ঢাকা , শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তা দেবে সরকার: কৃষিমন্ত্রী ভারি বর্ষণ নিয়ে যে বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস প্রাথমিক-মাধ্যমিকে ১৩৩ বই পরিমার্জন, আসছে চার নতুন বই গ্রামাঞ্চলেও সমান গুরুত্ব দিয়ে চিকিৎসাসেবা প্রদানের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর চট্টগ্রামে পানিবন্দি সাড়ে ৪ লাখ মানুষ, তীব্র খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সংকট ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ বিশ্বকাপে ইতিহাস গড়ে ইয়ামাল বললেন, ফ্রান্স যদি কাউকে ভয় পায় সেটা স্পেন নিজেই গাড়ি চালিয়ে স্ত্রীর ক্যাম্পাসে প্রধানমন্ত্রী ইমাম-খতিবদের উদ্দেশে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সতর্কবার্তা অনেকে নিরুৎসাহিত করলেও হাল ছাড়েননি হামিদুল্লাহ, বিক্রি প্রায় ২ লাখ বিয়ের অনুমতি নিতেই মোটা টাকা খরচ টেইলর সুইফটের

তিন মাসে প্রবাসী আয় বেড়েছে ১৬ শতাংশ

প্রবাসী আয় বৃদ্ধির গতি আরও বেড়েছে। সর্বশেষ সেপ্টেম্বর মাসে প্রবাসীরা ২৬৮ কোটি ডলারের বেশি রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। এটি একক মাস হিসেবে চলতি অর্থবছরের মধ্যে সর্বোচ্চ এবং আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে প্রায় ২২ শতাংশ বেশি। সব মিলিয়ে চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) প্রবাসী আয় বেড়েছে প্রায় ১৬ শতাংশ। হুন্ডি কমে আসা ও ডলারের বিনিময়হার স্থিতিশীল থাকায় প্রবাসী আয় বাড়ছে বলে জানান বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, গত সেপ্টেম্বর মাসে রেমিট্যান্স এসেছে ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ডলার। এই হিসাবে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৯ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে রেমিট্যান্স এসেছিল ২৪০ কোটি ৫০ লাখ ডলার। এই হিসাবে আলোচ্য মাসে রেমিট্যান্স বেড়েছে ১১ দশমিক ৭০ শতাংশ।

আগের মাস আগস্টে রেমিট্যান্স আসে ২৪২ কোটি ২০ লাখ ডলার। আর গত জুলাই মাসে আসে ২৪৭ কোটি ৭৯ লাখ ডলার। সব মিলিয়ে চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে (জুলাই সেপ্টেম্বর) প্রবাসী আয় এসেছে ৭৫৮ কোটি ৬০ লাখ ডলার। গত অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে এসেছিল ৬৫৪ কোটি ৩০ লাখ ডলার। এই হিসাবে আলোচ্য তিন মাসে প্রবাসী আয় বেড়েছে ১৫ দশমিক ৯০ শতাংশ।

মূলত অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর বেশ গতি নিয়ে বাড়ছে রেমিট্যান্স। পরিসংখ্যান বলছে, অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার মাস গত বছরের আগস্টে দেশে রেমিট্যান্স আসে ২২২ কোটি ডলার। এর পরের মাস সেপ্টেম্বরে ২৪০ কোটি ডলার, অক্টোবরে ২৩৯ কোটি ডলার, নভেম্বরে ২২০ কোটি ডলার এবং ডিসেম্বরে ২৬৩ কোটি ডলার রেমিট্যান্স আসে। এরপর চলতি বছরের জানুয়ারিতে ২১৮ কোটি ডলার, ফেব্রুয়ারিতে ২৫২ কোটি ডলার, মার্চে ৩২৯ কোটি ডলার, এপ্রিলে ২৭৫ কোটি ডলার ও মেতে ২৯৬ কোটি ৯৫ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স আসে। সব মিলিয়ে গত অর্থবছরের দেশে রেমিট্যান্স আসে ৩ হাজার ৩২ কোটি ৭৫ লাখ ডলার (৩০ দশমিক ৩২ বিলিয়ন)। এটি এক অর্থবছরের হিসাবে এ যাবৎকালের সর্বোচ্চ। এর আগের অর্থবছরে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ২ হাজার ৩৯১ কোটি ১২ লাখ ডলার।

এদিকে রেমিট্যান্সের ওপর ভর করে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে। গতকাল দিনশেষে বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে গ্রস রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩১ দশমিক ৫০ বিলিয়ন ডলার। আর বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভ এখন ২৬ দশমিক ৬২ বিলিয়ন ডলার।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তা দেবে সরকার: কৃষিমন্ত্রী

তিন মাসে প্রবাসী আয় বেড়েছে ১৬ শতাংশ

আপডেট টাইম : ০৩:৫৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৬ অক্টোবর ২০২৫

প্রবাসী আয় বৃদ্ধির গতি আরও বেড়েছে। সর্বশেষ সেপ্টেম্বর মাসে প্রবাসীরা ২৬৮ কোটি ডলারের বেশি রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। এটি একক মাস হিসেবে চলতি অর্থবছরের মধ্যে সর্বোচ্চ এবং আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে প্রায় ২২ শতাংশ বেশি। সব মিলিয়ে চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) প্রবাসী আয় বেড়েছে প্রায় ১৬ শতাংশ। হুন্ডি কমে আসা ও ডলারের বিনিময়হার স্থিতিশীল থাকায় প্রবাসী আয় বাড়ছে বলে জানান বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, গত সেপ্টেম্বর মাসে রেমিট্যান্স এসেছে ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ডলার। এই হিসাবে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৯ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে রেমিট্যান্স এসেছিল ২৪০ কোটি ৫০ লাখ ডলার। এই হিসাবে আলোচ্য মাসে রেমিট্যান্স বেড়েছে ১১ দশমিক ৭০ শতাংশ।

আগের মাস আগস্টে রেমিট্যান্স আসে ২৪২ কোটি ২০ লাখ ডলার। আর গত জুলাই মাসে আসে ২৪৭ কোটি ৭৯ লাখ ডলার। সব মিলিয়ে চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে (জুলাই সেপ্টেম্বর) প্রবাসী আয় এসেছে ৭৫৮ কোটি ৬০ লাখ ডলার। গত অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে এসেছিল ৬৫৪ কোটি ৩০ লাখ ডলার। এই হিসাবে আলোচ্য তিন মাসে প্রবাসী আয় বেড়েছে ১৫ দশমিক ৯০ শতাংশ।

মূলত অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর বেশ গতি নিয়ে বাড়ছে রেমিট্যান্স। পরিসংখ্যান বলছে, অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার মাস গত বছরের আগস্টে দেশে রেমিট্যান্স আসে ২২২ কোটি ডলার। এর পরের মাস সেপ্টেম্বরে ২৪০ কোটি ডলার, অক্টোবরে ২৩৯ কোটি ডলার, নভেম্বরে ২২০ কোটি ডলার এবং ডিসেম্বরে ২৬৩ কোটি ডলার রেমিট্যান্স আসে। এরপর চলতি বছরের জানুয়ারিতে ২১৮ কোটি ডলার, ফেব্রুয়ারিতে ২৫২ কোটি ডলার, মার্চে ৩২৯ কোটি ডলার, এপ্রিলে ২৭৫ কোটি ডলার ও মেতে ২৯৬ কোটি ৯৫ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স আসে। সব মিলিয়ে গত অর্থবছরের দেশে রেমিট্যান্স আসে ৩ হাজার ৩২ কোটি ৭৫ লাখ ডলার (৩০ দশমিক ৩২ বিলিয়ন)। এটি এক অর্থবছরের হিসাবে এ যাবৎকালের সর্বোচ্চ। এর আগের অর্থবছরে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ২ হাজার ৩৯১ কোটি ১২ লাখ ডলার।

এদিকে রেমিট্যান্সের ওপর ভর করে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে। গতকাল দিনশেষে বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে গ্রস রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩১ দশমিক ৫০ বিলিয়ন ডলার। আর বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভ এখন ২৬ দশমিক ৬২ বিলিয়ন ডলার।