ঢাকা , রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গাজার যুদ্ধ পরবর্তী পরিকল্পনা মাঠপর্যায়ে চ্যালেঞ্জের মুখে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তা দেবে সরকার: কৃষিমন্ত্রী ভারি বর্ষণ নিয়ে যে বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস প্রাথমিক-মাধ্যমিকে ১৩৩ বই পরিমার্জন, আসছে চার নতুন বই গ্রামাঞ্চলেও সমান গুরুত্ব দিয়ে চিকিৎসাসেবা প্রদানের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর চট্টগ্রামে পানিবন্দি সাড়ে ৪ লাখ মানুষ, তীব্র খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সংকট ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ বিশ্বকাপে ইতিহাস গড়ে ইয়ামাল বললেন, ফ্রান্স যদি কাউকে ভয় পায় সেটা স্পেন নিজেই গাড়ি চালিয়ে স্ত্রীর ক্যাম্পাসে প্রধানমন্ত্রী ইমাম-খতিবদের উদ্দেশে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সতর্কবার্তা অনেকে নিরুৎসাহিত করলেও হাল ছাড়েননি হামিদুল্লাহ, বিক্রি প্রায় ২ লাখ

অকৃষি খাসজমি ব্যবস্থাপনা ও বন্দোবস্তের নীতিমালা

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ ভূমি মন্ত্রণালয়ের ব্যবস্থাধীনে কৃষি ও অকৃষি এই দুই প্রকারের খাসজমি আছে। কুষি খাসজমি বন্দোবস্তের একটি নীতিমালা আছে কিন্তু অকৃষি খাসজমি বন্দোবস্তের কোন নীতিমালা না থাকায় অকৃষি খাসজমি বন্দোবস্ত প্রদান দীর্ঘদিন ধরিয়া বন্ধ আছে। ফলে শহরাঞ্চলে অকৃষি খাসজমি কোন না কোনভাবে প্রভাবশালী মহলের লোক জনের অবৈধ দখলে চলিয়া গিয়াছে এবং তাহারা দখলের সমর্থনে জাল-জালিয়াতের মাধ্যমে কাগজপত্র তৈরি করিয়া আদালত হইতে ডিক্রী লাভ করিতেছেন বা প্রচেষ্টা চালাইতেছেন। তাই অকৃষি খাসজমি বন্দোস্ত সংক্রান্ত একটি সুষ্ঠ নীতিমালা প্রয়োজন। এই নীতিমালায় খাসজমি বলিতে কেবলমাত্র জেলা প্রশাসকের নামে রেকর্ডকৃত সরকারি খাসজমি বুঝাইবে। অন্য কোন সংস্থা বা বিভাগের নামে রেকর্ডকৃত সরকারি জমি বুঝাইবে না। পরিবেশ সংরক্ষণের স্বার্থে বনায়নের জন্য যে সকল জমির প্রয়োজন হইবে তাহা বন আইনের ৪ ধারা অনুযায়ী বনভূমি হিসাবে গেজেট নোটিফিকেশনকৃত জমি এবং আইনের ২৯ ধারা অনুযায়ী ‘রক্ষিত বনভূমি’ হিসাবে ঘোষিত জমি পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে পরামর্শ ছাড়া এই নীতিমালার আওতায় বন্দোবস্ত দেওয়া যাইবে না। অধিকন্ত এই ধরনের কেইস ভূমি মন্ত্রণালয়-এর নিচে কোন পর্যায়ে নিষ্পত্তি করা হইবে না। এই নীতিমালা বাস্তবায়ন করিতে গিয়ে যদি কোথাও কোন জমি সম্পর্কে কোন সরকারি সংস্থা বা বিভাগের সাথে জমি মালিকানা বা দখলগত বিষয়ে কোন অস্পষ্টতা বা দ্বিমত থাকে তাহা হইলে সংশ্লিষ্ট সংস্থা বা বিভাগের সাথে আলোচনা নিষ্পত্তি সাপেক্ষে নীতিমালার আওতায় উক্ত বন্দোবস্তের কার্যক্রম গ্রহণ করা হইবে।

সংজ্ঞাঃ

(ক) অকৃষি খাসজমিঃ দেশের ৪টি মেট্রোপলিটন এলাকা, সকল পৌর এলাকা এবং সকল থানা সদর বর্তমান নীতিমালা অনুযায়ী শহরাঞ্চল হিসাবে বিবেচিত হইবে। এই সকল এলাকাভুক্ত কৃষিযোগ্য খামজমিও অকৃষি খাসজমি হিসাবে বিবেচিত হইবে। ইহার বাহিরে অবস্থিত কৃষিযোগ্য জমি বাদে অন্যান্য সকল জমি অকৃষি খাসজমি হিসাবে বিবেচিত হইবে।

(খ) থানা সদরঃ যে সকল থানা সদরে পৌরসভা আছে সে সকল থানা ক্ষেত্রে পৌরসভা এলাকা এবং অন্যান্য থানা ক্ষেত্রে জেলা প্রশাসক কর্তৃক বিভাগীয় কমিশনারের লিখিত পূর্ব অনুমোদনক্রমে চিহিৃত এলাকাকে থানা সদর এলাকা হিসাবে গণ্য করা হইবে। জেলা প্রশাসকগণ এই নীতিমালা জারির তারিখ হইতে ১৮০ দিনের মধ্যে পৌরসভা নাই এমন সকল থানা সদরের সীমানা চিহিৃত করার কার্য সম্পাদন করিবেন। অবশ্য পরবর্তীতে যদি কোন থানা সদরে পৌরসভা প্রতিষ্ঠা করা হয় তাহা হইলে পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত হওয়ার তারিখ হইতে পৌরসভা এলাকাকেই ঐ থানার থানা সদর হিসাবে বিবেচিত করিতে হইবে।

(গ) বাজারদরঃ প্রচলিত নিয়মে নির্ধারিত মূলকেই বাজারদর হিসেবে গণ্য করা হইবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

গাজার যুদ্ধ পরবর্তী পরিকল্পনা মাঠপর্যায়ে চ্যালেঞ্জের মুখে

অকৃষি খাসজমি ব্যবস্থাপনা ও বন্দোবস্তের নীতিমালা

আপডেট টাইম : ০৬:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ জুলাই ২০১৭

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ ভূমি মন্ত্রণালয়ের ব্যবস্থাধীনে কৃষি ও অকৃষি এই দুই প্রকারের খাসজমি আছে। কুষি খাসজমি বন্দোবস্তের একটি নীতিমালা আছে কিন্তু অকৃষি খাসজমি বন্দোবস্তের কোন নীতিমালা না থাকায় অকৃষি খাসজমি বন্দোবস্ত প্রদান দীর্ঘদিন ধরিয়া বন্ধ আছে। ফলে শহরাঞ্চলে অকৃষি খাসজমি কোন না কোনভাবে প্রভাবশালী মহলের লোক জনের অবৈধ দখলে চলিয়া গিয়াছে এবং তাহারা দখলের সমর্থনে জাল-জালিয়াতের মাধ্যমে কাগজপত্র তৈরি করিয়া আদালত হইতে ডিক্রী লাভ করিতেছেন বা প্রচেষ্টা চালাইতেছেন। তাই অকৃষি খাসজমি বন্দোস্ত সংক্রান্ত একটি সুষ্ঠ নীতিমালা প্রয়োজন। এই নীতিমালায় খাসজমি বলিতে কেবলমাত্র জেলা প্রশাসকের নামে রেকর্ডকৃত সরকারি খাসজমি বুঝাইবে। অন্য কোন সংস্থা বা বিভাগের নামে রেকর্ডকৃত সরকারি জমি বুঝাইবে না। পরিবেশ সংরক্ষণের স্বার্থে বনায়নের জন্য যে সকল জমির প্রয়োজন হইবে তাহা বন আইনের ৪ ধারা অনুযায়ী বনভূমি হিসাবে গেজেট নোটিফিকেশনকৃত জমি এবং আইনের ২৯ ধারা অনুযায়ী ‘রক্ষিত বনভূমি’ হিসাবে ঘোষিত জমি পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে পরামর্শ ছাড়া এই নীতিমালার আওতায় বন্দোবস্ত দেওয়া যাইবে না। অধিকন্ত এই ধরনের কেইস ভূমি মন্ত্রণালয়-এর নিচে কোন পর্যায়ে নিষ্পত্তি করা হইবে না। এই নীতিমালা বাস্তবায়ন করিতে গিয়ে যদি কোথাও কোন জমি সম্পর্কে কোন সরকারি সংস্থা বা বিভাগের সাথে জমি মালিকানা বা দখলগত বিষয়ে কোন অস্পষ্টতা বা দ্বিমত থাকে তাহা হইলে সংশ্লিষ্ট সংস্থা বা বিভাগের সাথে আলোচনা নিষ্পত্তি সাপেক্ষে নীতিমালার আওতায় উক্ত বন্দোবস্তের কার্যক্রম গ্রহণ করা হইবে।

সংজ্ঞাঃ

(ক) অকৃষি খাসজমিঃ দেশের ৪টি মেট্রোপলিটন এলাকা, সকল পৌর এলাকা এবং সকল থানা সদর বর্তমান নীতিমালা অনুযায়ী শহরাঞ্চল হিসাবে বিবেচিত হইবে। এই সকল এলাকাভুক্ত কৃষিযোগ্য খামজমিও অকৃষি খাসজমি হিসাবে বিবেচিত হইবে। ইহার বাহিরে অবস্থিত কৃষিযোগ্য জমি বাদে অন্যান্য সকল জমি অকৃষি খাসজমি হিসাবে বিবেচিত হইবে।

(খ) থানা সদরঃ যে সকল থানা সদরে পৌরসভা আছে সে সকল থানা ক্ষেত্রে পৌরসভা এলাকা এবং অন্যান্য থানা ক্ষেত্রে জেলা প্রশাসক কর্তৃক বিভাগীয় কমিশনারের লিখিত পূর্ব অনুমোদনক্রমে চিহিৃত এলাকাকে থানা সদর এলাকা হিসাবে গণ্য করা হইবে। জেলা প্রশাসকগণ এই নীতিমালা জারির তারিখ হইতে ১৮০ দিনের মধ্যে পৌরসভা নাই এমন সকল থানা সদরের সীমানা চিহিৃত করার কার্য সম্পাদন করিবেন। অবশ্য পরবর্তীতে যদি কোন থানা সদরে পৌরসভা প্রতিষ্ঠা করা হয় তাহা হইলে পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত হওয়ার তারিখ হইতে পৌরসভা এলাকাকেই ঐ থানার থানা সদর হিসাবে বিবেচিত করিতে হইবে।

(গ) বাজারদরঃ প্রচলিত নিয়মে নির্ধারিত মূলকেই বাজারদর হিসেবে গণ্য করা হইবে।