ঢাকা , শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী সব শিশুকে হামের টিকা দেওয়া হবে

দেশে ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী সব শিশুকে হামের টিকা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবেশ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
শনিবার (৫ এপ্রিল) মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দেশে এই বয়সের সব শিশুকে হামের টিকা দেওয়া হবে। আগে টিকা নেওয়া থাকলেও আবার টিকা দিলে কোনো সমস্যা হবে না। তবে যারা বর্তমানে অসুস্থ, বিশেষ করে হাম বা জ্বরে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছে, তাদের ভিটামিন এ খাওয়ানো হবে।
তিনি জানান, আগামীকাল (রোববার) থেকে হামের প্রকোপ বেশি এমন ৩০টি উপজেলায় বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু হবে। তবে শুধু এই ৩০ উপজেলাতেই সীমাবদ্ধ না থেকে সারাদেশের ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী সব শিশুকে টিকার আওতায় আনা হবে।
মন্ত্রী আরও বলেন, এই কর্মসূচির আওতায় যেসব শিশু থাকবে, তাদের বেশিরভাগই ২০২০ সালের ডিসেম্বরের জাতীয় টিকাদান ক্যাম্পেইনের পর জন্ম নিয়েছে। তাই তারা আগে টিকা পায়নি বলে ধারণা করা হচ্ছে।
রোববার থেকে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির আওতায় যে ৩০টি উপজেলায় টিকাদান কার্যক্রম চলবে সেগুলো হলো, রাজশাহীর গোদাগাড়ী, ঢাকার নবাবগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জের লৌহজং, সদর ও শ্রীনগর, ঝালকাঠির নলছিটি, ময়মনসিংহের ত্রিশাল, সদর ও ফুলপুর, চাঁদপুরের হাইমচর ও সদর, বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জ ও বাকেরগঞ্জ, পাবনার ঈশ্বরদী, সদর, আটঘরিয়া ও বেড়া, নওগাঁর পোরশা, গাজীপুর সদর, নেত্রকোনার আটপাড়া, শরীয়তপুরের জাজিরা, বরগুনা সদর, মাদারীপুর সদর, কক্সবাজারের মহেশখালী ও রামু, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর, শিবগঞ্জ, ভোলাহাট, নাটোর সদর এবং যশোর সদর।
সরকার বলছে, এই কর্মসূচির মাধ্যমে দেশের সব শিশুকে হামের ঝুঁকি থেকে সুরক্ষিত করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।
Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জনপ্রিয় সংবাদ

৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী সব শিশুকে হামের টিকা দেওয়া হবে

আপডেট টাইম : ০৫:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬
দেশে ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী সব শিশুকে হামের টিকা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবেশ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
শনিবার (৫ এপ্রিল) মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দেশে এই বয়সের সব শিশুকে হামের টিকা দেওয়া হবে। আগে টিকা নেওয়া থাকলেও আবার টিকা দিলে কোনো সমস্যা হবে না। তবে যারা বর্তমানে অসুস্থ, বিশেষ করে হাম বা জ্বরে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছে, তাদের ভিটামিন এ খাওয়ানো হবে।
তিনি জানান, আগামীকাল (রোববার) থেকে হামের প্রকোপ বেশি এমন ৩০টি উপজেলায় বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু হবে। তবে শুধু এই ৩০ উপজেলাতেই সীমাবদ্ধ না থেকে সারাদেশের ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী সব শিশুকে টিকার আওতায় আনা হবে।
মন্ত্রী আরও বলেন, এই কর্মসূচির আওতায় যেসব শিশু থাকবে, তাদের বেশিরভাগই ২০২০ সালের ডিসেম্বরের জাতীয় টিকাদান ক্যাম্পেইনের পর জন্ম নিয়েছে। তাই তারা আগে টিকা পায়নি বলে ধারণা করা হচ্ছে।
রোববার থেকে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির আওতায় যে ৩০টি উপজেলায় টিকাদান কার্যক্রম চলবে সেগুলো হলো, রাজশাহীর গোদাগাড়ী, ঢাকার নবাবগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জের লৌহজং, সদর ও শ্রীনগর, ঝালকাঠির নলছিটি, ময়মনসিংহের ত্রিশাল, সদর ও ফুলপুর, চাঁদপুরের হাইমচর ও সদর, বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জ ও বাকেরগঞ্জ, পাবনার ঈশ্বরদী, সদর, আটঘরিয়া ও বেড়া, নওগাঁর পোরশা, গাজীপুর সদর, নেত্রকোনার আটপাড়া, শরীয়তপুরের জাজিরা, বরগুনা সদর, মাদারীপুর সদর, কক্সবাজারের মহেশখালী ও রামু, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর, শিবগঞ্জ, ভোলাহাট, নাটোর সদর এবং যশোর সদর।
সরকার বলছে, এই কর্মসূচির মাধ্যমে দেশের সব শিশুকে হামের ঝুঁকি থেকে সুরক্ষিত করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।