ঢাকা , শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের নিয়ে যা বললেন শুভেন্দু অধিকারী

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, যারা ভারতের সীমান্ত পেরিয়ে এসেছেন, কিন্তু নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ-এর) আওতায় পড়েন না, তারা “পুরোপুরি অবৈধ অনুপ্রবেশকারী”।

তিনি বলেন, “তাদের সরাসরি রাজ্য পুলিশ গ্রেফতার করবে, আটক করবে এবং বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের (বিএসএফ-এর) হাতে তুলে দেবে। বিএসএফ বিডিআরের সঙ্গে কথা বলে তাদের ডিপোর্ট করার ব্যবস্থা করবে। অর্থাৎ ডিটেক্ট, ডিলিট, এবং ডিপোর্ট।”

বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে পুরোনো নাম – বিজিবি বলেই উল্লেখ করেন অধিকারী।

ভারতের নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ) অনুযায়ী, বাংলাদেশ, পাকিস্তান এবং আফগানিস্তান থেকে যে হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পার্সি এবং খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মানুষ ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের আগে ভারতে এসেছেন তারা ভারতীয় নাগরিকত্বের আবেদন করতে পারবেন। মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ এই আইনের আওতায় পড়েন না।

শুভেন্দু অধিকারী বুধবার আরো বলেন, “আমাদের রাজ্যে ২২০০ কিলোমিটারের মধ্যে ১৬০০ কিলোমিটার কাঁটাতার রয়েছে। আমাদের সীমান্তে যে কাঁটাতার সম্পূর্ণ আমরা করতে পারিনি। … আমরা বর্তমান সরকার আসার পর দ্রুততার সঙ্গে এই জমি হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু করতে চলেছি। আজকে এর সূচনা লগ্নে আমরা ২৭ কি.মি এলাকাকে সুরক্ষিত করার প্রয়োজনীয় জমি — সরকারি এবং প্রাইভেট জমি যা আমরা ক্রয় করছি এবং তার সম্পূর্ণ অর্থ বিএসএফ এবং ভারত সরকার আমাদের দিচ্ছেন — আমরা সেটা সূচনা করলাম।”

“আমি বিশ্বাস করি পশ্চিমবাংলার দেশপ্রেমিক জনগণ এবং আমাদের অত্যন্ত দক্ষ আধিকারিকরা আগামী কিছুদিনের মধ্যে যতটা জমি আমাদের দেওয়ার দরকার বা আমরা দিতে পারব, যেখানে যেখানে সীমান্ত সুরক্ষার প্রশ্নে কাঁটাতার দেওয়া সম্ভব, আমরা অতি দ্রুততার সঙ্গে তুলে ধরব।”

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের নিয়ে যা বললেন শুভেন্দু অধিকারী

আপডেট টাইম : ০৫:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, যারা ভারতের সীমান্ত পেরিয়ে এসেছেন, কিন্তু নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ-এর) আওতায় পড়েন না, তারা “পুরোপুরি অবৈধ অনুপ্রবেশকারী”।

তিনি বলেন, “তাদের সরাসরি রাজ্য পুলিশ গ্রেফতার করবে, আটক করবে এবং বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের (বিএসএফ-এর) হাতে তুলে দেবে। বিএসএফ বিডিআরের সঙ্গে কথা বলে তাদের ডিপোর্ট করার ব্যবস্থা করবে। অর্থাৎ ডিটেক্ট, ডিলিট, এবং ডিপোর্ট।”

বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে পুরোনো নাম – বিজিবি বলেই উল্লেখ করেন অধিকারী।

ভারতের নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ) অনুযায়ী, বাংলাদেশ, পাকিস্তান এবং আফগানিস্তান থেকে যে হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পার্সি এবং খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মানুষ ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের আগে ভারতে এসেছেন তারা ভারতীয় নাগরিকত্বের আবেদন করতে পারবেন। মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ এই আইনের আওতায় পড়েন না।

শুভেন্দু অধিকারী বুধবার আরো বলেন, “আমাদের রাজ্যে ২২০০ কিলোমিটারের মধ্যে ১৬০০ কিলোমিটার কাঁটাতার রয়েছে। আমাদের সীমান্তে যে কাঁটাতার সম্পূর্ণ আমরা করতে পারিনি। … আমরা বর্তমান সরকার আসার পর দ্রুততার সঙ্গে এই জমি হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু করতে চলেছি। আজকে এর সূচনা লগ্নে আমরা ২৭ কি.মি এলাকাকে সুরক্ষিত করার প্রয়োজনীয় জমি — সরকারি এবং প্রাইভেট জমি যা আমরা ক্রয় করছি এবং তার সম্পূর্ণ অর্থ বিএসএফ এবং ভারত সরকার আমাদের দিচ্ছেন — আমরা সেটা সূচনা করলাম।”

“আমি বিশ্বাস করি পশ্চিমবাংলার দেশপ্রেমিক জনগণ এবং আমাদের অত্যন্ত দক্ষ আধিকারিকরা আগামী কিছুদিনের মধ্যে যতটা জমি আমাদের দেওয়ার দরকার বা আমরা দিতে পারব, যেখানে যেখানে সীমান্ত সুরক্ষার প্রশ্নে কাঁটাতার দেওয়া সম্ভব, আমরা অতি দ্রুততার সঙ্গে তুলে ধরব।”