যুক্তরাষ্ট্রের সাথে শান্তি চুক্তির জন্য মূল আলোচনা এগিয়ে নিতে পাঁচটি শর্ত জুড়ে দিয়েছে ইরান। দেশটির পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ জানিয়েছেন, লেবাননে যুদ্ধ বন্ধ, তেল রপ্তানির নিরাপত্তা নিশ্চিত আর জব্দ করা সম্পদ হস্তান্তর না করা পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বৈঠকে বসবে না তেহরান।
ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার ও প্রধান আলোচক বাঘের গালিবাফ এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, কূটনীতি সফল হলেও ইরানের মূল শক্তি হলো নিজস্ব সামরিক সক্ষমতা। আর সে কারণেই দেশের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি কিংবা সামরিক শক্তি নিয়ে কোনো ধরনের আলোচনা বা আপস হবে না।
ইসলামাবাদে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের কার্যকারিতা নিয়ে গালিবাফ জানান, চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছাতে ৬০ দিনের সময়সীমা প্রয়োজনে আরও বাড়তে পারে। তবে জাতিসংঘ এবং যুক্তরাষ্ট্রের সব নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত আলোচনা চলবে। এদিকে হরমুজ প্রণালীর সামুদ্রিক পরিষেবা প্রশাসনের বিষয়ে প্রতিবেশী ওমানের সাথে ইরান আইনি ও সেবা-সংক্রান্ত চুক্তি করেছে।
হরমুজ প্রণালীতে মার্কিন নৌ অবরোধ প্রত্যাহারের পর ৪০ মিলিয়ন ব্যারেল তেল রপ্তানি করেছে ইরান। এছাড়া ওই অঞ্চলে নতুন করে উত্তেজনা এড়াতে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র এবং লেবানন মিলে “ডি-কনফ্লিকশন সেল” বা সংঘাত নিরসন কেন্দ্র গঠনে রাজি হয়েছে।

বাঙ্গালী কণ্ঠ ডেস্ক 























