ঢাকা , বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নঈম নিজাম ও স্ত্রী ফরিদার বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদের মামলা এখানে কাউকে ভয় পেতে আসিনি: হামজা প্রবাসীদের স্বার্থে সরকার কূটনৈতিক চ্যানেলে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালাচ্ছে: প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী শিল্পখাতে সোলারসহ বিকল্প জ্বালানি ব্যবস্থা রাখার তাগিদ রাষ্ট্রপতির ডিএমপিতে ৩ ডিসি বদলি, রদবদল গোয়েন্দা-রমনা ও উত্তরা বিভাগে শেখ হাসিনার ‘৪০০ কোটির পিয়ন’ জাহাঙ্গীরের ফ্ল্যাট সাম্রাজ্য এখন কার হাতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গেটস ফাউন্ডেশনের সিইও মার্ক সুজম্যানের বৈঠক কমেছে সম্পদ, তবু ভারতের ‘সবচেয়ে ধনী’ অভিনেতা শাহরুখ এবার বাড়ল লঞ্চ ভাড়া সেই বিউটি পাল এবার পাচ্ছেন ‘গুণী শিক্ষক সম্মাননা’

কৃষিপণ্য রপ্তানিতে আয় ৪ হাজার ৪৭৭ কোটি টাকা

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ সদ্য সমাপ্ত ২০১৬-১৭ অর্থবছরে কৃষিপণ্য রপ্তানিতে আয় হয়েছে ৫৫ কোটি ৩১ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার বা প্রায় ৪ হাজার ৪৭৭ কোটি টাকা; যা এই সময়ের লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ৯ দশমিক ০২ শতাংশ কম। একইসঙ্গে এর আগের ২০১৫-১৬ অর্থবছরে এই খাতে বৈদেশিক আয়ের তুলনায় এই খাতের আয় ৭ দশমিক ২০ শতাংশ কম।

বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) জুলাই মাসে প্রকাশিত হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। এতে আরও জানানো হয়েছে, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে কৃষিপণ্য রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ৫৯ কোটি ৬০ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার। চলতি ২০১৬-১৭ অর্থবছরে এ খাতে রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬০ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার। ২০১৬-১৭ অর্থবছরের শেষ মাসে অর্থাৎ গত জুন মাসে কৃষিপণ্য রপ্তানিতে আয় হয়েছে ৩ কোটি ৭৪ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার বা প্রায় ৩০৪ কোটি টাকা।

tea_garden

২০১৬-১৭ অর্থবছরে চা রপ্তানিতে আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ১৫ লাখ মার্কিন ডলার। এর বিপরীতে আয় হয়েছে ৪৪ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার; যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১৯৮ শতাংশ বেশি। একইসঙ্গে ২০১৫-১৬ অর্থবছরের তুলনায় এই খাতের আয় ১৪৪ দশমিক ২৬ শতাংশ বেড়েছে; আগের অর্থবছরে চা রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ১৮ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার।

সমাপ্ত অর্থবছরে সবজি রপ্তানিতে ৯ কোটি মার্কিন ডলার আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও এই সময়ে আয় হয়েছে ৮ কোটি ১০ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার; যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৯ দশমিক ৯৭ শতাংশ কম। একইসঙ্গে এর আগের অর্থবছরের তুলনায় এই খাতের রপ্তানি আয় ২২ দশমিক ৩৪ শতাংশ কমেছে। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে সবজি রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ১০ কোটি ৪৩ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার।

২০১৬-১৭ অর্থবছরে তামাকজাত পণ্য রপ্তানিতে আয় হয়েছে ৪ কোটি ৬৬ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার; যা এই সময়ের রপ্তানি আয় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১৬ দশমিক ৭৫ শতাংশ কম। আগের অর্থবছরের তুলনায় এই খাতের আয় ১৫ দশমিক ২১ শতাংশ কমেছে। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে তামাক ও তামাকজাত পণ্য রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ৫ কোটি ৪৯ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার।

২০১৬-১৭ অর্থবছরে ফল রপ্তানিতে আয় হয়েছে ২৬ লাখ ৯০ হাজার মার্কিন ডলার; যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৮৭ দশমিক ৪৯ শতাংশ এবং আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৮৬ দশমিক ৭০ শতাংশ কম। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ফল রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ২ কোটি ২ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার।

আলোচ্য সময়ে মসলা জাতীয় পণ্য রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৩ কোটি ৩০ লাখ মার্কিন ডলার। এই বিপরীতে আয় হয়েছে ৩ কোটি ৪৯ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার; যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৫ দশমিক ৯১ শতাংশ বেশি। আগের অর্থবছরের তুলনায় এই খাতের আয় ২০ দশমিক ২৭ শতাংশ বেড়েছে। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে মসলা জাতীয় পণ্য রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ২ কোটি ২ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার।

২০১৬-১৭ অর্থবছরে শুকনো খাবার রপ্তানিতে আয় হয়েছে ১০ কোটি ৯৬ লাখ ১০ হাজার মার্কিন ডলার; যা এই সময়ের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১১ দশমিক ৮৫ শতাংশ বেশি। আগের অর্থবছরের তুলনায় এই খাতের আয় ১৪ দশমিক ১৩ শতাংশ বেড়েছে। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে শুকনো খাবার রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ৯ কোটি ৬০ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার।

সমাপ্ত অর্থবছরে অন্যান্য কৃষিপণ্য রপ্তানিতে আয় হয়েছে ২৭ কোটি ৩৭ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার। যা এই সময়ের লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ৯ দশমিক ৬৬ শতাংশ কম। আগের অর্থবছরের তুলনায় এই খাতের আয় ৩ দশমিক ৯১ শতাংশ কমেছে। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে অন্যান্য কৃষিপণ্য রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ২৮ কোটি ৪৮ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

মাথা নত করব না: জাতিসংঘে ইরানের প্রেসিডেন্ট

কৃষিপণ্য রপ্তানিতে আয় ৪ হাজার ৪৭৭ কোটি টাকা

আপডেট টাইম : ০৫:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ জুলাই ২০১৭

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ সদ্য সমাপ্ত ২০১৬-১৭ অর্থবছরে কৃষিপণ্য রপ্তানিতে আয় হয়েছে ৫৫ কোটি ৩১ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার বা প্রায় ৪ হাজার ৪৭৭ কোটি টাকা; যা এই সময়ের লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ৯ দশমিক ০২ শতাংশ কম। একইসঙ্গে এর আগের ২০১৫-১৬ অর্থবছরে এই খাতে বৈদেশিক আয়ের তুলনায় এই খাতের আয় ৭ দশমিক ২০ শতাংশ কম।

বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) জুলাই মাসে প্রকাশিত হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। এতে আরও জানানো হয়েছে, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে কৃষিপণ্য রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ৫৯ কোটি ৬০ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার। চলতি ২০১৬-১৭ অর্থবছরে এ খাতে রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬০ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার। ২০১৬-১৭ অর্থবছরের শেষ মাসে অর্থাৎ গত জুন মাসে কৃষিপণ্য রপ্তানিতে আয় হয়েছে ৩ কোটি ৭৪ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার বা প্রায় ৩০৪ কোটি টাকা।

tea_garden

২০১৬-১৭ অর্থবছরে চা রপ্তানিতে আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ১৫ লাখ মার্কিন ডলার। এর বিপরীতে আয় হয়েছে ৪৪ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার; যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১৯৮ শতাংশ বেশি। একইসঙ্গে ২০১৫-১৬ অর্থবছরের তুলনায় এই খাতের আয় ১৪৪ দশমিক ২৬ শতাংশ বেড়েছে; আগের অর্থবছরে চা রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ১৮ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার।

সমাপ্ত অর্থবছরে সবজি রপ্তানিতে ৯ কোটি মার্কিন ডলার আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও এই সময়ে আয় হয়েছে ৮ কোটি ১০ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার; যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৯ দশমিক ৯৭ শতাংশ কম। একইসঙ্গে এর আগের অর্থবছরের তুলনায় এই খাতের রপ্তানি আয় ২২ দশমিক ৩৪ শতাংশ কমেছে। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে সবজি রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ১০ কোটি ৪৩ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার।

২০১৬-১৭ অর্থবছরে তামাকজাত পণ্য রপ্তানিতে আয় হয়েছে ৪ কোটি ৬৬ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার; যা এই সময়ের রপ্তানি আয় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১৬ দশমিক ৭৫ শতাংশ কম। আগের অর্থবছরের তুলনায় এই খাতের আয় ১৫ দশমিক ২১ শতাংশ কমেছে। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে তামাক ও তামাকজাত পণ্য রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ৫ কোটি ৪৯ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার।

২০১৬-১৭ অর্থবছরে ফল রপ্তানিতে আয় হয়েছে ২৬ লাখ ৯০ হাজার মার্কিন ডলার; যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৮৭ দশমিক ৪৯ শতাংশ এবং আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৮৬ দশমিক ৭০ শতাংশ কম। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ফল রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ২ কোটি ২ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার।

আলোচ্য সময়ে মসলা জাতীয় পণ্য রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৩ কোটি ৩০ লাখ মার্কিন ডলার। এই বিপরীতে আয় হয়েছে ৩ কোটি ৪৯ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার; যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৫ দশমিক ৯১ শতাংশ বেশি। আগের অর্থবছরের তুলনায় এই খাতের আয় ২০ দশমিক ২৭ শতাংশ বেড়েছে। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে মসলা জাতীয় পণ্য রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ২ কোটি ২ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার।

২০১৬-১৭ অর্থবছরে শুকনো খাবার রপ্তানিতে আয় হয়েছে ১০ কোটি ৯৬ লাখ ১০ হাজার মার্কিন ডলার; যা এই সময়ের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১১ দশমিক ৮৫ শতাংশ বেশি। আগের অর্থবছরের তুলনায় এই খাতের আয় ১৪ দশমিক ১৩ শতাংশ বেড়েছে। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে শুকনো খাবার রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ৯ কোটি ৬০ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার।

সমাপ্ত অর্থবছরে অন্যান্য কৃষিপণ্য রপ্তানিতে আয় হয়েছে ২৭ কোটি ৩৭ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার। যা এই সময়ের লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ৯ দশমিক ৬৬ শতাংশ কম। আগের অর্থবছরের তুলনায় এই খাতের আয় ৩ দশমিক ৯১ শতাংশ কমেছে। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে অন্যান্য কৃষিপণ্য রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ২৮ কোটি ৪৮ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার।