ঢাকা , শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ডিসেম্বরে দেশে ফিরে আত্মসমর্পণ করবো: রয়টার্সকে হাসিনা বাংলাদেশি নাবিকদের ভিসা সহজ করতে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা চাইলেন মন্ত্রী সুনামগঞ্জে হু হু করে বাড়ছে নদীর পানি, প্রস্তুত ১৩১১ আশ্রয়কেন্দ্র চট্টগ্রাম নগরীর ৮০ শতাংশ এলাকা থেকে পানি নেমে গেছে: মেয়র শাহাদাত দেশ সবার, সব ধর্মের মানুষকে নিয়েই এগোতে হবে: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী বিবাহবিচ্ছেদে যা পেয়েছিলেন শেখ হাসিনা কন্যা পুতুল দুর্যোগে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো নৈতিক দায়িত্ব : জামায়াত আমির ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ কে জিতবে বিশ্বকাপ? সুপার কম্পিউটার দিল ভবিষ্যদ্বাণী চট্টগ্রামে শনিবারের মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষাও স্থগিত রাতে ভাত খাওয়া ভালো না ক্ষতি, কী বললেন পুষ্টিবিদ

জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ অন্তর্বর্তী সরকারের অন্তহীন প্রতারণার দলিল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ অন্তর্বর্তী সরকারের অন্তহীন প্রতারণার দলিল।

বিএনপি সংস্কার চায় না এবং জুলাই জাতীয় সনদ মানে না বলে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হচ্ছে। জুলাই সনদের প্রতিটি বাক্য আমরা ধারণ করি। এটি ঐতিহাসিক রাজনৈতিক দলিল। ১৯৭৩ সালের ৭ এপ্রিল থেকে রাষ্ট্রপতির আদেশ জারির ক্ষমতা রহিত করা রয়েছে। তিনি কোনো আদেশ দ্বারা সার্বভৌম সংসদের ক্ষমতা হ্রাস করতে পারেন না।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) জাতীয় সংসদে ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫’ শীর্ষক বিষয়ে নির্ধারিত আলোচনায় অংশ নিয়ে এ কথা বলেন তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আর্টিকেল ৭২ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি সংসদ অধিবেশন ডেকেছেন। উপদেষ্টা হিসেবে যখন শপথ নিয়েছেন তখন সংবিধান এবং রাষ্ট্রপতি ভালো ছিলেন। আদেশটা বৈধ আইন না।

সংবিধানের চতুর্থ তফশিলের ধারা ১৭/২ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির আদেশ জারির ক্ষমতা নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, আদেশের জন্মই বৈধ হলো না। এই আদেশটা নিউট্রাল জেন্ডার। জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ অন্তর্বর্তী সরকারের অন্তহীন প্রতারণার দলিল।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিএনপি সংস্কার চায় না এবং জুলাই জাতীয় সনদ মানে না বলে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হচ্ছে। জুলাই সনদের প্রতিটি বাক্য আমরা ধারণ করি। এটি ঐতিহাসিক রাজনৈতিক দলিল। ১৯৭৩ সালের ৭ এপ্রিল থেকে রাষ্ট্রপতির আদেশ জারির ক্ষমতা রহিত করা রয়েছে। তিনি কোনো আদেশ দ্বারা সার্বভৌম সংসদের ক্ষমতা হ্রাস করতে পারেন না।

তিনি বলেন, জনরায়কে সম্মান করতে হবে। কিন্তু এই ৭০ শতাংশ মানুষের তো সমর্থন দেওয়ার কথা ছিল জুলাই সনদের পক্ষে হ্যাঁ বা না বলার। এ আদেশ এখতিয়ার বহির্ভূত। অধ্যাদেশের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি সার্বিভৌম ক্ষমতাকে খর্ব করেছেন। অন্তর্বতী সরকার সংবিধান লঙ্ঘন করেছে। নোট অব ডিসেন্টসহ প্রশ্ন লিখলেন না, এটি জাতীয় প্রতারণা। চার প্রশ্নের জবাবে একটি উত্তরে কেন বাধ্য করা হলো? আমি রাষ্ট্রপতিকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, আপনি কি আদেশ জারি করতে পারেন? তিনি বলেছিলেন, আমি তো পারি না, আমাকে পারাচ্ছে। রাজ হংসীকে জোর করে সোনার ডিম পাড়ানোর মতো। এখন সেটি অবৈধ ডিম।

সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথের কাগজ সংসদে পাঠানোর এখতিয়ার অন্তর্বর্তী সরকারের ছিল না উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথের কাগজ সংসদ সদস্যদের হাতে কীভাবে গেল, তা সংসদ সচিবের কাছে জানতে চাই।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

ডিসেম্বরে দেশে ফিরে আত্মসমর্পণ করবো: রয়টার্সকে হাসিনা

জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ অন্তর্বর্তী সরকারের অন্তহীন প্রতারণার দলিল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেট টাইম : ০৫:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ অন্তর্বর্তী সরকারের অন্তহীন প্রতারণার দলিল।

বিএনপি সংস্কার চায় না এবং জুলাই জাতীয় সনদ মানে না বলে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হচ্ছে। জুলাই সনদের প্রতিটি বাক্য আমরা ধারণ করি। এটি ঐতিহাসিক রাজনৈতিক দলিল। ১৯৭৩ সালের ৭ এপ্রিল থেকে রাষ্ট্রপতির আদেশ জারির ক্ষমতা রহিত করা রয়েছে। তিনি কোনো আদেশ দ্বারা সার্বভৌম সংসদের ক্ষমতা হ্রাস করতে পারেন না।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) জাতীয় সংসদে ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫’ শীর্ষক বিষয়ে নির্ধারিত আলোচনায় অংশ নিয়ে এ কথা বলেন তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আর্টিকেল ৭২ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি সংসদ অধিবেশন ডেকেছেন। উপদেষ্টা হিসেবে যখন শপথ নিয়েছেন তখন সংবিধান এবং রাষ্ট্রপতি ভালো ছিলেন। আদেশটা বৈধ আইন না।

সংবিধানের চতুর্থ তফশিলের ধারা ১৭/২ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির আদেশ জারির ক্ষমতা নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, আদেশের জন্মই বৈধ হলো না। এই আদেশটা নিউট্রাল জেন্ডার। জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ অন্তর্বর্তী সরকারের অন্তহীন প্রতারণার দলিল।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিএনপি সংস্কার চায় না এবং জুলাই জাতীয় সনদ মানে না বলে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হচ্ছে। জুলাই সনদের প্রতিটি বাক্য আমরা ধারণ করি। এটি ঐতিহাসিক রাজনৈতিক দলিল। ১৯৭৩ সালের ৭ এপ্রিল থেকে রাষ্ট্রপতির আদেশ জারির ক্ষমতা রহিত করা রয়েছে। তিনি কোনো আদেশ দ্বারা সার্বভৌম সংসদের ক্ষমতা হ্রাস করতে পারেন না।

তিনি বলেন, জনরায়কে সম্মান করতে হবে। কিন্তু এই ৭০ শতাংশ মানুষের তো সমর্থন দেওয়ার কথা ছিল জুলাই সনদের পক্ষে হ্যাঁ বা না বলার। এ আদেশ এখতিয়ার বহির্ভূত। অধ্যাদেশের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি সার্বিভৌম ক্ষমতাকে খর্ব করেছেন। অন্তর্বতী সরকার সংবিধান লঙ্ঘন করেছে। নোট অব ডিসেন্টসহ প্রশ্ন লিখলেন না, এটি জাতীয় প্রতারণা। চার প্রশ্নের জবাবে একটি উত্তরে কেন বাধ্য করা হলো? আমি রাষ্ট্রপতিকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, আপনি কি আদেশ জারি করতে পারেন? তিনি বলেছিলেন, আমি তো পারি না, আমাকে পারাচ্ছে। রাজ হংসীকে জোর করে সোনার ডিম পাড়ানোর মতো। এখন সেটি অবৈধ ডিম।

সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথের কাগজ সংসদে পাঠানোর এখতিয়ার অন্তর্বর্তী সরকারের ছিল না উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথের কাগজ সংসদ সদস্যদের হাতে কীভাবে গেল, তা সংসদ সচিবের কাছে জানতে চাই।