আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জনপ্রশাসনমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন, অতীতের মতো আওয়ামী লীগের এবারের জাতীয় কাউন্সিলও হবে ঐতিহাসিক ও উৎসবমুখর। কাউন্সিলে রাজনৈতিক দিকনির্দেশনার ক্ষেত্রে যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
বুধবার বিকেলে রাজধানীর বসুন্ধরা কনভেনশন সেন্টারে ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় রাখা বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি এ কে এম রহমত উল্লাহ।
সৈয়দ আশরাফ বলেন, আওয়ামী লীগের সম্মেলন সব সময় বিশাল হয় এবং সারা জাতিকে নাড়া দেয়। এবার আরও উৎসবমুখর পরিবেশে এই সম্মেলন করার প্রস্তুতি নিচ্ছি।
তিনি বলেন, পাকিস্তান আমলে আওয়ামী লীগের কাউন্সিলের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত হয়েছিল বাংলাদেশকে স্বাধীন করা হবে। সেই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হয়েছিল। আশা করি এবারের সম্মেলনও ঐতিহাসিক হবে। এই সম্মেলনেও একটা যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।
বর্ধিত সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, আওয়ামী লীগের ২০তম সম্মেলনের মাধ্যমে যে কমিটি নির্বাচিত হবে, তারাই আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যন্ত থাকবে। আশা করি, ওই নির্বাচনেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আবার নির্বাচিত হবেন। কারণ, শেখ হাসিনার বিকল্প কেবল শেখ হাসিনা।
সভায় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ বলেন, ‘এই সম্মেলন নিয়ে আমাদের মধ্যে যেমন আগ্রহ আছে, ঠিক তেমনি সারা দেশের মানুষের মধ্যেও আগ্রহ আছে। কিন্তু ষড়যন্ত্রকারীরা বসে নেই। যারা সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে ব্যর্থ করতে ষড়যন্ত্র করেছে, তারা কিন্তু বসে নেই।
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র ও মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা আনিসুল হক বলেন, ‘আওয়ামী লীগের সম্মেলন উপলক্ষে একটা নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সম্মেলনের যে বিলবোর্ড লাগানো হবে, তাতে জাতির পিতা এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি দিতে হবে। কোনো নেতা নিজের ছবি দিতে পারবেন না। আমি মনে করি, এর কারণে ঢাকা শহর অনেক সুন্দর হয়ে যাবে।’
সভায় আরো বক্তব্য রাখেন ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি এ কে এম রহমত উল্লাহ, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ফারুক খান, ঢাকা মহানগর উত্তরের সাধারণ সম্পাদক সাদেক খান প্রমুখ।

বাঙ্গালী কণ্ঠ ডেস্ক 

























