ঢাকা , রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ওমরা শেষে বিমানে মায়ের মৃত্যু, ওমানে মরদেহ রেখে একাই ফিরলো ছেলে

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বিজি-১৩৬ ফ্লাইটে অসুস্থ হয়ে মারা যাওয়া মায়ের মরদেহ ওমানে রেখে একাই দেশে ফিরতে হয়েছে ছেলে এরশাদকে। আইনি বাধ্যবাধকতার কারণে মায়ের মরদেহ সঙ্গে নিয়ে চট্টগ্রামে ফিরতে পারেননি তিনি। বর্তমানে ছানোয়ারা বেগমের (৫৫) মরদেহ ওমানে রয়েছে। বাংলাদেশ দূতাবাসের মাধ্যমে সেটি দেশে আনার প্রক্রিয়া চলছে।

ছানোয়ারা বেগম চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার ছদাহা ইউনিয়নের পূর্ব বিল্লিয়ার পাড়ার বাসিন্দা। গত ২৫ জুলাই ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরব যান তিনি। সেখানে থাকা দুই ছেলে শাহেদ ও এরশাদের সঙ্গে কয়েক মাস থাকার পরিকল্পনা ছিলো তার।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) রাতে জেদ্দা থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশে ছেড়ে আসা বিজি-১৩৬ ফ্লাইটে অসুস্থ হয়ে পড়েন ছানোয়ারা। জরুরি চিকিৎসার জন্য উড়োজাহাজটি মাস্কাট বিমানবন্দরে অবতরণ করানো হয়। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকেরা।

তবে ওমানের আইন অনুযায়ী মরদেহ বিমান থেকে নামাতে রয়্যাল ওমান পুলিশের অনুমতি প্রয়োজন ছিল। অনুমতি পেতে দেরি হওয়ায় দীর্ঘ সময় মরদেহটি উড়োজাহাজের ভেতরেই ছিল। পরে অনুমতি পাওয়ার পর মরদেহ নামিয়ে প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে ফ্লাইটটি চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা হয়।

স্থানীয়রা জানান, ছানোয়ারা আগে থেকেই ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপসহ বিভিন্ন রোগে ভুগছিলেন। সৌদি আরবেও তার চিকিৎসা হয়েছিল। শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা ইব্রাহিম খলিল জানান, বুধবার দুপুর ২টা ৪৬ মিনিটে ফ্লাইটটি চট্টগ্রামে পৌঁছায়। দূতাবাসের মাধ্যমে মরদেহ দেশে আনার প্রক্রিয়া চলছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

ওমরা শেষে বিমানে মায়ের মৃত্যু, ওমানে মরদেহ রেখে একাই ফিরলো ছেলে

আপডেট টাইম : ০৬:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বিজি-১৩৬ ফ্লাইটে অসুস্থ হয়ে মারা যাওয়া মায়ের মরদেহ ওমানে রেখে একাই দেশে ফিরতে হয়েছে ছেলে এরশাদকে। আইনি বাধ্যবাধকতার কারণে মায়ের মরদেহ সঙ্গে নিয়ে চট্টগ্রামে ফিরতে পারেননি তিনি। বর্তমানে ছানোয়ারা বেগমের (৫৫) মরদেহ ওমানে রয়েছে। বাংলাদেশ দূতাবাসের মাধ্যমে সেটি দেশে আনার প্রক্রিয়া চলছে।

ছানোয়ারা বেগম চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার ছদাহা ইউনিয়নের পূর্ব বিল্লিয়ার পাড়ার বাসিন্দা। গত ২৫ জুলাই ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরব যান তিনি। সেখানে থাকা দুই ছেলে শাহেদ ও এরশাদের সঙ্গে কয়েক মাস থাকার পরিকল্পনা ছিলো তার।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) রাতে জেদ্দা থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশে ছেড়ে আসা বিজি-১৩৬ ফ্লাইটে অসুস্থ হয়ে পড়েন ছানোয়ারা। জরুরি চিকিৎসার জন্য উড়োজাহাজটি মাস্কাট বিমানবন্দরে অবতরণ করানো হয়। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকেরা।

তবে ওমানের আইন অনুযায়ী মরদেহ বিমান থেকে নামাতে রয়্যাল ওমান পুলিশের অনুমতি প্রয়োজন ছিল। অনুমতি পেতে দেরি হওয়ায় দীর্ঘ সময় মরদেহটি উড়োজাহাজের ভেতরেই ছিল। পরে অনুমতি পাওয়ার পর মরদেহ নামিয়ে প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে ফ্লাইটটি চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা হয়।

স্থানীয়রা জানান, ছানোয়ারা আগে থেকেই ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপসহ বিভিন্ন রোগে ভুগছিলেন। সৌদি আরবেও তার চিকিৎসা হয়েছিল। শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা ইব্রাহিম খলিল জানান, বুধবার দুপুর ২টা ৪৬ মিনিটে ফ্লাইটটি চট্টগ্রামে পৌঁছায়। দূতাবাসের মাধ্যমে মরদেহ দেশে আনার প্রক্রিয়া চলছে।