ন ও আধুনিকায়ন অগ্রাধিকার পাচ্ছে। তিন বছর এবং সাত বছর মেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে সেনাবাহিনীর সামগ্রিক যুদ্ধ সক্ষমতা বহুগুণে বৃদ্ধি পাবে। কৃষি থেকে শিল্পে রুপান্তর বাংলাদেশের অর্থনৈতিক বিবর্তন এআই অভিনেত্রীকে নিয়ে সিনেমা নির্মাণের ঘোষণা

বাংলাদেশে নাসা স্পেস অ্যাপস প্রজেক্ট অ্যাক্সিলারেটর কার্যক্রম শুরু

মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা’র আয়োজনে প্রতিবছর অনুষ্ঠিত হয় বিশ্বের সর্ববৃহৎ হ্যাকাথন প্রতিযোগিতা ‘নাসা স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জ’। এই প্রতিযোগিতায় সারাবিশ্ব থেকে কয়েক হাজার মহাকাশ বিজ্ঞানী, প্রযুক্তিবিদসহ বিভিন্ন দেশের প্রতিযোগিরা অংশগ্রহণ করেন।

প্রতিযোগিটাতিতে সহযোগিতা ও দিকনির্দেশনার অভাবে প্রতিযোগীদের সম্ভাবনাময় প্রজেক্টগুলো যেন অস¤পূর্ণ না থাকে, সেই লক্ষ্যে ‘স্পেস অ্যাপস প্রজেক্ট অ্যাক্সিলারেটর’ শীর্ষক কার্যক্রমের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। বাংলাদেশে এই কার্যক্রমের যৌথ আয়োজক বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) ও স্পেস অ্যাপস বাংলাদেশ।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারস্থ বেসিস মিলনায়তনে ‘স্পেস অ্যাপস প্রজেক্ট অ্যাক্সিলারেটর’ শীর্ষক কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত জানাতে আয়োজিত এক ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে এসব কথা জানান আয়োজকরা।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। তিনি বলেন, নাসা স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জসহ অন্যান্য আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় আমাদের দেশের তরুণরা ইতিমধ্যেই ভালো করছে। বেসিস ও স্পেস অ্যাপস বাংলাদেশের এই উদ্যোগ অনেক ভালো প্রকল্প তুলে আনবে বলে প্রত্যাশা করি। আইসিটি ডিভিশন এ বিষয়ে সর্বোচ্চ সহযোগিতা দেবে। এই প্রোগ্রামের ভালো প্রকল্পগুলোকে আইসিটি ডিভিশনের কানেক্টিং স্টার্টআপ, ইনোভেশন প্রজেক্টসহ বিভিন্ন প্রকল্প সহায়তায় যুক্ত করা হবে। আশাকরি শুধু নাসার প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হওয়া নয়, বিশ্বজয়ী অ্যাপস, সফটওয়্যার বাংলাদেশেই তৈরি হবে।

বেসিসের সভাপতি মোস্তাফা জব্বার বলেন, দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতে কাজ হয়েছে কিন্তু সেখানে বেসিস নেই, এমন বিষয় খুঁজে পাওয়া যাবে না। সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নসহ তথ্যপ্রযুক্তি খাতের যেসব লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে তা অবশ্যই বাস্তবায়নযোগ্য। আর এগুলো বাস্তবায়নে সরকারের সাথে যৌথভাবে কাজ করছে বেসিস। তেমনইভাবে নতুন এই উদ্যোগ সরকারি-বেসরকারি যৌথ সহযোগিতায় এগিয়ে যাবে। দেশের ৬৫ শতাংশের বেশি তরুণদের প্রযুক্তির সাথে সম্পৃক্ত করে বাস্তবায়িত হবে তথ্যপ্রযুক্তিতে সমৃদ্ধ ডিজিটাল বাংলাদেশ।

বেসিসের সাবেক সভাপতি ও এফবিসিসিআই পরিচালক শামীম আহসান বলেন, আমাদের তরুণরা নাসাসহ বিশ্বের বড় বড় তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছে। এ ধরণের উদ্যোগের মাধ্যমে তাদের সম্পৃক্ততা আরও বাড়বে। সেদিন আর বেশি দুরে নয়, যেদিন নাসার মতো প্রতিষ্ঠানে প্রধান বিজ্ঞানী একজন বাংলাদেশিই থাকবে। দেশে এমন উদ্যোগ তৈরি হবে যা শুধু বাংলাদেশেই নয়, ফেইসবুক-গুগলের মতো সারাবিশ্বে সাড়া ফেলবে।

বেসিসের জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি রাসেল টি আহমেদ বলেন, এ ধরণের উদ্যোগ আমাদের তরুণদের এক অনন্য উচ্চতায় যেতে সহায়তা করবে। আমরা প্রত্যাশা করি এগুলোর ধারাবাহিকতা থাকবে। পাশাপাশি বেসিস সবসময় এ ধরণের উদ্যোগে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবে।

এই কার্যক্রমের অ্যাকাডেমি পার্টনার ও ড্যাফোডিল গ্রুপের চেয়ারম্যান সবুর খান বলেন, বেসিসের আয়োজনে নাসা স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জ প্রতিযোগিতার প্রথম থেকেই বেসিসের সাথে আছে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি। নতুন এই উদ্যোগেও সরাসরি সম্পৃক্ত থাকছে প্রতিষ্ঠানটি। আমরা স্পেস অ্যাপস প্রজেক্ট অ্যাক্সিলারেটর প্রোগ্রামের জন্য অত্যাধুনিক ল্যাব তৈরি করছি। যেখানে প্রবেশ করলেই নাসার কার্যালয়ে প্রবেশ করেছেন কিংবা এক ভিন্ন জগতে আছেন বলে মনে হবে।

স্পেস অ্যাপস বাংলাদেশের প্রধান আরিফুল হাসান অপু জানান, ‘স্পেস অ্যাপস প্রজেক্ট অ্যাক্সিলারেটর’ শীর্ষক কার্যক্রমের আওতায় প্রাথমিকভাবে সারাদেশ থেকে সেরা চারটি দল নির্বাচন করে তাদেরকে গবেষণাগার, মেন্টরিং, প্রকল্পের ভবিষ্যৎ বাণিজ্যিক কর্মপদ্ধতি স¤পর্কে ধারনা দেয়াসহ বিভিন্ন সহযোগিতা করা হবে। এছাড়া মহাকাশ ও অন্যান্য গবেষণা স¤পর্কিত যেকোনো তথ্য সরবরাহ করবে নাসা। প্রথমিকভাবে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে অত্যাধুনিক ল্যাব প্রতিষ্ঠা করে এই কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। পরবর্তীতে সারাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে এই কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে।

বেসিসের সভাপতি মোস্তাফা জব্বারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বেসিসের সাবেক সভাপতি ও এফবিসিসিআই পরিচালক শামীম আহসান। অতিথি হিসেবে ছিলেন বেসিসের জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি রাসেল টি আহমেদ এবং এই কার্যক্রমের অ্যাকাডেমি পার্টনার ও ড্যাফোডিল গ্রুপের চেয়ারম্যান সবুর খান।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন স্পেস অ্যাপস বাংলাদেশের প্রধান আরিফুল হাসান অপু। এছাড়া বেসিসের সহ-সভাপতি এম রাশিদুল হাসান, পরিচালক উত্তম কুমার পাল, রিয়াদ এস এ হোসেনসহ কার্যনির্বাহী পরিষদের নেতৃবৃন্দ ও প্রতিযোগিতার সহযোগি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

যারা এই কার্যক্রমে তাদের প্রকল্প যুক্ত করতে আগ্রহী তাদেরকে আগামী ৩১ আগস্ট ২০১৬ এর মধ্যে স্পেস অ্যাপস বাংলাদেশের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট । এই আয়োজনের সার্বিক সহযোগিতায় রয়েছে স্টুডেন্ট ইনোভেশন ফোরাম। এছাড়া প্লাটিনাম পৃষ্ঠপোষক হিসেবে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, গোল্ড পৃষ্ঠপোষক হিসেবে রয়েছে প্রিজম ইআরপি এবং অ্যাকাডেমিক পার্টনার হিসেবে রয়েছে ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ ও ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

মালয়েশিয়ায় বেসরকারি খাতে ৬৮ হাজারের বেশি প্রতিবন্ধী চাকরিপ্রার্থী নিয়োগ

বাংলাদেশে নাসা স্পেস অ্যাপস প্রজেক্ট অ্যাক্সিলারেটর কার্যক্রম শুরু

আপডেট টাইম : ০৫:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ অগাস্ট ২০১৬

মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা’র আয়োজনে প্রতিবছর অনুষ্ঠিত হয় বিশ্বের সর্ববৃহৎ হ্যাকাথন প্রতিযোগিতা ‘নাসা স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জ’। এই প্রতিযোগিতায় সারাবিশ্ব থেকে কয়েক হাজার মহাকাশ বিজ্ঞানী, প্রযুক্তিবিদসহ বিভিন্ন দেশের প্রতিযোগিরা অংশগ্রহণ করেন।

প্রতিযোগিটাতিতে সহযোগিতা ও দিকনির্দেশনার অভাবে প্রতিযোগীদের সম্ভাবনাময় প্রজেক্টগুলো যেন অস¤পূর্ণ না থাকে, সেই লক্ষ্যে ‘স্পেস অ্যাপস প্রজেক্ট অ্যাক্সিলারেটর’ শীর্ষক কার্যক্রমের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। বাংলাদেশে এই কার্যক্রমের যৌথ আয়োজক বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) ও স্পেস অ্যাপস বাংলাদেশ।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারস্থ বেসিস মিলনায়তনে ‘স্পেস অ্যাপস প্রজেক্ট অ্যাক্সিলারেটর’ শীর্ষক কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত জানাতে আয়োজিত এক ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে এসব কথা জানান আয়োজকরা।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। তিনি বলেন, নাসা স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জসহ অন্যান্য আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় আমাদের দেশের তরুণরা ইতিমধ্যেই ভালো করছে। বেসিস ও স্পেস অ্যাপস বাংলাদেশের এই উদ্যোগ অনেক ভালো প্রকল্প তুলে আনবে বলে প্রত্যাশা করি। আইসিটি ডিভিশন এ বিষয়ে সর্বোচ্চ সহযোগিতা দেবে। এই প্রোগ্রামের ভালো প্রকল্পগুলোকে আইসিটি ডিভিশনের কানেক্টিং স্টার্টআপ, ইনোভেশন প্রজেক্টসহ বিভিন্ন প্রকল্প সহায়তায় যুক্ত করা হবে। আশাকরি শুধু নাসার প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হওয়া নয়, বিশ্বজয়ী অ্যাপস, সফটওয়্যার বাংলাদেশেই তৈরি হবে।

বেসিসের সভাপতি মোস্তাফা জব্বার বলেন, দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতে কাজ হয়েছে কিন্তু সেখানে বেসিস নেই, এমন বিষয় খুঁজে পাওয়া যাবে না। সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নসহ তথ্যপ্রযুক্তি খাতের যেসব লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে তা অবশ্যই বাস্তবায়নযোগ্য। আর এগুলো বাস্তবায়নে সরকারের সাথে যৌথভাবে কাজ করছে বেসিস। তেমনইভাবে নতুন এই উদ্যোগ সরকারি-বেসরকারি যৌথ সহযোগিতায় এগিয়ে যাবে। দেশের ৬৫ শতাংশের বেশি তরুণদের প্রযুক্তির সাথে সম্পৃক্ত করে বাস্তবায়িত হবে তথ্যপ্রযুক্তিতে সমৃদ্ধ ডিজিটাল বাংলাদেশ।

বেসিসের সাবেক সভাপতি ও এফবিসিসিআই পরিচালক শামীম আহসান বলেন, আমাদের তরুণরা নাসাসহ বিশ্বের বড় বড় তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছে। এ ধরণের উদ্যোগের মাধ্যমে তাদের সম্পৃক্ততা আরও বাড়বে। সেদিন আর বেশি দুরে নয়, যেদিন নাসার মতো প্রতিষ্ঠানে প্রধান বিজ্ঞানী একজন বাংলাদেশিই থাকবে। দেশে এমন উদ্যোগ তৈরি হবে যা শুধু বাংলাদেশেই নয়, ফেইসবুক-গুগলের মতো সারাবিশ্বে সাড়া ফেলবে।

বেসিসের জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি রাসেল টি আহমেদ বলেন, এ ধরণের উদ্যোগ আমাদের তরুণদের এক অনন্য উচ্চতায় যেতে সহায়তা করবে। আমরা প্রত্যাশা করি এগুলোর ধারাবাহিকতা থাকবে। পাশাপাশি বেসিস সবসময় এ ধরণের উদ্যোগে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবে।

এই কার্যক্রমের অ্যাকাডেমি পার্টনার ও ড্যাফোডিল গ্রুপের চেয়ারম্যান সবুর খান বলেন, বেসিসের আয়োজনে নাসা স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জ প্রতিযোগিতার প্রথম থেকেই বেসিসের সাথে আছে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি। নতুন এই উদ্যোগেও সরাসরি সম্পৃক্ত থাকছে প্রতিষ্ঠানটি। আমরা স্পেস অ্যাপস প্রজেক্ট অ্যাক্সিলারেটর প্রোগ্রামের জন্য অত্যাধুনিক ল্যাব তৈরি করছি। যেখানে প্রবেশ করলেই নাসার কার্যালয়ে প্রবেশ করেছেন কিংবা এক ভিন্ন জগতে আছেন বলে মনে হবে।

স্পেস অ্যাপস বাংলাদেশের প্রধান আরিফুল হাসান অপু জানান, ‘স্পেস অ্যাপস প্রজেক্ট অ্যাক্সিলারেটর’ শীর্ষক কার্যক্রমের আওতায় প্রাথমিকভাবে সারাদেশ থেকে সেরা চারটি দল নির্বাচন করে তাদেরকে গবেষণাগার, মেন্টরিং, প্রকল্পের ভবিষ্যৎ বাণিজ্যিক কর্মপদ্ধতি স¤পর্কে ধারনা দেয়াসহ বিভিন্ন সহযোগিতা করা হবে। এছাড়া মহাকাশ ও অন্যান্য গবেষণা স¤পর্কিত যেকোনো তথ্য সরবরাহ করবে নাসা। প্রথমিকভাবে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে অত্যাধুনিক ল্যাব প্রতিষ্ঠা করে এই কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। পরবর্তীতে সারাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে এই কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে।

বেসিসের সভাপতি মোস্তাফা জব্বারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বেসিসের সাবেক সভাপতি ও এফবিসিসিআই পরিচালক শামীম আহসান। অতিথি হিসেবে ছিলেন বেসিসের জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি রাসেল টি আহমেদ এবং এই কার্যক্রমের অ্যাকাডেমি পার্টনার ও ড্যাফোডিল গ্রুপের চেয়ারম্যান সবুর খান।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন স্পেস অ্যাপস বাংলাদেশের প্রধান আরিফুল হাসান অপু। এছাড়া বেসিসের সহ-সভাপতি এম রাশিদুল হাসান, পরিচালক উত্তম কুমার পাল, রিয়াদ এস এ হোসেনসহ কার্যনির্বাহী পরিষদের নেতৃবৃন্দ ও প্রতিযোগিতার সহযোগি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

যারা এই কার্যক্রমে তাদের প্রকল্প যুক্ত করতে আগ্রহী তাদেরকে আগামী ৩১ আগস্ট ২০১৬ এর মধ্যে স্পেস অ্যাপস বাংলাদেশের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট । এই আয়োজনের সার্বিক সহযোগিতায় রয়েছে স্টুডেন্ট ইনোভেশন ফোরাম। এছাড়া প্লাটিনাম পৃষ্ঠপোষক হিসেবে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, গোল্ড পৃষ্ঠপোষক হিসেবে রয়েছে প্রিজম ইআরপি এবং অ্যাকাডেমিক পার্টনার হিসেবে রয়েছে ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ ও ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি।