ঢাকা , বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিলের ঘাসে লেখা জীবন সংসদ অধিবেশনেও দায়িত্বে সচেতন, পত্রিকায় চোখ প্রধানমন্ত্রীর জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ অন্তর্বর্তী সরকারের অন্তহীন প্রতারণার দলিল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শেরপুরের গারো পাহাড়ে কফি চাষে নতুন বিপ্লব: ভাগ্য বদলের স্বপ্নে বিভোর কৃষকরা মধ্যপ্রাচ্যে হামলার জন্য ঘাঁটি ব্যবহারে যুক্তরাষ্ট্রকে নিষেধাজ্ঞা ইতালির আমিও ক্ষুদ্র একটি শহীদ পরিবারের সন্তান: জামায়াত আমির ড. ইউনূসকে বই উপহার দিলেন ছাত্রদল নেতা আবিদ ৩ দিন অনলাইন-অফলাইন ক্লাসের প্রস্তাব যাচ্ছে মন্ত্রিসভায় হজের আন্তর্জাতিক ফ্লাইট শুরু ১৮ এপ্রিল ইরান যুদ্ধ থামাতে চীন ও পাকিস্তানের পাঁচ দফা পরিকল্পনা ঘোষণা

জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ অন্তর্বর্তী সরকারের অন্তহীন প্রতারণার দলিল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ অন্তর্বর্তী সরকারের অন্তহীন প্রতারণার দলিল।

বিএনপি সংস্কার চায় না এবং জুলাই জাতীয় সনদ মানে না বলে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হচ্ছে। জুলাই সনদের প্রতিটি বাক্য আমরা ধারণ করি। এটি ঐতিহাসিক রাজনৈতিক দলিল। ১৯৭৩ সালের ৭ এপ্রিল থেকে রাষ্ট্রপতির আদেশ জারির ক্ষমতা রহিত করা রয়েছে। তিনি কোনো আদেশ দ্বারা সার্বভৌম সংসদের ক্ষমতা হ্রাস করতে পারেন না।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) জাতীয় সংসদে ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫’ শীর্ষক বিষয়ে নির্ধারিত আলোচনায় অংশ নিয়ে এ কথা বলেন তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আর্টিকেল ৭২ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি সংসদ অধিবেশন ডেকেছেন। উপদেষ্টা হিসেবে যখন শপথ নিয়েছেন তখন সংবিধান এবং রাষ্ট্রপতি ভালো ছিলেন। আদেশটা বৈধ আইন না।

সংবিধানের চতুর্থ তফশিলের ধারা ১৭/২ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির আদেশ জারির ক্ষমতা নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, আদেশের জন্মই বৈধ হলো না। এই আদেশটা নিউট্রাল জেন্ডার। জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ অন্তর্বর্তী সরকারের অন্তহীন প্রতারণার দলিল।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিএনপি সংস্কার চায় না এবং জুলাই জাতীয় সনদ মানে না বলে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হচ্ছে। জুলাই সনদের প্রতিটি বাক্য আমরা ধারণ করি। এটি ঐতিহাসিক রাজনৈতিক দলিল। ১৯৭৩ সালের ৭ এপ্রিল থেকে রাষ্ট্রপতির আদেশ জারির ক্ষমতা রহিত করা রয়েছে। তিনি কোনো আদেশ দ্বারা সার্বভৌম সংসদের ক্ষমতা হ্রাস করতে পারেন না।

তিনি বলেন, জনরায়কে সম্মান করতে হবে। কিন্তু এই ৭০ শতাংশ মানুষের তো সমর্থন দেওয়ার কথা ছিল জুলাই সনদের পক্ষে হ্যাঁ বা না বলার। এ আদেশ এখতিয়ার বহির্ভূত। অধ্যাদেশের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি সার্বিভৌম ক্ষমতাকে খর্ব করেছেন। অন্তর্বতী সরকার সংবিধান লঙ্ঘন করেছে। নোট অব ডিসেন্টসহ প্রশ্ন লিখলেন না, এটি জাতীয় প্রতারণা। চার প্রশ্নের জবাবে একটি উত্তরে কেন বাধ্য করা হলো? আমি রাষ্ট্রপতিকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, আপনি কি আদেশ জারি করতে পারেন? তিনি বলেছিলেন, আমি তো পারি না, আমাকে পারাচ্ছে। রাজ হংসীকে জোর করে সোনার ডিম পাড়ানোর মতো। এখন সেটি অবৈধ ডিম।

সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথের কাগজ সংসদে পাঠানোর এখতিয়ার অন্তর্বর্তী সরকারের ছিল না উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথের কাগজ সংসদ সদস্যদের হাতে কীভাবে গেল, তা সংসদ সচিবের কাছে জানতে চাই।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জনপ্রিয় সংবাদ

বিলের ঘাসে লেখা জীবন

জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ অন্তর্বর্তী সরকারের অন্তহীন প্রতারণার দলিল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেট টাইম : ২ ঘন্টা আগে

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ অন্তর্বর্তী সরকারের অন্তহীন প্রতারণার দলিল।

বিএনপি সংস্কার চায় না এবং জুলাই জাতীয় সনদ মানে না বলে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হচ্ছে। জুলাই সনদের প্রতিটি বাক্য আমরা ধারণ করি। এটি ঐতিহাসিক রাজনৈতিক দলিল। ১৯৭৩ সালের ৭ এপ্রিল থেকে রাষ্ট্রপতির আদেশ জারির ক্ষমতা রহিত করা রয়েছে। তিনি কোনো আদেশ দ্বারা সার্বভৌম সংসদের ক্ষমতা হ্রাস করতে পারেন না।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) জাতীয় সংসদে ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫’ শীর্ষক বিষয়ে নির্ধারিত আলোচনায় অংশ নিয়ে এ কথা বলেন তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আর্টিকেল ৭২ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি সংসদ অধিবেশন ডেকেছেন। উপদেষ্টা হিসেবে যখন শপথ নিয়েছেন তখন সংবিধান এবং রাষ্ট্রপতি ভালো ছিলেন। আদেশটা বৈধ আইন না।

সংবিধানের চতুর্থ তফশিলের ধারা ১৭/২ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির আদেশ জারির ক্ষমতা নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, আদেশের জন্মই বৈধ হলো না। এই আদেশটা নিউট্রাল জেন্ডার। জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ অন্তর্বর্তী সরকারের অন্তহীন প্রতারণার দলিল।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিএনপি সংস্কার চায় না এবং জুলাই জাতীয় সনদ মানে না বলে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হচ্ছে। জুলাই সনদের প্রতিটি বাক্য আমরা ধারণ করি। এটি ঐতিহাসিক রাজনৈতিক দলিল। ১৯৭৩ সালের ৭ এপ্রিল থেকে রাষ্ট্রপতির আদেশ জারির ক্ষমতা রহিত করা রয়েছে। তিনি কোনো আদেশ দ্বারা সার্বভৌম সংসদের ক্ষমতা হ্রাস করতে পারেন না।

তিনি বলেন, জনরায়কে সম্মান করতে হবে। কিন্তু এই ৭০ শতাংশ মানুষের তো সমর্থন দেওয়ার কথা ছিল জুলাই সনদের পক্ষে হ্যাঁ বা না বলার। এ আদেশ এখতিয়ার বহির্ভূত। অধ্যাদেশের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি সার্বিভৌম ক্ষমতাকে খর্ব করেছেন। অন্তর্বতী সরকার সংবিধান লঙ্ঘন করেছে। নোট অব ডিসেন্টসহ প্রশ্ন লিখলেন না, এটি জাতীয় প্রতারণা। চার প্রশ্নের জবাবে একটি উত্তরে কেন বাধ্য করা হলো? আমি রাষ্ট্রপতিকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, আপনি কি আদেশ জারি করতে পারেন? তিনি বলেছিলেন, আমি তো পারি না, আমাকে পারাচ্ছে। রাজ হংসীকে জোর করে সোনার ডিম পাড়ানোর মতো। এখন সেটি অবৈধ ডিম।

সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথের কাগজ সংসদে পাঠানোর এখতিয়ার অন্তর্বর্তী সরকারের ছিল না উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথের কাগজ সংসদ সদস্যদের হাতে কীভাবে গেল, তা সংসদ সচিবের কাছে জানতে চাই।