ঢাকা , রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নজিরবিহীন শান্তিপূর্ণ দুর্গাপূজা নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রশংসায় ভারতীয় গণমাধ্যম তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনে ‘ভাইস প্রেসিডেন্ট’ পদ সৃষ্টির প্রস্তাব এসেছে মঈন খানকে হাসপাতালে দেখতে গেলেন মির্জা আব্বাস সৃজনশীল শিল্পকে মূলধারার অর্থনীতিতে পরিণত করতে চায় সরকার : অর্থমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতায় নতুন গতির আশা টোকিওর সমাজে শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষায় ইমাম সমাজ সর্বদাই অগ্রণী ভূমিকা পালন করছেন: জাতীয় ইমাম সম্মেলনে ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদ মাদ্রাসা শিক্ষককে চড় মারা রুমিকে গ্রেপ্তার করতে চায় পুলিশ এইচএসসির ফল প্রকাশ ২৯ অক্টোবর সরাইলের ঘটনায় মামলা হলে আমাকেই যেন প্রধান আসামি করা হয় ১১ জেলের কাছ থেকে উদ্ধার ৬০ কেজি ইলিশ এতিমখানায় বিতরণ

সংসদে জেলা পরিষদ বিল উত্থাপন

নির্বাচিত কোনো জনপ্রতিনিধি পদে থেকে জেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন না। নির্বাচন করার জন্য তাকে পদত্যাগ করতে হবে। আর নির্বাচিত জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কিংবা সদস্যের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলার চার্জশিট গৃহীত হলে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করতে পারবে মন্ত্রণালয়।

এমন বিধান রেখে মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে ‘জেলা পরিষদ (সংশোধন) আইন-২০১৬’ উত্থাপন করা হয়েছে।

বিকেলে সংসদ অধিবেশন শুরু হলে বিলটি উত্থাপন করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন।

বিরোধীদলীয় সদস্য ফখরুল ইমাম বিলটিতে আপত্তি জানালে তা কণ্ঠভোটে নাকচ হয়ে যায়। পরে বিলটি অধিকতর পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়। কমিটিকে একদিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

বিলে বলা হয়েছে, জেলা পরিষদ হবে ২১ সদস্যের। যার মধ্যে একজন চেয়ারম্যান, ১৫ জন সদস্য ও ৫ জন সংরক্ষিত মহিলা সদস্য থাকবেন। সিটি করপোরেশনের মেয়র ও কাউন্সিলর, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান, পৌরসভার মেয়র ও কাউন্সিলর এবং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের ভোটে তারা নির্বাচিত হবেন।

আয়তন ও জনসংখ্যার ভিত্তিতে জেলা পরিষদকে ১৫টি ভাগ করা হয়েছে। এক ভাগে একজন করে সদস্য ও প্রতি তিনটি ভাগে একজন করে সদস্য সংরক্ষিত আসন বিবেচনায় নির্বাচিত হবেন।

বিলে বলা হয়েছে, জেলা পরিষদের নির্বাহী ক্ষমতা থাকবে চেয়ারম্যানের কাছে। তবে তার অনুপস্থিতিতে কাউন্সিলরদের মধ্যে থেকে একজন কিংবা সরকারি কর্মকর্তারাও চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করতে পারবেন। সরকার গেজেট করে সরকারি কোনো কর্মকর্তাকেও এ দায়িত্ব দিতে পারবে।

গত ২৯ আগস্ট জেলা পরিষদ (সংশোধন) বিল অনুমোদন করে মন্ত্রিসভা। সংসদের চলতি অধিবেশনেই বিলটি পাস হওয়ার কথা রয়েছে। আইন পাসের পর ডিসেম্বর মাসে জেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের ঘোষণা দিয়ে রেখেছে সরকার। নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যে এ আইনের অধীন নির্বাচনী বিধিমালা তৈরির কাজও শুরু করেছে। দেশের ৬১টি জেলা পরিষদের সীমানা নির্ধারণের কাজও শেষ হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

নজিরবিহীন শান্তিপূর্ণ দুর্গাপূজা নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রশংসায় ভারতীয় গণমাধ্যম

সংসদে জেলা পরিষদ বিল উত্থাপন

আপডেট টাইম : ০৫:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অক্টোবর ২০১৬

নির্বাচিত কোনো জনপ্রতিনিধি পদে থেকে জেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন না। নির্বাচন করার জন্য তাকে পদত্যাগ করতে হবে। আর নির্বাচিত জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কিংবা সদস্যের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলার চার্জশিট গৃহীত হলে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করতে পারবে মন্ত্রণালয়।

এমন বিধান রেখে মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে ‘জেলা পরিষদ (সংশোধন) আইন-২০১৬’ উত্থাপন করা হয়েছে।

বিকেলে সংসদ অধিবেশন শুরু হলে বিলটি উত্থাপন করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন।

বিরোধীদলীয় সদস্য ফখরুল ইমাম বিলটিতে আপত্তি জানালে তা কণ্ঠভোটে নাকচ হয়ে যায়। পরে বিলটি অধিকতর পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়। কমিটিকে একদিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

বিলে বলা হয়েছে, জেলা পরিষদ হবে ২১ সদস্যের। যার মধ্যে একজন চেয়ারম্যান, ১৫ জন সদস্য ও ৫ জন সংরক্ষিত মহিলা সদস্য থাকবেন। সিটি করপোরেশনের মেয়র ও কাউন্সিলর, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান, পৌরসভার মেয়র ও কাউন্সিলর এবং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের ভোটে তারা নির্বাচিত হবেন।

আয়তন ও জনসংখ্যার ভিত্তিতে জেলা পরিষদকে ১৫টি ভাগ করা হয়েছে। এক ভাগে একজন করে সদস্য ও প্রতি তিনটি ভাগে একজন করে সদস্য সংরক্ষিত আসন বিবেচনায় নির্বাচিত হবেন।

বিলে বলা হয়েছে, জেলা পরিষদের নির্বাহী ক্ষমতা থাকবে চেয়ারম্যানের কাছে। তবে তার অনুপস্থিতিতে কাউন্সিলরদের মধ্যে থেকে একজন কিংবা সরকারি কর্মকর্তারাও চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করতে পারবেন। সরকার গেজেট করে সরকারি কোনো কর্মকর্তাকেও এ দায়িত্ব দিতে পারবে।

গত ২৯ আগস্ট জেলা পরিষদ (সংশোধন) বিল অনুমোদন করে মন্ত্রিসভা। সংসদের চলতি অধিবেশনেই বিলটি পাস হওয়ার কথা রয়েছে। আইন পাসের পর ডিসেম্বর মাসে জেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের ঘোষণা দিয়ে রেখেছে সরকার। নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যে এ আইনের অধীন নির্বাচনী বিধিমালা তৈরির কাজও শুরু করেছে। দেশের ৬১টি জেলা পরিষদের সীমানা নির্ধারণের কাজও শেষ হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।