ঢাকা , শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পিলখানার ঘটনা ছিল আমাদের সার্বভৌমত্ব নস্যাতের অপপ্রয়াস: প্রধানমন্ত্রী

পিলখানা হত্যাকাণ্ডকে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব নস্যাৎ করার অপপ্রয়াস বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় জাতীয় শহীদ সেনা দিবস উপলক্ষে ঢাকা সেনানিবাসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বক্তব্যকালে এমন মন্তব্য করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে এবং স্বাধীনতা পরবর্তী দেশ গঠনে সেনাবাহিনীর রয়েছে উজ্জ্বল ইতিহাস। সেনাবাহিনী আমাদের সার্বভৌমত্বের প্রতীক। আমি মনে করি, পিলখানার সেই মর্মান্তিক ঘটনা ছিল আমাদের সার্বভৌমত্বকে নস্যাৎ করার একটি অপপ্রয়াস।”

তিনি বলেন, “পিলখানার ঘটনার পরিক্রমায় আমাদের জাতীয় নিরাপত্তা কাঠামোর দুর্বলতা ফুটে উঠেছে। তাই বহির্বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে অবশ্যই আমাদের জাতীয় নিরাপত্তার কাঠামোকে আরো আধুনিক, সময়োপযোগী এবং শক্তিশালী করা প্রয়োজন। এ লক্ষ্যে আমাদের সরকার কাজ করবে, ইনশাআল্লাহ। একইসঙ্গে শহীদ পরিবারের সদস্যদের কল্যাণে ইতোমধ্যে আমরা তাদের সন্তানদের শিক্ষা, চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের জন্য দীর্ঘমেয়াদী সুরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছি।”

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জনপ্রিয় সংবাদ

পিলখানার ঘটনা ছিল আমাদের সার্বভৌমত্ব নস্যাতের অপপ্রয়াস: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট টাইম : ০১:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পিলখানা হত্যাকাণ্ডকে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব নস্যাৎ করার অপপ্রয়াস বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় জাতীয় শহীদ সেনা দিবস উপলক্ষে ঢাকা সেনানিবাসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বক্তব্যকালে এমন মন্তব্য করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে এবং স্বাধীনতা পরবর্তী দেশ গঠনে সেনাবাহিনীর রয়েছে উজ্জ্বল ইতিহাস। সেনাবাহিনী আমাদের সার্বভৌমত্বের প্রতীক। আমি মনে করি, পিলখানার সেই মর্মান্তিক ঘটনা ছিল আমাদের সার্বভৌমত্বকে নস্যাৎ করার একটি অপপ্রয়াস।”

তিনি বলেন, “পিলখানার ঘটনার পরিক্রমায় আমাদের জাতীয় নিরাপত্তা কাঠামোর দুর্বলতা ফুটে উঠেছে। তাই বহির্বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে অবশ্যই আমাদের জাতীয় নিরাপত্তার কাঠামোকে আরো আধুনিক, সময়োপযোগী এবং শক্তিশালী করা প্রয়োজন। এ লক্ষ্যে আমাদের সরকার কাজ করবে, ইনশাআল্লাহ। একইসঙ্গে শহীদ পরিবারের সদস্যদের কল্যাণে ইতোমধ্যে আমরা তাদের সন্তানদের শিক্ষা, চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের জন্য দীর্ঘমেয়াদী সুরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছি।”