ঢাকা , বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নঈম নিজাম ও স্ত্রী ফরিদার বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদের মামলা এখানে কাউকে ভয় পেতে আসিনি: হামজা প্রবাসীদের স্বার্থে সরকার কূটনৈতিক চ্যানেলে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালাচ্ছে: প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী শিল্পখাতে সোলারসহ বিকল্প জ্বালানি ব্যবস্থা রাখার তাগিদ রাষ্ট্রপতির ডিএমপিতে ৩ ডিসি বদলি, রদবদল গোয়েন্দা-রমনা ও উত্তরা বিভাগে শেখ হাসিনার ‘৪০০ কোটির পিয়ন’ জাহাঙ্গীরের ফ্ল্যাট সাম্রাজ্য এখন কার হাতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গেটস ফাউন্ডেশনের সিইও মার্ক সুজম্যানের বৈঠক কমেছে সম্পদ, তবু ভারতের ‘সবচেয়ে ধনী’ অভিনেতা শাহরুখ এবার বাড়ল লঞ্চ ভাড়া সেই বিউটি পাল এবার পাচ্ছেন ‘গুণী শিক্ষক সম্মাননা’

ঢাকা-১০ আসনে আ.লীগের আবার তাপস

বাঙালি কণ্ঠ ডেস্কঃ  দেশের যে কিছু আসনে এখন পর্যন্ত আওয়ামী লীগের একজনের বেশি প্রার্থীর নাম শোনা যাচ্ছে না, তার একটি ঢাকা-১০ (ধানমন্ডি-জিগাতলা)। বর্তমান সংসদ সদস্য যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা শেখ ফজলুল হক মনির ছেলে শেখ ফজলে নূর তাপস ছাড়া আওয়ামী লীগে অন্য কারও নাম আলোচনায় নেই

২০০৯ সালের ২৯ ডিসেম্বরের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের টিকিটে প্রথমবারের মত সংসদ সদস্য নির্বাচিত শেখ ফজলে নূর তাপস। এ নির্বাচনে তিনি পরাজিত করেন বিএনপির শক্তিশালী প্রার্থী খন্দকার মাহবুব উদ্দিন আহমেদকে। এরপর ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির দশম সংসদ নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পূর্ননির্বাচিত হন তাপস।

সুদর্শন এই সংসদ সদস্য আইনজীবী হিসেবেই সুপরিচিত। তিনি অনেকটা ভিন্ন ধাঁচে রাজনীতি করেন। বিশেষ করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সামাজিক বিভিন্ন সংগঠনের সেবামূলক কর্মসূচিতে তিনি নিয়মিত উপস্থিত থাকেন।

দুই মেয়াদ ধরে সংসদ সদস্য থাকা তাপসকে নিয়ে দলের ভেতরে বাইরে কোনো বিতর্ক উঠেনি। আর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাগ্নে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক শেখ ফজলুল হক মনির বড় সন্তান হওয়ায় তার প্রতি আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের সহানুভূতি রয়েছে। আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও তাকে বেশ স্নেহ করেন।

১৯৭৫ সালের ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ভয়াল রাতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার দিন তাপসের বাবা-মা শেখ মণি ও আরজু মনিকেও হত্যা করে খুনিরা। সেই সময়ের স্কুল ছাত্র তাপস রাজনীতিতে আসার পরেই তাকে স্বাগত জানায় আওয়ামী লীগের কর্মীরা।

ফজলে নূর তাপস সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েই ধানমণ্ডি এলাকার উন্নয়নে কাজ করেছেন। এছাড়াও দলীয় নেতাকর্মীদের সুখে-দুঃখে সবসময়ই পাশে থাকেন। দক্ষ, বিচক্ষণ, সাদালাপী হিসেবেও পরিচিত তিনি।

স্থানীয় এলাকার জনগণ জানান, এলাকার অবকাঠামগত উন্নয়নের পাশাপাশি স্কুল, কলেজ, মাদরাসা, মসজিদ, মন্দির, রাস্তা-ঘাট, পয়ঃনিষ্কাশন এবং জলাবদ্ধতা নিরসনে ব্যাপক উন্নয়নের কাজ করেছেন। তাই আগামী নির্বাচনে তার কোন বিকল্প নেই। তিনি আবারও আওয়ামী লীগের প্রার্থী হবেন এটাই আমরা মনে করি।

প্রচার বিমুখ তাপস আদালত চত্বরের গণমাধ্যমের সঙ্গে খুব একটা কথা বলেন না। আগামী সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে প্রস্তুতির বিষয়েও তার বক্তব্য চেয়েও পাওয়া যায়নি।

তবে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী মোর্শেদ কামাল নিশ্চিত করেছেন, এই আসনে তাপস ছাড়া দলের আর কোনো প্রার্থী নেই। তিনি বলেন, ‘২০০৮ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর অতি-অল্পসময়ের মধ্যে দলীয় নেতাকর্মী ছাড়াও ঢাকা-১০ আসনের দলমত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলের মন জয় করতে সমর্থন হয়েছেন শেখ ফজলে নূর তাপস। আগামী নির্বাচনেও তিনি আমাদের প্রার্থী হবেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

নঈম নিজাম ও স্ত্রী ফরিদার বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদের মামলা

ঢাকা-১০ আসনে আ.লীগের আবার তাপস

আপডেট টাইম : ০৭:১১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৮ জুলাই ২০১৭

বাঙালি কণ্ঠ ডেস্কঃ  দেশের যে কিছু আসনে এখন পর্যন্ত আওয়ামী লীগের একজনের বেশি প্রার্থীর নাম শোনা যাচ্ছে না, তার একটি ঢাকা-১০ (ধানমন্ডি-জিগাতলা)। বর্তমান সংসদ সদস্য যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা শেখ ফজলুল হক মনির ছেলে শেখ ফজলে নূর তাপস ছাড়া আওয়ামী লীগে অন্য কারও নাম আলোচনায় নেই

২০০৯ সালের ২৯ ডিসেম্বরের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের টিকিটে প্রথমবারের মত সংসদ সদস্য নির্বাচিত শেখ ফজলে নূর তাপস। এ নির্বাচনে তিনি পরাজিত করেন বিএনপির শক্তিশালী প্রার্থী খন্দকার মাহবুব উদ্দিন আহমেদকে। এরপর ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির দশম সংসদ নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পূর্ননির্বাচিত হন তাপস।

সুদর্শন এই সংসদ সদস্য আইনজীবী হিসেবেই সুপরিচিত। তিনি অনেকটা ভিন্ন ধাঁচে রাজনীতি করেন। বিশেষ করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সামাজিক বিভিন্ন সংগঠনের সেবামূলক কর্মসূচিতে তিনি নিয়মিত উপস্থিত থাকেন।

দুই মেয়াদ ধরে সংসদ সদস্য থাকা তাপসকে নিয়ে দলের ভেতরে বাইরে কোনো বিতর্ক উঠেনি। আর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাগ্নে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক শেখ ফজলুল হক মনির বড় সন্তান হওয়ায় তার প্রতি আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের সহানুভূতি রয়েছে। আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও তাকে বেশ স্নেহ করেন।

১৯৭৫ সালের ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ভয়াল রাতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার দিন তাপসের বাবা-মা শেখ মণি ও আরজু মনিকেও হত্যা করে খুনিরা। সেই সময়ের স্কুল ছাত্র তাপস রাজনীতিতে আসার পরেই তাকে স্বাগত জানায় আওয়ামী লীগের কর্মীরা।

ফজলে নূর তাপস সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েই ধানমণ্ডি এলাকার উন্নয়নে কাজ করেছেন। এছাড়াও দলীয় নেতাকর্মীদের সুখে-দুঃখে সবসময়ই পাশে থাকেন। দক্ষ, বিচক্ষণ, সাদালাপী হিসেবেও পরিচিত তিনি।

স্থানীয় এলাকার জনগণ জানান, এলাকার অবকাঠামগত উন্নয়নের পাশাপাশি স্কুল, কলেজ, মাদরাসা, মসজিদ, মন্দির, রাস্তা-ঘাট, পয়ঃনিষ্কাশন এবং জলাবদ্ধতা নিরসনে ব্যাপক উন্নয়নের কাজ করেছেন। তাই আগামী নির্বাচনে তার কোন বিকল্প নেই। তিনি আবারও আওয়ামী লীগের প্রার্থী হবেন এটাই আমরা মনে করি।

প্রচার বিমুখ তাপস আদালত চত্বরের গণমাধ্যমের সঙ্গে খুব একটা কথা বলেন না। আগামী সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে প্রস্তুতির বিষয়েও তার বক্তব্য চেয়েও পাওয়া যায়নি।

তবে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী মোর্শেদ কামাল নিশ্চিত করেছেন, এই আসনে তাপস ছাড়া দলের আর কোনো প্রার্থী নেই। তিনি বলেন, ‘২০০৮ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর অতি-অল্পসময়ের মধ্যে দলীয় নেতাকর্মী ছাড়াও ঢাকা-১০ আসনের দলমত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলের মন জয় করতে সমর্থন হয়েছেন শেখ ফজলে নূর তাপস। আগামী নির্বাচনেও তিনি আমাদের প্রার্থী হবেন।