ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মাছের সংকটে অস্তিত্বের লড়াইয়ে ভাঙ্গুড়ার ঐতিহ্যবাহী শুঁটকি শিল্প ইয়োহেই সাসাকাওয়ার নৈশভোজে প্রধানমন্ত্রী, ভ্যাকসিন উৎপাদন কারখানা নিয়ে আলোচনা দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্ব গড়তে প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর গুরুত্বপূর্ণ : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জাইকার প্রেসিডেন্টের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ জাইকার সঙ্গে সহযোগিতা বাড়াতে চায় বাংলাদেশ সেই বই থেকে দাঁড়িপাল্লা বাদ, সংশোধিত পৃষ্ঠা চূড়ান্ত সোনালী ব্যাংকের এমডি বহাল, তিন ব্যাংকে নতুন নিয়োগ মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযান মালিকদের জন্য সুখবর ড় সাইবার হামলার ঝুঁকিতে ৭০ শতাংশ ওয়েবসাইট দীর্ঘমেয়াদী প্রশিক্ষণের সুযোগ পাচ্ছে নতুন কুঁড়ির ৪০ জন ফ্রান্স থেকে স্পেন : ইউরোপজুড়ে কেন আন্দোলনে নেমেছে জেন-জি

বান্দরবানে গহিন অরণ্যে ৪৩ একর পপিখেত ধ্বংস‎

দুর্গম পাহাড় আর সীমান্তঘেঁষা জনশূন্য এলাকায় প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চলছিল নিষিদ্ধ মাদকদ্রব্য পপি চাষ। অবশেষে সেই চক্রের ওপর আঘাত হেনেছে যৌথ বাহিনী। বান্দরবানের থানচি গহিন পাহাড়ি অঞ্চলে অভিযান চালিয়ে প্রায় ৪৩ একর পপিখেত ধ্বংস করা হয়েছে, যার সম্ভাব্য বাজারমূল্য প্রায় ১১ কোটি টাকা।

‎গোপন তথ্যের ভিত্তিতে রোববার থেকে আজ মঙ্গলবার তিন দিন সেনাবাহিনী ও বিজিবির সমন্বয়ে গঠিত একটি বিশেষ দল পাহাড়ি দুর্গম পথ অতিক্রম করে অন্তত ১২টি স্থানে অভিযান চালায়। অভিযান শেষে স্থানীয়দের উপস্থিতিতে পপিগাছ উপড়ে ফেলে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়, যাতে পুনরায় তা ব্যবহার করা না যায়।

যৌথ বাহিনীর সূত্র জানায়, ধ্বংস করা খেত থেকে প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে প্রায় ১ হাজার ৪৫০ কেজি আফিম উৎপাদনের সম্ভাবনা ছিল। উদ্ধার ও ধ্বংসকৃত মাদকের আনুমানিক বাজারমূল্য ধরা হয়েছে ১০ কোটি ৮৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরেই দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চল বিশেষ করে ডিম পাহাড় ও সাঙ্গু নদীসংলগ্ন বিস্তীর্ণ এলাকায় গোপনে পপি চাষের বিস্তার ঘটেছে। স্থানীয়দের দাবি, এসব এলাকায় এখনো শতাধিক একরের বেশি জমিতে নিষিদ্ধ এ চাষাবাদ চলছে, যার পেছনে সংঘবদ্ধ চক্র সক্রিয়।

‎আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা বলছেন, পার্বত্য অঞ্চলে মাদক চক্রের বিস্তার ঠেকাতে সীমান্ত নজরদারি জোরদার করা হয়েছে এবং ধারাবাহিক অভিযান অব্যাহত থাকবে। তাদের মতে, পাহাড়ে মাদক উৎপাদনের উৎস ধ্বংস করা গেলে চোরাচালানও অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে।

‎স্থানীয় সচেতন মহল মতে, এমন ধারাবাহিক অভিযান ও গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো গেলে পার্বত্য এলাকায় মাদক চক্রের নেটওয়ার্ক ভেঙে দেওয়া সম্ভব।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

মাছের সংকটে অস্তিত্বের লড়াইয়ে ভাঙ্গুড়ার ঐতিহ্যবাহী শুঁটকি শিল্প

বান্দরবানে গহিন অরণ্যে ৪৩ একর পপিখেত ধ্বংস‎

আপডেট টাইম : ০৫:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

দুর্গম পাহাড় আর সীমান্তঘেঁষা জনশূন্য এলাকায় প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চলছিল নিষিদ্ধ মাদকদ্রব্য পপি চাষ। অবশেষে সেই চক্রের ওপর আঘাত হেনেছে যৌথ বাহিনী। বান্দরবানের থানচি গহিন পাহাড়ি অঞ্চলে অভিযান চালিয়ে প্রায় ৪৩ একর পপিখেত ধ্বংস করা হয়েছে, যার সম্ভাব্য বাজারমূল্য প্রায় ১১ কোটি টাকা।

‎গোপন তথ্যের ভিত্তিতে রোববার থেকে আজ মঙ্গলবার তিন দিন সেনাবাহিনী ও বিজিবির সমন্বয়ে গঠিত একটি বিশেষ দল পাহাড়ি দুর্গম পথ অতিক্রম করে অন্তত ১২টি স্থানে অভিযান চালায়। অভিযান শেষে স্থানীয়দের উপস্থিতিতে পপিগাছ উপড়ে ফেলে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়, যাতে পুনরায় তা ব্যবহার করা না যায়।

যৌথ বাহিনীর সূত্র জানায়, ধ্বংস করা খেত থেকে প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে প্রায় ১ হাজার ৪৫০ কেজি আফিম উৎপাদনের সম্ভাবনা ছিল। উদ্ধার ও ধ্বংসকৃত মাদকের আনুমানিক বাজারমূল্য ধরা হয়েছে ১০ কোটি ৮৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরেই দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চল বিশেষ করে ডিম পাহাড় ও সাঙ্গু নদীসংলগ্ন বিস্তীর্ণ এলাকায় গোপনে পপি চাষের বিস্তার ঘটেছে। স্থানীয়দের দাবি, এসব এলাকায় এখনো শতাধিক একরের বেশি জমিতে নিষিদ্ধ এ চাষাবাদ চলছে, যার পেছনে সংঘবদ্ধ চক্র সক্রিয়।

‎আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা বলছেন, পার্বত্য অঞ্চলে মাদক চক্রের বিস্তার ঠেকাতে সীমান্ত নজরদারি জোরদার করা হয়েছে এবং ধারাবাহিক অভিযান অব্যাহত থাকবে। তাদের মতে, পাহাড়ে মাদক উৎপাদনের উৎস ধ্বংস করা গেলে চোরাচালানও অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে।

‎স্থানীয় সচেতন মহল মতে, এমন ধারাবাহিক অভিযান ও গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো গেলে পার্বত্য এলাকায় মাদক চক্রের নেটওয়ার্ক ভেঙে দেওয়া সম্ভব।