এছাড়াও মিথ্যা কসমকারীর জন্য পরকালে জাহান্নাম অবধারিত। ইমরান ইবন হুসাইন (রা.) থেকে বর্ণিত একটি হাদিসে এসেছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি কোনো হাকিমের আদালতে বন্দি থাকা অবস্থায় মিথ্যা কসম খায়, সে যেন তার আবাসস্থল জাহান্নামে বানিয়ে নেয়। (সুনান আবু দাউদ, হাদিস : ৩২২৭)
মনে রাখতে হবে, ভালো কিছুর জন্য আল্লাহর নামে কসম কাটার পর সেটি পূরণ করা মুমিনের কর্তব্য। কারণ, কেউ যদি আল্লাহর নামে কসম কেটে কারও কাছে কোনোকিছু দেয়ার ওয়াদা করে কিংবা নিজে কোনোকিছু না করার ওয়াদা করেও তা পূরণে ব্যর্থ হয়, তবে তাকে কসমের কাফফারা (প্রায়শ্চিত্ত বা ক্ষতিপূরণ) দিতে হয়।
এ ক্ষেত্রে জনপ্রিয় ইসলামিক স্কলার শায়খ আহমাদুল্লাহর ভাষ্য, ভুল করে কিংবা রাগের মাথায় কোনোকিছু থেকে বিরত থাকার কসম করার পর কেউ যদি সেটি করে ফেলে তবে তাকে কসমের কাফফারা দিতে হবে। কসমের কাফফারা হলো- হয় ১০ জন মিসকিনকে খাবার খাওয়াতে হবে; নয়তো তিন দিন রোজা রাখতে হবে। অর্থাৎ, কেউ কোনো কিছুর কসম করেও তা পূরণে ব্যর্থ হলে তাকে কাফফারা হিসেবে ১০ জন মিসকিন বা দরিদ্র মানুষকে খাবার খাওয়াতে হবে। অথবা তিনি চাইলে ৩ দিন রোজে রেখেও কসমের কাফফারা বা কসম ভাঙার ক্ষতিপূরণ আদায় করতে পারবেন।

বাঙ্গালী কণ্ঠ ডেস্ক 

























