ঢাকা , বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অকেজো ৮ হাজার কোটি টাকার প্রযুক্তি পার্ক কার্যকরের উদ্যোগ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে সুখবর দিল মুডিস উইন্ডোজ ১০ ও ১১-এর জন্য জেমিনি অ্যাপ আনল গুগল ইমরানের মুক্তির দাবিতে অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দ্বারস্থ ৭ সাবেক অধিনায়ক শিশুদের সম্ভাবনা বিকশিত করতে মুক্ত পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান জুবাইদা রহমানের গণতন্ত্র রক্ষা করা এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী মামলায় ওবায়দুল কাদেরসহ সাত জনের মৃত্যুদণ্ডের রায় মাথার চুল ফেলে যা বললেন ক্যনসার আক্রান্ত সামিয়া আফরিন সার ডিলারদের কমিশন বাড়ছে, কৃষক পর্যায়ে দাম অপরিবর্তিত ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিলেন ৩ জন

৪৮১ ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার গেজেট বাতিল: সংসদে মন্ত্রী

সারা দেশে তদন্ত ও যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে ২০২৬ সালের মার্চ পর্যন্ত ৪৮১ জন অমুক্তিযোদ্ধার (ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা) গেজেট বাতিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমদ আযম খান।

রোববার (৫ এপ্রিল) সংসদে সরকারি দলের সদস্য মো. আব্দুল মালিকের (সিলেট-৩) ৭১ বিধিতে দেওয়া নোটিশের জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য জানান।

নোটিশে সংসদ সদস্য আব্দুল মালিক অভিযোগ করেন, বিগত সরকারের সময়ে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে বহু ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা তালিকাভুক্ত হয়েছে। এতে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধারা বঞ্চিত হয়েছেন এবং অসাধু ব্যক্তিরা মিথ্যা তথ্য দিয়ে রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেছেন।

বিশেষ করে সিলেটের বালাগঞ্জ ও দক্ষিণ সুরমা এলাকায় এ ধরনের অনিয়মের প্রভাব বেশি পড়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

জবাবে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধারা দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান। তবে কিছু সুযোগসন্ধানী ব্যক্তি অসাধু উপায়ে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। তাদের চিহ্নিত করার কাজ চলমান রয়েছে।

তিনি জানান, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের (জামুকা) উপকমিটি অভিযোগের ভিত্তিতে নিয়মিত শুনানি ও যাচাই-বাছাই করছে এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলেই সংশ্লিষ্টদের সনদ ও গেজেট বাতিল করা হচ্ছে।

মন্ত্রী সিলেট অঞ্চলের মুক্তিযোদ্ধাদের অবদানের কথা স্মরণ করে বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক জেনারেল এম এ জি ওসমানী এবং সাবেক নৌবাহিনী প্রধান মাহবুব আলী খানের স্মৃতিবিজড়িত এ অঞ্চলের মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

তিনি আরো জানান, প্রবাসে অবস্থানরত যেসব মুক্তিযোদ্ধা এখনো ডিজিটাল সনদ বা স্মার্ট আইডি পাননি, তাদের দ্রুত তা প্রদানের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সংসদ সদস্যের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে মন্ত্রী আশ্বাস দেন, দক্ষিণ সুরমা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করা হবে। পাশাপাশি বালাগঞ্জ ও ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলায় মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স নির্মাণ ও সংস্কারের বিষয়টি সরকারের পরিকল্পনায় রয়েছে।

মন্ত্রী আরো বলেন, সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের যথাযথ সম্মান ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। এ লক্ষ্যে তিনি শিগগিরই সিলেটের ঐতিহাসিক মুক্তিযুদ্ধের স্থানসমূহ পরিদর্শন করবেন এবং স্থানীয় প্রতিনিধিদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

অকেজো ৮ হাজার কোটি টাকার প্রযুক্তি পার্ক কার্যকরের উদ্যোগ

৪৮১ ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার গেজেট বাতিল: সংসদে মন্ত্রী

আপডেট টাইম : ০৫:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬

সারা দেশে তদন্ত ও যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে ২০২৬ সালের মার্চ পর্যন্ত ৪৮১ জন অমুক্তিযোদ্ধার (ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা) গেজেট বাতিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমদ আযম খান।

রোববার (৫ এপ্রিল) সংসদে সরকারি দলের সদস্য মো. আব্দুল মালিকের (সিলেট-৩) ৭১ বিধিতে দেওয়া নোটিশের জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য জানান।

নোটিশে সংসদ সদস্য আব্দুল মালিক অভিযোগ করেন, বিগত সরকারের সময়ে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে বহু ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা তালিকাভুক্ত হয়েছে। এতে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধারা বঞ্চিত হয়েছেন এবং অসাধু ব্যক্তিরা মিথ্যা তথ্য দিয়ে রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেছেন।

বিশেষ করে সিলেটের বালাগঞ্জ ও দক্ষিণ সুরমা এলাকায় এ ধরনের অনিয়মের প্রভাব বেশি পড়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

জবাবে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধারা দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান। তবে কিছু সুযোগসন্ধানী ব্যক্তি অসাধু উপায়ে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। তাদের চিহ্নিত করার কাজ চলমান রয়েছে।

তিনি জানান, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের (জামুকা) উপকমিটি অভিযোগের ভিত্তিতে নিয়মিত শুনানি ও যাচাই-বাছাই করছে এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলেই সংশ্লিষ্টদের সনদ ও গেজেট বাতিল করা হচ্ছে।

মন্ত্রী সিলেট অঞ্চলের মুক্তিযোদ্ধাদের অবদানের কথা স্মরণ করে বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক জেনারেল এম এ জি ওসমানী এবং সাবেক নৌবাহিনী প্রধান মাহবুব আলী খানের স্মৃতিবিজড়িত এ অঞ্চলের মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

তিনি আরো জানান, প্রবাসে অবস্থানরত যেসব মুক্তিযোদ্ধা এখনো ডিজিটাল সনদ বা স্মার্ট আইডি পাননি, তাদের দ্রুত তা প্রদানের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সংসদ সদস্যের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে মন্ত্রী আশ্বাস দেন, দক্ষিণ সুরমা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করা হবে। পাশাপাশি বালাগঞ্জ ও ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলায় মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স নির্মাণ ও সংস্কারের বিষয়টি সরকারের পরিকল্পনায় রয়েছে।

মন্ত্রী আরো বলেন, সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের যথাযথ সম্মান ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। এ লক্ষ্যে তিনি শিগগিরই সিলেটের ঐতিহাসিক মুক্তিযুদ্ধের স্থানসমূহ পরিদর্শন করবেন এবং স্থানীয় প্রতিনিধিদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।