ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অনুসন্ধানে দুদক আসিফের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সেনাদের দেওয়া হচ্ছে সর্বাধুনিক অস্ত্র: ট্রাম্প কাল থেকে কারখানায় চাহিদানুযায়ী মিলবে গ্যাস-বিদ্যুৎ, ব্যবসায়ীদের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর ঢাকার দুই সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করল জামায়াত রাজধানীর আবাসিক হোটেল নিয়ে ডিএমপি কমিশনারের নির্দেশনা ভারতের সঙ্গে মর্যাদার ভিত্তিতে সুসম্পর্ক প্রত্যাশা করে বাংলাদেশ: স্পিকার নতুন সরকারের প্রথম সচিব সভা মঙ্গলবার, যা থাকছে আলোচ্যসূচিতে গ্রেট ওয়াল আল্ট্রা-ট্রেইল রেসে বাংলাদেশের পতাকা ওড়ালেন ইমামুর রহমান ডাকসু সংগ্রহশালায় জিন্নাহর ছবি: জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে কর্তৃপক্ষ ৭ ধাপে ইউপি নির্বাচন, ৮০ উপজেলায় ভোট শুরু ১২ নভেম্বর

হালদা নদীকে মৎস্য হেরিটেজ ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি

দেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজননক্ষেত্র হালদা নদীকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘মৎস্য হেরিটেজ’ ঘোষণা করেছে সরকার। প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণ, রুই জাতীয় মাছের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিতকরণ এবং বিলুপ্তপ্রায় গাঙ্গেয় ডলফিনের আবাস রক্ষার লক্ষ্যেই নেয়া হয়েছে এই সিদ্ধান্ত।

বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয় এ তথ্য।

এতে বলা হয়, খাগড়াছড়ির রামগড় ও মানিকছড়ি উপজেলা, চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি, রাউজান, হাটহাজারী উপজেলা এবং পাঁচলাইশ থানা হয়ে প্রবাহিত হালদা নদীর দুই তীরবর্তী মোট ২৩ হাজার ৪২২ একর এলাকা এখন থেকে ‘হালদা নদী মৎস্য হেরিটেজ’ হিসেবে গণ্য হবে। হালদা নদী এবং নদী তীরবর্তী ৯৩ হাজার ৬১২টি দাগের ২৩ হাজার ৪২২ দশমিক ২৮০৫৯ একর জায়গা ‘হালদা নদী মৎস্য হেরিটেজ’ হিসেবে ঘোষণা করা হলো। এপ্রিল-জুন মাসে হালদা নদীর বিভিন্ন স্থানে রুইজাতীয় মাছের প্রজননের ফলে পর্যাপ্ত পরিমাণ নিষিক্ত ডিম পাওয়া যায়।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, দেশি বা বিদেশি কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান অনুমতি ছাড়া হালদায় গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে না। নাজিরহাট ব্রিজ থেকে কর্ণফুলী মোহনা পর্যন্ত ভারী ইঞ্জিনচালিত নৌযান, বালুবাহী জাহাজ বা ড্রেজার চলাচল নিষিদ্ধ। হালদা ও তার শাখা নদী থেকে বালু উত্তোলন বা বালুমহাল ইজারা দেওয়া যাবে না। নদীর অববাহিকায় তামাক চাষ নিষিদ্ধ থাকবে। কৃষিজমিতে ক্ষতিকর কীটনাশক ও বালাইনাশক ব্যবহার করা যাবে না। নদীর পাড়সংলগ্ন এলাকায় নতুন কোনো ইটভাটা স্থাপন করা যাবে না।

উল্লেখ্য, উন্নততর পরিবেশগত এবং প্রতিবেশগত ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে এবং নদীর গতিপথ পরিবর্তনের কারণে এলাকার সীমা-পরিসীমা নির্ধারণসহ অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিষয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সময়ে সময়ে বিধি-নিষেধ আরোপসহ প্রজ্ঞাপনে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন বা পরিবর্ধন করতে পারবে বলেও জানানো হয় এতে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

অনুসন্ধানে দুদক আসিফের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ

হালদা নদীকে মৎস্য হেরিটেজ ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি

আপডেট টাইম : ০৫:১৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৭ নভেম্বর ২০২৫

দেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজননক্ষেত্র হালদা নদীকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘মৎস্য হেরিটেজ’ ঘোষণা করেছে সরকার। প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণ, রুই জাতীয় মাছের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিতকরণ এবং বিলুপ্তপ্রায় গাঙ্গেয় ডলফিনের আবাস রক্ষার লক্ষ্যেই নেয়া হয়েছে এই সিদ্ধান্ত।

বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয় এ তথ্য।

এতে বলা হয়, খাগড়াছড়ির রামগড় ও মানিকছড়ি উপজেলা, চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি, রাউজান, হাটহাজারী উপজেলা এবং পাঁচলাইশ থানা হয়ে প্রবাহিত হালদা নদীর দুই তীরবর্তী মোট ২৩ হাজার ৪২২ একর এলাকা এখন থেকে ‘হালদা নদী মৎস্য হেরিটেজ’ হিসেবে গণ্য হবে। হালদা নদী এবং নদী তীরবর্তী ৯৩ হাজার ৬১২টি দাগের ২৩ হাজার ৪২২ দশমিক ২৮০৫৯ একর জায়গা ‘হালদা নদী মৎস্য হেরিটেজ’ হিসেবে ঘোষণা করা হলো। এপ্রিল-জুন মাসে হালদা নদীর বিভিন্ন স্থানে রুইজাতীয় মাছের প্রজননের ফলে পর্যাপ্ত পরিমাণ নিষিক্ত ডিম পাওয়া যায়।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, দেশি বা বিদেশি কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান অনুমতি ছাড়া হালদায় গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে না। নাজিরহাট ব্রিজ থেকে কর্ণফুলী মোহনা পর্যন্ত ভারী ইঞ্জিনচালিত নৌযান, বালুবাহী জাহাজ বা ড্রেজার চলাচল নিষিদ্ধ। হালদা ও তার শাখা নদী থেকে বালু উত্তোলন বা বালুমহাল ইজারা দেওয়া যাবে না। নদীর অববাহিকায় তামাক চাষ নিষিদ্ধ থাকবে। কৃষিজমিতে ক্ষতিকর কীটনাশক ও বালাইনাশক ব্যবহার করা যাবে না। নদীর পাড়সংলগ্ন এলাকায় নতুন কোনো ইটভাটা স্থাপন করা যাবে না।

উল্লেখ্য, উন্নততর পরিবেশগত এবং প্রতিবেশগত ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে এবং নদীর গতিপথ পরিবর্তনের কারণে এলাকার সীমা-পরিসীমা নির্ধারণসহ অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিষয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সময়ে সময়ে বিধি-নিষেধ আরোপসহ প্রজ্ঞাপনে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন বা পরিবর্ধন করতে পারবে বলেও জানানো হয় এতে।