ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মাছের সংকটে অস্তিত্বের লড়াইয়ে ভাঙ্গুড়ার ঐতিহ্যবাহী শুঁটকি শিল্প ইয়োহেই সাসাকাওয়ার নৈশভোজে প্রধানমন্ত্রী, ভ্যাকসিন উৎপাদন কারখানা নিয়ে আলোচনা দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্ব গড়তে প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর গুরুত্বপূর্ণ : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জাইকার প্রেসিডেন্টের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ জাইকার সঙ্গে সহযোগিতা বাড়াতে চায় বাংলাদেশ সেই বই থেকে দাঁড়িপাল্লা বাদ, সংশোধিত পৃষ্ঠা চূড়ান্ত সোনালী ব্যাংকের এমডি বহাল, তিন ব্যাংকে নতুন নিয়োগ মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযান মালিকদের জন্য সুখবর ড় সাইবার হামলার ঝুঁকিতে ৭০ শতাংশ ওয়েবসাইট দীর্ঘমেয়াদী প্রশিক্ষণের সুযোগ পাচ্ছে নতুন কুঁড়ির ৪০ জন ফ্রান্স থেকে স্পেন : ইউরোপজুড়ে কেন আন্দোলনে নেমেছে জেন-জি

জামা-কাপড় কিনে এনেই পরছেন? ডেকে আনছেন মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি

অনলাইন বা শপিং মল, শোরুম কিংবা বিভিন্ন দোকান থেকে পছন্দের পোশাক কিনে এনেই তা সরাসরি গায়ে চড়িয়ে দেওয়ার অভ্যাস অনেকেরই রয়েছে। কিন্তু এই ঝটপট পোশাক পরার আনন্দই আপনার ত্বকের জন্য নিয়ে আসতে পারে মারাত্মক বিপদ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কারখানা থেকে দোকান—বিভিন্ন হাত ঘুরে আসা নতুন কাপড়ে লুকিয়ে থাকে হাজারো জীবাণু ও ক্ষতিকর রাসায়নিক।

পোশাক থেকে যেসব স্বাস্থ্যঝুঁকি হতে পারে

রাসায়নিক ও ডাইয়ের প্রভাব: কাপড় তৈরির সময় টেক্সটাইল মিলগুলোতে রিঙ্কেল-ফ্রি বা টেকসই রঙ করার জন্য ‘ফরমালডিহাইড’ এবং বিভিন্ন ‘অ্যাজো ডাই’ ব্যবহার করা হয়। সংবেদনশীল ত্বকে এগুলো লাগলে মারাত্মক ‘কন্টাক্ট ডার্মাটাইটিস’ বা অ্যালার্জি হতে পারে।

জীবাণু ও ট্রায়াল রুমের ধুলোবালি: দোকানে ঝুলিয়ে রাখা পোশাক কেনার আগে বহু মানুষ তা গায়ে দিয়ে দেখেন। ফলে আগের ব্যক্তির গায়ের ঘাম, ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক (Fungus) বা স্ক্যাবিসের (খোসপাঁচড়া) জীবাণু পোশাকে থেকে যেতে পারে।

ধুলোবালি ও পরজীবী: গুদামজাতকরণ এবং পরিবহনের সময় পোশাকে প্রচুর ধুলোবালি ও সূক্ষ্ম পোকা লেগে থাকার আশঙ্কা থাকে, যা সরাসরি ত্বকের সংস্পর্শে এলে চুলকানি ও র্যাশ সৃষ্টি করে।

সুস্থ থাকতে করণীয় কী?তাই যে কোনো নতুন পোশাক কেনার পর তা না পরে ভালো করে ধুয়ে নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। প্রথমে পরিধেয় কাপড়টি হালকা গরম পানি কিংবা উপযুক্ত ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে নিতে হবে। এরপর রোদে ভালোভাবে শুকিয়ে তবেই তা ব্যবহার করা উচিত। এই ছোট অথচ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা অবলম্বন করলেই ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ও রাসায়নিকের হাত থেকে নিজের ত্বক এবং শরীরকে সম্পূর্ণ সুরক্ষিত রাখা সম্ভব হবে। পোশাক যতই আকর্ষণীয় বা নামীদামী ব্র্যান্ডের হোক না কেন, ধুয়ে না পরে তা গায়ে দেওয়া মোটেও বুদ্ধিমানের কাজ নয়। একটু সচেতনতাই রক্ষা করতে পারে আপনাকে ও আপনার পরিবারকে যেকোনো মারাত্মক চর্মরোগ থেকে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

মাছের সংকটে অস্তিত্বের লড়াইয়ে ভাঙ্গুড়ার ঐতিহ্যবাহী শুঁটকি শিল্প

জামা-কাপড় কিনে এনেই পরছেন? ডেকে আনছেন মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি

আপডেট টাইম : ০৫:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬

অনলাইন বা শপিং মল, শোরুম কিংবা বিভিন্ন দোকান থেকে পছন্দের পোশাক কিনে এনেই তা সরাসরি গায়ে চড়িয়ে দেওয়ার অভ্যাস অনেকেরই রয়েছে। কিন্তু এই ঝটপট পোশাক পরার আনন্দই আপনার ত্বকের জন্য নিয়ে আসতে পারে মারাত্মক বিপদ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কারখানা থেকে দোকান—বিভিন্ন হাত ঘুরে আসা নতুন কাপড়ে লুকিয়ে থাকে হাজারো জীবাণু ও ক্ষতিকর রাসায়নিক।

পোশাক থেকে যেসব স্বাস্থ্যঝুঁকি হতে পারে

রাসায়নিক ও ডাইয়ের প্রভাব: কাপড় তৈরির সময় টেক্সটাইল মিলগুলোতে রিঙ্কেল-ফ্রি বা টেকসই রঙ করার জন্য ‘ফরমালডিহাইড’ এবং বিভিন্ন ‘অ্যাজো ডাই’ ব্যবহার করা হয়। সংবেদনশীল ত্বকে এগুলো লাগলে মারাত্মক ‘কন্টাক্ট ডার্মাটাইটিস’ বা অ্যালার্জি হতে পারে।

জীবাণু ও ট্রায়াল রুমের ধুলোবালি: দোকানে ঝুলিয়ে রাখা পোশাক কেনার আগে বহু মানুষ তা গায়ে দিয়ে দেখেন। ফলে আগের ব্যক্তির গায়ের ঘাম, ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক (Fungus) বা স্ক্যাবিসের (খোসপাঁচড়া) জীবাণু পোশাকে থেকে যেতে পারে।

ধুলোবালি ও পরজীবী: গুদামজাতকরণ এবং পরিবহনের সময় পোশাকে প্রচুর ধুলোবালি ও সূক্ষ্ম পোকা লেগে থাকার আশঙ্কা থাকে, যা সরাসরি ত্বকের সংস্পর্শে এলে চুলকানি ও র্যাশ সৃষ্টি করে।

সুস্থ থাকতে করণীয় কী?তাই যে কোনো নতুন পোশাক কেনার পর তা না পরে ভালো করে ধুয়ে নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। প্রথমে পরিধেয় কাপড়টি হালকা গরম পানি কিংবা উপযুক্ত ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে নিতে হবে। এরপর রোদে ভালোভাবে শুকিয়ে তবেই তা ব্যবহার করা উচিত। এই ছোট অথচ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা অবলম্বন করলেই ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ও রাসায়নিকের হাত থেকে নিজের ত্বক এবং শরীরকে সম্পূর্ণ সুরক্ষিত রাখা সম্ভব হবে। পোশাক যতই আকর্ষণীয় বা নামীদামী ব্র্যান্ডের হোক না কেন, ধুয়ে না পরে তা গায়ে দেওয়া মোটেও বুদ্ধিমানের কাজ নয়। একটু সচেতনতাই রক্ষা করতে পারে আপনাকে ও আপনার পরিবারকে যেকোনো মারাত্মক চর্মরোগ থেকে।