ঢাকা , শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভারত সীমান্তের স্পর্শকাতর স্থানে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের পরিকল্পনা বিবেচনাধীন

ভারত সীমান্তের স্পর্শকাতর স্থানে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণের কার্যক্রম বিবেচনাধীন বলে সংসদকে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, সীমান্তে বিএসএফ কর্তৃক নিরীহ বাংলাদেশি নাগরিক হত্যা অত্যন্ত দুঃখজনক এবং মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

বুধবার (১৭ জুন) সংসদে প্রশ্ন জিজ্ঞাসা ও টেবিলে উপস্থাপিত উত্তরে এ কথা জানান তিনি।

মন্ত্রী আরও জানান, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট থেকে বিএসএফ এর পুশইন করা দুই হাজার ৩৬৯ জনের মধ্যে ১১ জনকে হস্তান্তর করা হয়েছে। ১৮৩ জনকে পুশব্যাক করা হয়েছে। বাকিদের থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের পর বিএসএফের ৩৬টি পুশইন চেষ্টা বিজিবি প্রতিরোধ করেছে। বিজিবি-বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ের সীমান্ত সম্মেলনেও বিষয়টি অত্যন্ত জোরালোভাবে উত্থাপন করা হয়েছে।

দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে সবসময়ই সীমান্তে আত্মরক্ষার অজুহাতে মারাত্মক বা প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহারের তীব্র বিরোধিতা করা হয়েছে এবং ক্ষতিপূরণ ও জবাবদিহিতার বিষয়টি পরোক্ষভাবে চাপ সৃষ্টি করা হয়েছে বলেও সংসদকে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারত সীমান্তের স্পর্শকাতর স্থানে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের পরিকল্পনা বিবেচনাধীন

আপডেট টাইম : ০৪:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

ভারত সীমান্তের স্পর্শকাতর স্থানে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণের কার্যক্রম বিবেচনাধীন বলে সংসদকে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, সীমান্তে বিএসএফ কর্তৃক নিরীহ বাংলাদেশি নাগরিক হত্যা অত্যন্ত দুঃখজনক এবং মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

বুধবার (১৭ জুন) সংসদে প্রশ্ন জিজ্ঞাসা ও টেবিলে উপস্থাপিত উত্তরে এ কথা জানান তিনি।

মন্ত্রী আরও জানান, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট থেকে বিএসএফ এর পুশইন করা দুই হাজার ৩৬৯ জনের মধ্যে ১১ জনকে হস্তান্তর করা হয়েছে। ১৮৩ জনকে পুশব্যাক করা হয়েছে। বাকিদের থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের পর বিএসএফের ৩৬টি পুশইন চেষ্টা বিজিবি প্রতিরোধ করেছে। বিজিবি-বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ের সীমান্ত সম্মেলনেও বিষয়টি অত্যন্ত জোরালোভাবে উত্থাপন করা হয়েছে।

দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে সবসময়ই সীমান্তে আত্মরক্ষার অজুহাতে মারাত্মক বা প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহারের তীব্র বিরোধিতা করা হয়েছে এবং ক্ষতিপূরণ ও জবাবদিহিতার বিষয়টি পরোক্ষভাবে চাপ সৃষ্টি করা হয়েছে বলেও সংসদকে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।