ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জনমুখী পুলিশিংয়ের মূল ভিত্তি হলো জনগণের আস্থা অর্জন : আইজিপি এআই-সেমিকন্ডাক্টর ও রোবটিক্সে গবেষণায় তরুণদের নীতিসহায়তার প্রতিশ্রুতি প্রধানমন্ত্রীর: স্বপন প্রধানমন্ত্রীর ফেনী সফর ঘিরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ৪ স্তরের নিরাপত্তা প্রবীণদের আর্থিক নিরাপত্তা ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করবে সরকার : প্রধানমন্ত্রী দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা ও পরিকল্পনার কথা বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরেছেন প্রধানমন্ত্রী ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপিসহ তিন কমিটি বিলুপ্ত, বহিষ্কার ১৪ সঠিক প্যারেন্টিং যেভাবে গড়ে দেয় শিশুর ভবিষ্যৎ তারপরও দলে উন্নতির ছাপ দেখছেন হামজা খায়রুল বাসার-সাদনিমা জুটির ‘তোমার ঠিকানায়’ পাকিস্তান কেন রূপপুর প্রকল্পের ইউরেনিয়াম বহনের অনুমতি দেয়নি

গরুর মাংস খাওয়ার পর যা খাওয়া উচিত না

কুরবানির ঈদে গরুর মাংসের নানা পদ খেতে সবাই কমবেশি পছন্দ করেন। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু সুস্বাদু খাবার উপভোগ করলেই হবে না—খাওয়ার পর কী খাচ্ছেন, সেদিকেও নজর রাখা জরুরি। কারণ কিছু খাবারের সংমিশ্রণ হজমের সমস্যার কারণ হতে পারে।

বিশেষ করে গরুর মাংস খাওয়ার পরপরই দুধ বা দুধজাত খাবার খাওয়ার বিষয়ে সতর্ক থাকতে বলা হয়। ঈদের খাবারের শেষে পায়েস, ফিরনি, পুডিং বা মিষ্টিজাতীয় ডেজার্ট খাওয়ার অভ্যাস অনেকেরই আছে।

কিন্তু পুষ্টিবিদদের মতে, মাংস ও দুগ্ধজাত খাবার—দুটিই প্রোটিনসমৃদ্ধ এবং তুলনামূলক ভারী খাবার। ফলে একসঙ্গে বেশি পরিমাণে খেলে হজমে চাপ তৈরি হতে পারে।

এতে কারও কারও ক্ষেত্রে গ্যাস, বুকজ্বালা, পেট ফাঁপা বা কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। যাদের হজমশক্তি দুর্বল বা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা আছে, তারা বেশি অস্বস্তি অনুভব করতে পারেন।

বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দেন, ভারী মাংস খাওয়ার পর অন্তত কিছুটা সময় বিরতি দিয়ে দুধ বা মিষ্টিজাতীয় খাবার খাওয়া ভালো। খাওয়ার পর অল্প হাঁটাহাঁটি করলেও হজমে সহায়তা করে। পাশাপাশি অতিরিক্ত খাবার এড়িয়ে পরিমিতভাবে খাওয়ার দিকেও গুরুত্ব দেওয়া উচিত, যাতে ঈদের আনন্দের সঙ্গে সুস্থতাও বজায় থাকে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জনপ্রিয় সংবাদ

জনমুখী পুলিশিংয়ের মূল ভিত্তি হলো জনগণের আস্থা অর্জন : আইজিপি

গরুর মাংস খাওয়ার পর যা খাওয়া উচিত না

আপডেট টাইম : ০৯:২৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬

কুরবানির ঈদে গরুর মাংসের নানা পদ খেতে সবাই কমবেশি পছন্দ করেন। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু সুস্বাদু খাবার উপভোগ করলেই হবে না—খাওয়ার পর কী খাচ্ছেন, সেদিকেও নজর রাখা জরুরি। কারণ কিছু খাবারের সংমিশ্রণ হজমের সমস্যার কারণ হতে পারে।

বিশেষ করে গরুর মাংস খাওয়ার পরপরই দুধ বা দুধজাত খাবার খাওয়ার বিষয়ে সতর্ক থাকতে বলা হয়। ঈদের খাবারের শেষে পায়েস, ফিরনি, পুডিং বা মিষ্টিজাতীয় ডেজার্ট খাওয়ার অভ্যাস অনেকেরই আছে।

কিন্তু পুষ্টিবিদদের মতে, মাংস ও দুগ্ধজাত খাবার—দুটিই প্রোটিনসমৃদ্ধ এবং তুলনামূলক ভারী খাবার। ফলে একসঙ্গে বেশি পরিমাণে খেলে হজমে চাপ তৈরি হতে পারে।

এতে কারও কারও ক্ষেত্রে গ্যাস, বুকজ্বালা, পেট ফাঁপা বা কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। যাদের হজমশক্তি দুর্বল বা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা আছে, তারা বেশি অস্বস্তি অনুভব করতে পারেন।

বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দেন, ভারী মাংস খাওয়ার পর অন্তত কিছুটা সময় বিরতি দিয়ে দুধ বা মিষ্টিজাতীয় খাবার খাওয়া ভালো। খাওয়ার পর অল্প হাঁটাহাঁটি করলেও হজমে সহায়তা করে। পাশাপাশি অতিরিক্ত খাবার এড়িয়ে পরিমিতভাবে খাওয়ার দিকেও গুরুত্ব দেওয়া উচিত, যাতে ঈদের আনন্দের সঙ্গে সুস্থতাও বজায় থাকে।