ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ দৈনিক ইনকিলাব অফিস পরিদর্শনে এসেই স্মরণ করলেন উপমহাদেশের প্রখ্যাত আলেম আলহাজ মাওলানা এম এ মান্নান (রহ.) কর্মময় জীবনের কথা। বাংলাদেশের উন্নয়ন, মাদরাসা শিক্ষার মান উন্নয়নে তাঁর অবদানের কথা স্মরণ করে ধর্মমন্ত্রী বলেন, দৈনিক ইনকিলাবের প্রতিষ্ঠাতা, সাবেক মন্ত্রী ও বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদারের্ছীনের সাবেক সভাপতি আলহাজ মাওলানা এম এ মান্নান (রহ.) দেশে ইসলামের পুর্নজাগরণ ও শিক্ষার উন্নয়নে অনন্য ভূমিকা পালন করে গেছেন।
বিশেষ করে মাদরাসা শিক্ষার উন্নয়নে মাওলানা এম এ মান্নান (রহ.) অবিস্মরণীয় অবদান রেখে গেছেন। শিক্ষার উন্নয়নে মাওলানা এম এ মান্নান (রহ.) অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। মাওলানা এম এ মান্নান (রহ.) কাছে রাজনীতি এবং মানবসেবা শিখেছেন জানিয়ে তিনি বলেন, মাওলানা এম এ মান্নানের সানিধ্য যারা পেয়েছেন তারা ভাগ্যবান।
আমিও সেই ভাগ্যবানদের একজন। তিনি ছিলেন আমার রাজনৈতিক গুরু। তার কাছে অনেক কিছু শিখেছি। আল্লাহ আমাকে ধর্মমন্ত্রী বানিয়েছেন দেশ জাতি ও ইসলামের খেদমতের জন্য। আমি একজন কামলা হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে চাই। আমাকেতো যাবজ্জীবন কারদ- দিয়েছিল শেখ হাসিনার সরকার। আল্লাহর ইচ্ছায় এখনো বেছে রয়েছি, আল্লাহর মেহেরবাণীতে নির্বাচনে অংশ নিয়ে এমপি হয়েছি-মন্ত্রী হয়েছি। আল্লাহ যা চায় কেউ তা ঠেকাতে পারেন না। আল্লাহর মেহেরবাণীতে নির্বাচনের পর বিএনপি সরকার গঠন করেছে প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্ব দেশ উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।
ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী শাসনামলের দীর্ঘ ১৬ বছরের দুর্দিনে দৈনিক ইনকিলাব তার আদর্শ ও ঐতিহ্য ধরে রাখায় সম্পাদক আলহাজ এ এম এম বাহাউদ্দীনের ভুয়সী প্রশংসা করেন। পাশাপাশি ইনকিলাব সম্পাদক ও কর্তব্যরত সকল সাংবাদিকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে ধন্যবাদ জানান। তিনি ইনকিলাব প্রতিষ্ঠার পর ইনকিলাব অফিসে এসে মাওলানাএম এ মান্নানের সানিধ্যে আসার স্মৃতিচারণ করেন এবং নিজেকে ইনকিলাব পরিবারের একজন সদস্য হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেন।

বাঙ্গালী কণ্ঠ ডেস্ক 

























