বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ সিলেটের বিশ্বনাথে প্রায় এক মাস ধরে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদবিহীন রয়েছে। খুব শিগগিরই সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হতে পারে এমন খবরে উপজেলা আওয়ামী লীগের গুরুত্বপূর্ণ পদে পেতে দলের নেতাকর্মীদের দৌঁড়ঝাঁপ শুরু হয়েছে। তবে কবে সাধারণ সম্পাদক পদটি নির্বাচিত করা হবে তা এখনো জানা যায়নি। দলের নেতাকর্মীর মতামতের ভিত্তিত্বে না ভোটের মাধ্যমে সাধারণ সম্পাদক নিবার্চিত করা হবে তা জানাযায়নি। নতুন সাধারণ সম্পাদক পদকে ঘিরে নেতাকর্মীদের মাঝে সৃষ্টি হয়েছে প্রাণচাঞ্চল্য। দলের নেতাকর্মীর মধ্যে নানা জল্পকল্পনা কে হচ্ছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক?
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে ওমুক ভাইকে, তমুক ভাইকে সাধারণ সম্পাদক পদে দেখতে চাই দলের নেতাকর্মীরা নিজ নিজ ফেইসবুকে আইডিতে পোস্ট করছেন। এখনো পর্যন্ত উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদে যাদের নাম শোনা যাচ্ছে তারা হলেন- উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম-সম্পাদক মো. আসাদুজ্জামান, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আমির আলী চেয়ারম্যান, আওয়ামী লীগ নেতা আবদুল জলিল, উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক মখদ্দুছ আলী।
জানা গেছে, ২০১৫ সালের ৮ জুন উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে কণ্ঠভোটে পংকি খান সভাপতি ও পুনরায় বাবুল আখতার সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। চলিত বছরের ৮ জুন ওমরা হজ্ব পালনকালে বিশ্বনাথ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বাবুল আখতার মৃত্যুবরণ করেন। এরপর থেকে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বিহীন দলের কর্মকাণ্ড পরিচালিত হচ্ছে। বর্তমানে সভাপতি দিয়েই চলছে বিশ্বনাথ আওয়ামী লীগ।
দলীয় নেতাকর্মী জানান, তৃণমূল নেতাকর্মীর মতামতের ভিত্তিত্বে দলের সাধারণ সম্পাদক পদ নির্বাচিত করতে হবে। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ বির্তক কোনো ব্যক্তিকে এ পদ যেন দেয়া না হয়, সেজন্য তারা দলের শীর্ষস্থানীয় নেতাকর্মীর প্রতি আহ্বান জানান। দলের ত্যাগী নেতাকর্মীকে যেন সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করার জোর দাবি জানান তারা।
উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক মখদ্দুছ আলী বলেন, তৃণমূল আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের আহ্বানে সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী হয়েছে। তবে দল ত্যাগী নেতাকে দেখে মূল্যায়ন করবে বলে আমি আশাবাদী।
উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী দাবি করে সাবেক যুগ্ম-সম্পাদক মো. আসাদুজ্জামান বলেন, র্দীঘদিন ধরে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। তৃণমূল ও জেলা নেতৃবৃন্দ মতামতের ভিত্তিত্বে দল যাকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করবে তাকে মানতে রাজি। তবে কোনো আলোচিত-সমালোচিত ব্যক্তিকে যেন দলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেয়া না হয় সেজন্য তিনি দলের শীর্ষস্থানীয় নেতাকর্মীর প্রতি আহ্বান জানান।
উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আমির আলী চেয়ারম্যান বলেন, ছাত্র রাজনীতি থেকে আওয়ামী লীগের সঙ্গে জড়িত। দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করি। দল যাকে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করব তাকে মেনে নিতে কোনো বাধা নেই। তবে আমি আশাবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হতে পারি।
উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি পংকি খান বলেন, দল যাকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করবে, তাকে সঙ্গে নিয়ে দলকে আরো সু-সংগঠিত করা হবে।

বাঙ্গালী কণ্ঠ ডেস্ক 

























